কি? বিশ্বাস হয় না। ঠিক, এটা অবিশ্বাস্য।
মারা যাওয়ার আগে এটলিষ্ট সে শুকিয়ে আফ্রিকার মতো কংকালসার হয়ে যতো।
শিক্ষা? ভুড়ি নিয়ে কেউ না খেয়ে মারা যায় না।
- Comments:
- সমস্ত ফ্যট বার্ন হবার আগে মাসল বার্ন হবে না। মাসাল বার্নের অনেক দেরি আছে।
কি? বিশ্বাস হয় না। ঠিক, এটা অবিশ্বাস্য।
মারা যাওয়ার আগে এটলিষ্ট সে শুকিয়ে আফ্রিকার মতো কংকালসার হয়ে যতো।
শিক্ষা? ভুড়ি নিয়ে কেউ না খেয়ে মারা যায় না।
এবং কাতার জিতে। ৪-০ গোলে।
এর meme-troll দিয়ে এখন আরব নেট ভর্তি।
আজকে কাতার - জাপান ফাইনাল। দুবাইয়ে।
"৩৫ লাখ টাকা কাবিন ধরলে?"
আত্মহত্যা করতে হবে। ঐ লোকের মতো।
প্লাস,
বিয়ের সময় যদি আপনি "লোভে" পড়ে না যান, তবে বড় অংকের কাবিন ধরার কোনো মানে নেই। লোভে পড়ে গেলে আপনি মেরুদন্ড হারাবেন বিয়ের আগেই।
#survivingYourWife
At last something they can be happy about.
Interestingly this joy would have been all of Arab's joy, hadn't they started this in-fight couple years back.
Security এর জন্য ব্যংক থেকে একটা SMS পাঠায়। সেখান থেকে কোড কপি করে পোষ্ট করলে ট্রানজেকশন সাকসেস।
সাদা চামড়ার লোক। খাতির পায়। আরবি শিখে নেয়। হয়ে যায় আরব নেতাদের কাছের মানুষ। গোপনে বৃটিশ চর।
২
৪০ বছর পরে। লরেন্স আফ আরাবিয়ার উপর একটা মুভির শুটিং চলছে। সেই ফিল্মের এক বৃটিশ একট্রেসের প্রেমে পড়ে যায় জর্ডানের বাদশাহ। বিয়ে করে। লরেন্স অফ আরাবিয়ার মতো আরেকজন বৃটিশ হয়ে যায় এক আরব বাদশাহর কাছের লোক। এজেন্ট? সম্ভবতঃ না।
৩
তাদের ছেলে আব্দুল্লাহ এখন জর্ডানের বাদশাহ। উচ্চ কুরাইশ-হাশেমি-সৈয়দ-হাসান রা: বংশ। বিয়ে করেছে প্যলেষ্টাইনি এক মেয়েছে। রাজ পরিবার ইসলামি মতে পর্দা করে না। অধিকাংশ টিভি প্রজেন্টাররাও না।
কিন্তু জনগনের মাঝে মহিলারা হিজাব পড়েই চলে। রাস্তায় মাথায় স্কার্ফ ছাড়া কোনো মহিলা নেই। সাধারন মানুষ টিভিতে আসলেও তারা স্কার্ফ পড়েই আসে। তবে শায়েখদের কেউ কেউ সুট-টাই পড়েন। এভাবেই ইসলামি প্রেজেন্টেশন।
এবং সাধারন জনগন সবাই রাজার পক্ষে।
আরব স্প্রিং বা অন্য কোনো আন্দোলন জর্দানকে খুব একটা ঝাকাতে পারে নি।
যেমন : মসজিদে তসবিহ কোরআন তিলওয়াত ছাড়া চুপ চাপ বসে থাকা মাকরুহ। কিন্তু এই মাকরুহ অর্থ এই না যে মসজিদে বসে থাকলে গুনাহ হবে।
"সোয়াব কম হবে" এই সেন্সে মাকরুহ। গুনাহ নেই।
বস্তুতঃ এখন সত্যি দুটো আলাদা হয়ে যাচ্ছে বহু বছর এক সাথে থাকার পরে।
তাই যত আপনি আত্মহত্যাকারিদের প্রতি সিমপেথেটিক হবেন।
বলবেন,
"হইতেও পারে...
নিশ্চিত হয়ে গেলেন সে কাফের?
আপনার কাছে কি ওহি আসছে?
এই ফতোয়া কই পাইছেন?
চাইলে কি আল্লাহ মাফ করতে পারে না?
আমরা জানি না..."
বলে জিনিসগুলো soft করতে চাইবেন, আত্মহ্যাকারীদের সংখ্যা তত বাড়তে থাকবে।
কারন তাদের বিশ্বাস ঐ সাইডে "চির শান্তি দেশ।"
ইনকজেট প্রিন্টার এক্সটারনাল ট্যংক স্ক্যনার সহ পাওয়া যায় ১০-১৪ হাজার টাকায়। এটা থাকলে ফটোস্টেটের জন্যও আর বাইরে দৌড়াতে হবে না।
হয়তো মাথায় সমস্যা আছে। তবে উনাকে কেন দাওয়াত করে আনা হয় ওয়াজ করার জন্য সেটা প্রশ্ন।
শিক্ষা?
১। আলেমদের যখন পতন হয় তখন তারা ছুন্নিয়াতের দিকে ঝুকে নাকি ওহাবির দিকে -- এই প্রশ্নের একটা জবাব।
২। টাইটেলে যারা "মুক্তিযোদ্ধা" ব্যবহার করে তাদের থেকে দ্বিন শিক্ষার গুরুত্ব।
নেটে দেখলাম একজন উনার বানোয়াট স্বরচিত আয়াতগুলো আরবিতে লিখে এর অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।
উত্তর :
হ্যা ছিলেন। এবং কোনো একজন এই ব্যপারে দ্বিমত পোষন করে নি। উনি খলকে কোরআনে বিশ্বাসি ছিলেন এবং পরবর্তিতে ফিরে আসেন। কিন্তু উনার ইরজা থেকে ফিরে এসেছেন এমন প্রমান নেই।
http://www.rabee.net/ar/questions.php?cat=37&id=581
শিক্ষা?
একজন সালাফির পক্ষে হানাফি ফিকাহ মেনে নেয়া কেন প্রায় অসম্ভব একটা টাস্ক এর ইন্ডিকেশন এখানে। বাকি মাজহাবগুলোর ব্যপারে তারা নম্র হতে পারে। কিন্তু হানাফি? উহু।
তাই মানানোর চেষ্টা না করে, "মানে না" এটা ধরে নিয়ে এগুনো ভালো। তর্ক কমবে।
by the way : এটা মাদখালি সাইট। মাদখালিরা সালাফিদের থেকে ভিন্ন কিনা, বা তাদের মাঝে কি পার্থক্য, বা গভীর কোনো পার্থক্য আছে কিনা জানা নেই।
উনি স্টেটাসে শিক্ষা দিচ্ছেন "হাদিস আর সুন্নাহ এক না। সুন্নাহ অনুসরন করি। হাদিস না।" এই ধাচের কথা বার্তা। এবং বলছেন এটাই মূলতঃ ইমাম মালেকের শিক্ষা। "ইমাম মালেকের নিজের লিখা মুয়াত্তার সব হাদিস ইমাম মালেক নিজে অনুসরন করেন নি।"
লিংক কমেন্টে।
অথচ আমার ধারনা ছিলো এগুলো "বিভ্রান্ত" "আহলে রায়" হানাফি আলেমরাই শুধু বলে।
এর পর যত পড়া-লেখা করি, দেখি ঐ নিজের বুঝা জেনারালাইজড এজামপশন গুলোই ঠিক।
তাই পড়া দ্বারা কি লাভ হয়? নিজের পুরানো বিশ্বাস রিইনফোর্সড হয়। নতুন কিছু দ্বারা পরিবর্তিত হয় না। আগে হয়তো তর্কে নামলে হেরে যেতাম। এখন তর্কে নামলে আমি দলিল দিয়ে দাড়িয়ে থাকতে পারবো।
কিন্তু বিশ্বাস যা ছিলো তাই।
এটা শুধু আমার না। একজন সালাফি, তবলিগি, চেতনাবাদি, ছু্ন্নি, মাজহাবি সবার ক্ষেত্রে একই হয়।
তাই একটা লেভেলের পরে ইলম অর্জন করা দ্বারা শুধু নিজের তর্ক করার ক্ষমতার উন্নতি হয়। বিশ্বাসে পরিবর্তন আসে না।
তাই এর পর প্রশ্ন আসে :
But then again, I just did it.
You can focus on the "meaning" and not on the "terms", I guess.
কিন্তু যারা ডিনায়েলে, তারা ডিনাইয়েলে।
আমি হলে, ঐ আলেমের দোষ খুজার পেছনে না পড়ে, বরং খুজে দেখতাম অন্য আলেমদের মত কি? মতে যদি ভেরিয়েশন পাই তবে অধিকাংশের মত কি? মূলধারার মত কি?
কিন্তু এই ব্যপারে naive approach হলো attack the messenger.
এই approach টা নেটে খুব কমন। তাদের জন্য অন্য দ্বিতীয় তৃতীয় কোনো মত এনে লাভ নেই।
এখন ভাব দেখে মনে হচ্ছে সামনের কয়েক বছর "আকাশ-মিতুর" কাহিনি দিয়ে সংবাদপত্র সরগরম থাকবে।
ঠিক ৩০ বছর পরে। history repeating itself.
এই মুহুর্তে কিছু বুঝা যাচ্ছে না। সব লন্ড ভন্ড অবস্থা।
এতায়েতিরা ইজতেমা করবে না?
ইজতেমা হয়ে যাবে জাতীয় ঈদগাহর মতো সরকারী অনুষ্ঠান?
জোবায়ের সাহেব ভেঙ্গে পড়ছেন?
ফিতনা আল্লাহ তায়ালা পাঠান নেতাদের লাঞ্চিত করার জন্য। জোবায়ের সাহেবের জন্য খারাপ লাগছে। কিন্তু কষ্ট মাত্র আরম্ভ। প্রতিটা পদক্ষেপের জন্য পরবর্তিতে আফসোস করতে হবে। পদক্ষেপ ডানেই দেক বা বায়ে। গৃহযুদ্ধ গুলোর পরে সাহাবা কিরামগন যেরকম আফসোস করেছিলেন।
কিন্তু এত কাশফ খোলা, গায়েবি সাহায্য নেয়া, হিদায়াতের রাস্তা বাতানো মুরুব্বিরা নিজেরা যদি এভাবে কনফিউশনে পড়ে ঘুরতে থাকেন তখন প্রশ্ন জাগে উনারা পথ পাচ্ছেন না কেন?
এর পর বাকি আমাদের কি হবে?
এতায়েতিরা যাচ্ছে না, এখন পর্যন্ত নিশ্চিৎ।
সা'দ সাহেবের হিকমত আছে বলবো। উনি আগে থেকে এটা দেখতে পেরেছিলেন। তাই গত বছরই বলে দিয়েছিলেন ৬৪ জেলার প্রতি জেলায় জেলা ইজতেমা করো। তাই করেছে। ধাক্কা-বাধা সব সামলে।
তাই এখন একক ইজতেমা না করলেও চলবে। ইজতেমা তাদের হয়েই গিয়েছে।
ঐ সময়ে মনে হচ্ছিলো এত কষ্ট করে কেন জেলা ইজতেমা করছে? এখন এর লাভটা ক্লিয়ার।
চিপায় পড়েছে ওয়াসিফ সাহেব। মন্ত্রির পলিটিক্সের সাথে কতক্ষন টিকতে পারবেন সেটা প্রশ্ন। মন্ত্রিরা পরিবহন মালিক শ্রমিকদের ভেজে খেতে পারে। ওয়াসিফ-জুবায়ের সাহেব তো হিসাবেই আসে না।
এখন দেশে "উন্নতি-অগ্রগতি-স্বাভাবিক-সফলতা" দেখানোর জন্য কড়া হুকুম একসাথে ফটোশেসন করতে হবে। করতেই হবে!! ওয়াসিফ-জুবাযের সাহেব না করে যাবেন কোথায়?
Me thinks.
সেন্ট্রালাইজড "এক দল" করে এই কাজ আর চালানো যাবে না এটা মসজিদে নববিতে সেই আল্লাহর ওলিকে আগেই বলে দিয়েছিলেন যিনি বলেছিলেন তিনি। এখন বাস্তবেও হচ্ছে তাই।
সেন্ট্রালইজড বাংলাদেশের তবলিগের দল? দলের নেতাকে সরকার নিজেদের নিয়ন্ত্রন নিয়ে নেবে। একজন নেতা থাকলে এটা সহজ। শুরা থাকলে কঠিন। এজন্যই মন্ত্রি সাহেব দুই পক্ষ থেকে ১ জন নেতা আগে ঠিক করে দিয়েছেন। এর পর থেকে "আপনার দল যাই করুক, আপনার দলের কাজের জন্য আপনি একক ভাবে দায়ি থাকবেন" -- পুরো দল সরকারের কন্ট্রোলে।
শুধু বাংলাদেশ না, ভারতেও সম্ভবতঃ একই অবস্থা।
হিফাজতের "আমির" এর কথাই চিন্তা করেন। আমির আছে বলেই বিক্রি হলো নাকি হলো না সেটা প্রশ্ন আসছে।
de-centralized হলে এটা আরো কঠিন হতো।
তাই বড় হিকমত হলো আল্লাহর রসুল ﷺ এর।
শেষ হিকমত আল্লাহর।
দেশে এখন "কুফরি সেকুলারিজম" নেই। রাষ্ট্র আর ধর্ম এখন আর আলাদা না। যেটা ছিলো সেকুলারিজমের ডেফিনিশন। বরং ধর্মিয় সকল কাজ এখন রাষ্ট্রের পূর্ন নিয়ন্ত্রনে।
এন্টি-সেকুলারিজম এর পরবর্তি স্টেপ হবে মসজিদে জুমার খুতবার নিয়ন্ত্রন সরকারের নিয়ে নেয়া। মাঝখানে এটা করা হয়েছিলো কিন্তু দুই জুম্মার বেশি চালাতে পারে নি। কারন "চাটার দল" ১৮ কোটি টাকা খেয়ে ফেলেছিলো। তবে খুতবা বাদে ওয়াজ, মাদ্রাসা, মাহফিল বাকি যা আছে সবগুলো "রাষ্ট্রের" পূর্ন নিয়ন্ত্রনে।
যেমন কিনা "কুফরি গনতন্ত্র" থেকে কিছু দিন আগে দেশ মুক্ত হয়েছে।
শেষে "কুফরি" সিরিজে বাকি থাকে কি? সংবিধান? দুই দিন আগে ডাক্তারের ওয়েটিং রুমে বসা ছিলাম। পাশের জন বলছিলো দেশে সংবিধান নেই। "ওমুক" যা বলবে সেটাই এখন সংবিধান।
তোমরা যারা কুফরি খুজো। তোমাদের জন্য এখন হার্ড টাইম।
নতুন কারন খুজতে হবে।
পড়ে।
এজন্য যারা না হকের উপর থাকে তাদের অন্তর অস্বস্তিতে থাকে। ছট ফট করতে থাকে। বিপক্ষকে বার বার গালি দিতে থাকে। প্রচন্ড তর্ক করতে থাকে।
এগুলো তার অন্তরের দাগের রিফ্লেকশন।
তাই দুই দলের মাঝে কোনটা বেশি হক এটা নির্ধারনের একটা উপায় হলো তাদের ব্যবহার দেখা।
আর নিজে? নিজের অন্তর দেখা।
আর সব কিছুর মতো এটাও ফুল প্রুফ না।
কিন্তু একটা ইনডিকেশন, একটা সাইন।
আমাদের মডারেটদের একটা সুবিধা হলো শিয়া ভিন্ন যে কোনো সুন্নি দলের পেছনে নামাজ পড়ার ব্যপারে রিজারভেশন নেই। যেই মাজহাব-মানহাজ-আকিদা হোক। এগুলো আমরা যেহেতু বুঝি কম।
Water. Alien to our planet. Wasn't here during earth formation. Arrived later with a carrier.
Is the second most abundant thing in the universe.
Is weird. Doesn't follow the laws of normal physics. And which is why we exist.
Normally water should have been gaseous and not liquid.
এটা হলে ওজাহাতিদের বিপক্ষে যাবে।
এতাতিরা এখন আনন্দে আছে।
ব্যসিক্যলি এখন কে কাকে ছাড় না দিয়ে কতটুকু নিজেদের দখলে আনতে পারে সেটার যুদ্ধ। আর ফাইট যদি হয় তবে ওয়াসিফ সাহেব যুদ্ধের ময়দানে পারদর্শি। জোবায়ের সাহেব ফাইটার হিসাবে বড় হন নি।
জয় - পরাজয় দুই দিকেই দুলবে। শেষ বিজয় কিভাবে কোন পক্ষের কতটুকু হয় সেটা দেখার অপেক্ষায়।
প্লাসটিকের চাল বলে কিছু নেই। এটা একটা প্রচলিত প্রেংক। ফেইক নিউজ। কিছু দিন পর পর মানুষের ভিমরতি উঠে। "প্লাসটিকের ডিম" "জ্বালানি বিহীন বিদ্যুতের" মতো।
এই খবরের সাথে জড়িত যত জনের নাম এসেছে সবাই বেক্কল।
"কিন্তু পুলিশের ছবি আছে যে?"
ঐ পুলিশ বেক্কল।
"কোট পড়া মেজিষ্ট্রেটের মতো?"
ঐ ভদ্রলোক বেক্কল।
"আর সরকারি খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মচারির মত চেহারার লোকেরা?"
এরা সবাই বেক্কল।
"হ। সবাই বেক্কল, আর আপনি একা চালাক?"
আমি বেক্কল হই বা না হই, উপরে বর্নিত সবাই যে বেক্কল সেটা প্রমানিত।
"আপনি কি দেখছেন? জানেন? না জেনে কথা বলেন কি করে?"
ধারনার উপর কথা বলি। আপনি কি ধারনার উপর কথা বলেন না?
http://mzamin.com/article.php?mzamin=158031
http://mzamin.com/article.php?mzamin=158031
এটা দিয়ে এই বছরের বা সামনে পেছনে কয়েক বছরের যে কোনো মাসের ক্যলেন্ডার-কি বার-তারিখ চিন্তা করে বের করা যায়।
যেমন এই বছরের [২০১৯ সাল] এর জন্য doomsday হলো "বৃহস্পতিবার"।
তাই ক্যলেন্ডারের প্রতিটা মাসের ছবিতে দেয়া তারিখ বৃহস্পতিবার।
সামনের বছর ঐ একই তারিখগুলো হবে শুক্রুবার।
গত বছর ছিলো মঙ্গলবার।
অর্থাৎ বছর বাড়লে একদিন করে বাড়বে।
আর লিপ ইয়ারের ফ্রব্রুয়ারি পার হলে আরেক দিন বাড়বে।
তাই সমানের বছর মার্চের পর থেকে doomsday হবে শনিবার।
ক্যলেন্ডারটা মনে রাখা খুব সোজা। প্রতিটা মাসের জন্য আলাদা করে মুখস্ত না করে, আমি ১,২,৩,৪ কোন দিক থেকে কোন দিকে গিয়েছে সেটা মনে রাখবো। একটা রেখার মতো। তিনটা ০ একটা T এর মতো হয়েছে সেটা মনে রাখবো। দুই দিকের দুই কোনায় ৫। বেশিরভাগটাই কভার হয়ে গেলো।
যা বই কিনি এখন শুধু সেলফ সাজানোর জন্য। পড়া হয় না কোনোটাই। একটাও না। এর পরও কেনা এবং সেলফ।
১
কোন পক্ষে কত লোক এটা দেখার সুযোগ এই ইজতেমা। তবে সম্ভবতঃ দেখার প্রয়োজন নেই। এতাতিদের সংখ্যা ওজাহাতিদের ১০ গুন বেশি হবে ধারনা করে নিচ্ছি।
ফেসবুক পোষ্ট থেকে কিছু বুঝা যাবে না। নিজে গিয়ে ঘুরে না দেখলে। কাকরাইল মসজিদে কোন পক্ষের পালায় বেশি লোক হয় সেটা এখনো বুঝলাম না ফেসবুক পড়ে।
২
আমিরত্বে ফিরে যাওয়ার জন্য এখন দেশেও এতাতিদের একজন "আমির" নিযুক্ত করতে হবে। দেরি না করে এই ইজতেমার মাঝেই। এতাতিরা যদি এখনো শুরা দিয়ে চালায় তবে সেল্ফ-কন্ট্রাডিকটরি হয়ে যাবে।
এ দেশের আমিরকে ডাকা হতো "বড় হুজুর"। শেষ ছিলেন আব্দুল আজিজ সাহবে, খুলনায় বাড়ি। এখন এতাতিদের "বড় হুজুর" সম্ভবতঃ ওয়াসিফ সাহেব হচ্ছেন। টিভি সাংবাদিক যখন ঐ পক্ষকে জিজ্ঞাসা করেছিলো "আপনাদের বড় হুজুর কে?" জবাব দিয়েছিলো "ওয়াসিফ সাহেব।" তবে এটা একটা কোইনসিডেন্স। বড় কোনো ইন্ডিকেটর না।
ওয়াসিফ সাহেব আলেম না। আবার উনি ছাড়া অন্য কেউ যদি আমির হয় তবে তার সাথে ওয়াসিফ সাহেবের দ্বন্ধ লাগবে। বিভক্তি-বিভাজন।
রুহানি শিক্ষাটা কিতাবে সব লিখে শেষ করা যায় না। প্রচুর কথা। তাই এগুলো সংগে থেকে শিখতে হয়। সারা জীবন সংগে থাকার দরকার নেই। কিছু মাস সংগে থাকলেই হয়।
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সংগে সাহাবা কিরামগন ছিলেন। এবং এই শিক্ষাগুলো পেয়েছেন। তাদের মাঝে আল্লাহর ভয় ছিলো সবচেয়ে বেশি।
২
একজন আলেম যদি নিজের "অন্তরের" কথা বলেন, তবে তার কথায় হাজার দোষ ধরা যাবে। হাজার ভুল বের করা যাবে। "কোথায় পাইছেন?" "নিজে বানিয়ে বানিয়ে কইলে হইবে?"
কিন্তু এই অন্তরের কথা থেকেই অন্তরের খোরাক পাওয়া যায়। এই অন্তরের কথার এখন বড় অভাব চারিদিকে। ইউটুবে যান। হয় সেই আলেম অন্য কোনো আলেমের দোষ ধরছে, নয়তো তার দোষ অন্য আলেমরা ধরছে।
সবাই জানে এই অবস্থা। তাই আলেমরা বা দ্বিনের দ্বায়িরা প্রকাশ্যে পারত পক্ষে রুহানি বা অন্তরের কথা এখন আর বলেন না।
৩
চারিদিকে সংঘর্ষ। সবাই এই সংঘাত নিয়ে ব্যস্ত।
তকবিরের পরে সুবহানাকা, বা বিসমিল্লাহ পড়বে না। সরা সরি সুরা ফাতিহা।
ফরজ নামাজে ৩য়, ৪র্থ রাকাতে সুরা ফাতিহা পড়া ঐচ্ছিক।
আমিন আস্তে পড়তে হবে।
সালাম ফিরাতে হবে শুধু এক দিকে "ওয়া রাহমাতুল্লাহ" না বলে।
দাড়ানো অবস্থায় তাকাতে হবে সরাসরি সামনে। নিচে তাকানো যায় কিন্তু উপরে না।
https://www.youtube.com/watch?v=TT0a2_Iqp_g
https://www.youtube.com/watch?v=TT0a2_Iqp_g
শাওয়াল মাসের ৬ রোজা শাওয়ালের পরে রাখলেও হবে হাদিসে বর্নিত সোয়াব পাওয়ার জন্য।
ইমাম মালিকের এই মত। কারন হাদিসে বলা আছে "মিন শাওয়াল"। শাওয়াল থেকে আরম্ভ করে এর পর যখন।
#HabibMaliki
অথবা,
এই ব্যপারে যারা আগে কাজ করে গিয়েছেন তাদের একটা ধারাকে অনুসরন করে, জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় করা যায় কোরআন শিক্ষা, ইবাদত, আমলে।
উনি ছিলেন তর্কের ঘোর বিরোধি। বলতেন "আমাদের মাঝে তর্ক নেই" "আমরা তর্ক করি না" "তর্ক করতে চাইলে ইরাকে যাও"।
এক লোক এসে উনাকে বলেন
"আমি আপনার সাথে তর্ক করতে চাই"
উনি জবাব দিলেন,
"তুমি তর্ক থেকে কি উপকার পাওয়ার আশা করো?"
"যদি আমি জিতি তবে আপনাকে আমার অনুসরন করতে হবে।"
"আর যদি আমি জিতি?"
"আমি আপনার অনুসরন করবো।"
"যদি তৃতীয় একজন এসে আমাদের দুইজনকেই হারিয়ে দেয়?"
"তবে আমরা ঐ লোকের অনুসরন করবো।"
"এরকম করলে প্রতি দিন তুমি একটা ভিন্ন দ্বিনের উপর থাকবে। তুমি চলে যাও।"
এখন আকিদা। আমার মনে হয় "আকিদাগত পার্থক্য" টাইটেলে আরেকটা সিরিজ লিখতে হবে। যেখানে মূলতঃ বিভিন্ন দলের আকিদাগত পার্থক্যগুলো তুলে ধরবো।
"কেন?"
কারন "পার্থক্য আছে" এবং "পার্থক্য গুলো এই" এটা ক্লিয়ার করে ফেললে অনেক তর্ক কমে যায়। অনেক কনফিউশন কমে আসে।
কোনটা "সঠিক" সেই আলোচনায় না গিয়ে।
Wondering.
উনি ছিলেন আবু হানিফা রাহি: থেকে ১৩ বছর ছোটো। উনি ইমাম আবু হানিফার ফিকাহ সম্পর্কে বলতেন "আহলে রায় থেকে সাবধান।"
এর পর হজ্জের সময় দুজনের দেখা হয়। উনারা নিজেদের মাঝে যে বিষয়গুলো নিয়ে দ্বিমত ছিলো সেগুলো নিয়ে বসেন। কিন্তু স্বিদ্ধান্ত নেন মূল তিনটা বিষয় নিয়ে শুধু আলোচনা করবেন।
১। যে ঘটনাগুলো ঘটে নি সেগুলোর উপর ফতোয়া দেয়া। ইমাম মালেক ছিলেন এর প্রচন্ড বিরোধি। ইমাম আবু হানিফা এই সব বিষয়ে ফতোয়া দিতেন। কোনটা ঠিক?
২। ইজমা। ইমাম মালিকের মত ছিলো ইজমা হতে হবে শুধুমাত্র মদিনা শরিফের আলেমদের মতের উপর। কুফা বা অন্য কোনো এলাকার আলেমদের মতের উপর না।
৩। তৃতীয় আলোচনার বিষয় ছিলো "আহলে রায়" বনাম "হাদিস"। হাদিসের উপর ইমাম আবু হানিফা বিভিন্ন ধরনের যুক্তি ব্যখ্যা আনেন এটা ঠিক কিনা?
এর উপর তাদের আলোচনা। কি বলেছিলেন কি জবাব পেলেন এবং ফলাফল। নিচের লিংকে। ইংরেজিতে।
শেষে ইমাম মালিক ইমাম আবু হানিফার দৃষ্টিভঙ্গিকে মেনে নেন এবং উনাকে সম্মান করতে থাকেন।
http://www.muwatta.com/meeting-of-imam-malik-imam-abu-hanifa/
ওয়েব সাইটটা মালেকিদের, নাম দেখে ধারনা করছি।
"হিজবুল বাহার" : যেটা আমাদের প্রচলিত ওজিফার কিতাবে আছে। জাহাজ ডুবে যাবার সময় এক বুজুর্গকে রাসুলুল্লাহ ﷺ দোয়াটা স্বপ্নে শিখিয়ে দিয়েছিলেন। উনি পড়েন এবং রক্ষা পান।
যেই বুজুর্গকে শিখিয়েছিলেন উনি ছিলেন মালেকি মাজহাবের। এবং এর চর্চা মালেকিদের মাঝে প্রচলিত। মানে "এই উপমহাদেশের আবিষ্কার" না।
বুজুর্গের পরিচয় উইকিতে।
https://en.wikipedia.org/wiki/Abul_Hasan_ash-Shadhili
এখানে হিজবুল বাহারের রিসাইটেশন। আরেক মালেকির আপলোড করা।
https://www.youtube.com/watch?v=Uo8adIC2lII
"দালাইলুল খায়রাত" : এটা একটা রচিত দুরুদ। বহুবার নাম শুনেছি সুফি ধারার লোকদের থেকে। এর লিখকও মালেকি মাজহাবের। এখানে রিসাইটেশন। এক আরবের। বুঝলাম মালেকিদের মাঝে এর চর্চা আছে।
https://www.youtube.com/watch?v=KFM930bisJI
এগুলো আমি যদি সাধারনভাবে আপলোড বা শেয়ার করতাম তবে নেট বিষ্ফোরিত হতো রাগে। কিন্তু মালেকি মাজহাবের নামে শেয়ার করছি বলে সম্ভবতঃ শান্ত থাকবে। :- )।
যদি হয় তবে খুবই ভালো।
প্লাস, আরবরা যারা আসবেন তারা কোন পক্ষকে সমর্থন করেন দেখার বিষয়।
এই ইজতেমাটা একটা ডিসিসিভ বিষয়। যদি ঠিক মতো হয়।
২
এতাতি দাবি : "মাদ্রাসায় দান কমে যাচ্ছে দেখে উলামারা এখন চুপ করে গিয়েছেন। অনেকে সাইড পরিবর্তন করছেন।"
আসলে এই ফেকটরটা সত্য নাকি মিথ্যা। বা কতটুকু গুরুত্বপূর্ন সেটা কিছু দিন পরে বুঝা যাবে।
৩
"সা'দ সাহেব বলেছিলেন দুই বছরের মাঝে এই ফিতনা চলে যাবে। তাই হচ্ছে।"
দেখার বিষয়। এক বছর হলো। আর এক বছর সময়।
আগেই বলে দিচ্ছি : আমি আলেম না। তাই মাসলা জিজ্ঞাসা করে লাভ নেই।
প্রশ্ন : "তবে বড় বড় কথা বলেন কেন?"
কারন ফেসবুকে অ-আলেমরা বড় বড় কথা বলে, আমিও তাদের সাথে গা ভাসিয়ে দিয়ে একই কাজ করি। : -)
তার দরকার উৎসাহ। ধমক না। কারেকশন না। সে এটা নিজে নিজে কারেক্ট করে নিতে পারবে। একটু সময় দিতে হবে তাকে।
২
"তুমি রিয়াকার" কথাটা কাউকে বলে লাভ নেই। রিয়া তার থেকে চলে যাবে কিছু দিনের মাঝে ইনশাল্লাহ। আমলটা রয়ে যাবে।
আদব ধমক দিয়ে শিখানোটা যে ধমক দিচ্ছে তার জন্য বেআদবি। বরং নিজে আদবের সাথে চলতে হয়। অন্যরা দেখে শিখবে।
৩
অধিকাংশ মু'মিন স্ট্রাগলিং। মাত্র ৬০ বছরের জিন্দেগি। এই সময়ের মাঝে সঠিকটা খুজে পেতে হবে। শিখতে হবে। আমল করতে হবে।
"বুঝতে বুঝতেই ৬০ বছর পার হয়ে গিয়েছে। আরো কিছু সময় পেলে আমল করতে পারতাম।"
এটাই লাইফ। আল্লাহ তায়ালা জানেন। এটাই পরিক্ষা। এই struggle. এই rush.
তাই মু'মিনদের ধমক দিয়ে লাভ নেই।
যারা আরবী ভালো পারেন তার আরো ভালো বুঝতে পারবেন। আমি শুধু লাল আন্ডারলাইন করা লাইনগুলো পড়েছি।
ছবিটা নেটে সারকুলেটেড হচ্ছে।
তার ফেইসবুক পেইজ
https://www.facebook.com/profile.php?id=100005789988231
আজকে তার মৃত্যুর খবর
http://mzamin.com/article.php?mzamin=158552
৫ দিন আগে মটরসাইকেল এক্সিডেন্টে এক ছেলের মৃত্যুর কাল্পনিক শিক্ষামূলক গল্প শেয়ার করেছিলো।
https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=1043441062525550&id=100005789988231
এ রকম আরো অনেক কিছু। ইন্টারেস্টিং।
Looks pretty. Though it's bad news for global warming.
[ignore the irrelevant music]
1st sky : earth atmosphere. which creates the blue sky we see at day time.
2nd sky : orbit around the earth. Which includes our moon. That way when we read Jinns travel to the border of the first sky where they are stoned back, that might mean travel up to the height of the atmosphere. And the matroid stones that starts to burn as soon as they hit the atmosphere.
3rd sky : orbit around the sun. Which includes all the planets and our solar system. Nothing has left the 3rd sky. Voyager questionably.
4th sky : our galaxy. basically all the stars we see above the sky. By that explanation the saying that goes like "Jesus is in the 4th sky" might mean he is in another planet orbiting another star in our galaxy.
5th sky : visible universe. Including all the galaxies. Inter galactic travel is impossible even in science fictions. All the stories we read are interstellar. Stars within our galaxy. The vastness of the visible universe is unfathomable. One can read the numbers but can't just grok it.
6th sky : other universes like ours. Created from other big bangs. The multi-verse theory. Note that multi-verse in Quantum mechanics and multi-verse in big bang are difference things. I don't believe in QM multi-verse. By the way, there is no way to detect the other universes, let alone a physical way to travel to those.
7th sky : we have no understanding on what that it.
Just a theory.
Counter arguments :
"All the visible stars are in 1st sky as said in a hadith."
তেমনি মালেকি মাজহাবে "মুরশিদুল মু'ইন"। এখানে পবিত্রতা থেকে আরম্ভ করে নামাজ, রোজা, হজ্জ, জাকাতের সব কিছুর নিয়ম ফরজ ওয়াজিব শেখানো হয়। একেবারে আকিদা থেকে তাসাউফ পর্যন্ত।
পার্থক্য হলো মুরশিদুল মুইন ৩০০ লাইনের একটা কবিতার মতো। ছন্দে। যেটা বাচ্চারা মুখস্ত করে ফেলে বা গ্রুপ বেধে পড়ে। এবং ছোট বেলাই শিখে ফেলে।
মুরশিদুল মুইনের আরবি সহ ইংরেজি অনুবাদ। একটা PDF এ
http://www.muwatta.com/ebooks/english/al-murshid_al-muin_arabic_footnotes.pdf
এর রিসাইটেশন আরবিতে।
https://www.youtube.com/watch?v=Hg--V4v57SA
في عقد الأشعري وفقه مالك وفي طريقة الجنيد السالك
অর্থ : আকিদায় আশআরি, ফিকহায় মালেকি, তরিকতে জুনায়েদ সালেক।
অর্থাৎ তরিকতের দিক থেকে জুনায়েদ বাগদাদি। আর আকিদায় আশারি-মাতুরিদি। এটা মালেকিদের মূলধারা।
মোটামুটি মালেকিদের ব্যপারে যা জানতে চেয়েছিলাম জানা হয়ে গিয়েছে।
এখন এনালাইসিসের সময়। যতটুকু জানলাম তার উপর। আর কিছু জানা দ্বারা বেশি কিছু বদলাবে বলে মনে করছি না।
এই অবস্থায় আমার করনীয় কি হবে?
তাদের কথা ঠিক ধরবো?
তাদের কথা ভুল ধরবো?
নিজের বুদ্ধিকে অনুসরন করবো?
Great Attractor : 200 units away. Which attracts our galaxy and everything around it.
Shaply cluster : 600 units away. Pulling Great Attractor and everything surrounding it including our galaxy.
Largest dia for both the above is 400 units.
Where visible universe : 50,000 units radius.
The cosmic structure is more like bubble of foams. Void in between the bubbles. Dia of these bubbles range from 30 to 300 units. Our galaxy lies on the border of one such void, of dia 200 units.
1 unit = mly million light years.
ভুলের উপর থাকলে কোন যুগ বা সময় থেকে মুলধারা ভুলের উপর গিয়েছে।
কত পার্সেন্ট লোক ভুলের উপর আছে? ব্যপ্তি।
ভুলগুলো কত মারাত্মক বা বড়? গভিরতা।
এগুলো সরাসরি দলগুলো কখনো জবাব দেবে না। কিন্তু তাদের কথা থেকে বুঝে নিতে হয়, কার মত কি।
#HabibQuestionEverything
Note: I am NOT asking about the "layers* part. Asking about the "see"-ing part.
A tree. So large that more than half the size of the creation is this tree. This one is called Sidratul Muntaha in the quran.
Above the tree is Arsh, which surrounds the whole creation like a bag. This separates the creation from the Creator.
With this explanation there is an upside and downside of the creation. The tree being on the upside. And not direction less as we watch deep space to be.
But that doesn't mean that we can point our finger to a direction and say "that is the upside". As the whole visible universe might be rotating. We don't know.
That's the structure of the creation, as we understand it.
হতে পারে? একটা আইডলজি চেক করার ভালো পদ্ধতি হলো "প্রথমে হাইপোথিসিসটা সঠিক ধরে নাও। এর পর দেখ এটা তোমাকে কোথায় নিয়ে যায়।" ইংরেজিতে : go down the rabbit hole.
তাই প্রথমে এর পক্ষে যুক্তি সমুহ :
যুক্তি "গুরাবাহ" : অর্থাৎ শেষ যুগে এই দ্বিনের উপর যারা থাকবে তারা সমাজে অপরিচিত লোকদের মতো থাকবে। সমাজচ্যুতের মতো। এটা দিয়ে প্রমান হয় যে এখন অধিকাংশ মুসলিমরাই কাফের বা নিদেন পক্ষে গোমরাহ।
এর পর প্রশ্ন আসে "কখন থেকে অধিকাংশ কাফের হয়েছে? কখন থেকে শেষ যুগ আরম্ভ হয়েছে ধরবো?"
ধরে নেই ১৯০০ সাল থেকে। উথমানি খিলাফার শেষ থেকে।
"কেন তারা কাফের [বা গোমরাহ] হলো? কি পরিবর্তিত হয়েছে?"
*censored* আমরা যারা শুনেছি তারা শুনেছি যুক্তিগুলো কি।
"এর বিস্তার কতটুকু? কত সংখ্যক মুসলিম দাবিদার আসলে কাফের বা গোমরাহ?"
৯৮% রাফ এসটিমেশন।
উপরে কিছু ভুল থাকলে বলতে পারেন।
#HabibQuestionEverything
well it's "question everything" time. lets not get diverted.
আমি হানাফি-সালাফি-জাকির নায়েক-চরমোনাই-আশারি-আথারি কাউকে গোমরাহ মনে করি না। সবাই কে আহলে সুন্নাহর মাঝে ধরি। তাই "কারা সঠিক?" এই প্রশ্ন আমার কাছে কোনো তর্কের বিষয় না। "ঐ দল গোমরাহ কিনা?" -- এই দাবি নিয়ে আমার সাথে বিভিন্ন দলের খোচাখুচি-তর্ক-আক্রমন।
কারন প্রতিটা দলের মতে তাদের পাশের দল গোমরাহ।
কিন্তু আমার মতে তারা গোমরাহ না।
দ্বিতীয় যুক্তি : কোরআন শরিফে অধিকাংশ মানুষকে কাফের-অকৃতজ্ঞ বলা হয়েছে।
Traveling down the rabbit hole.
"অধিকাংশ মানুষের কথা বলা হয়েছে? নাকি অধিকাংশ মুসলিমদের?"
এখানে word play জবাব পাই সবসময়। "মুসলিমরা কি মানুষ না? অধিকাংশ মানুষ এবং অধিকাংশ মুসলিম দুটোই।"
"তবে কোন যুগ থেকে অধিকাংশ মুসলিম আসলে কাফের?"
যখন কোরআন শরিফ নাজিল হয়েছিলো তখন থেকে। সরাসরি এই উত্তর দেয়া হয় না। কিন্তু এটা ডিফল্ট উত্তর ধরে নেয়া যায়।
"কিন্তু রাসুলুল্লাহ ﷺ এর যুগে অধিকাংশ মুসলিম মুসলিম ছিলো।"
এর কাউন্টার যুক্তি বের করা যায় : ঐ সময়ে মুনাফিক ছিলো। মুনাফিকরা সংখ্যায় বেশি ছিলো।
"আর এর ব্যপ্তি কত? কত পার্সেন্ট গোমরাহ?"
৫০% এর উপরে। সম্ভবতঃ ৬০%।
"ঐ সময় থেকে এখন পর্যন্ত ৬০% এর বেশি মুসলিম আসলে কাফের?"
হ্যা। এবং কিয়ামত পর্যন্ত এই পার্সেন্ট বজায় থাকবে।
#HabibQuestionEverything
আশারি-মাতুরিদি।
এর ব্যখ্যা দিলাম না। যারা বহু বছর থেকে এই সব যুক্তি শুনে আসছেন তারা জানেন। বা নিজেরাই এই দলে যোগ দিয়ে বিশ্বাস করেন অধিকাংশ মুসলিমরা আসলে কাফের বা নিদেন পক্ষে আহলে সুন্নাহর বাইরে।
এটা সালাফিদের মত। শায়েখ মতিউর রহমান মাদানি সহ যে কোনো সালাফি শায়েখের ফতোয়া দ্রষ্টব্য। বাংগালি আরব নির্বিশেষে।
"কোন যুগ থেকে কাফের হয়ে গিয়েছে?"
প্রথম ৩০০ বছরের পর থেকে। মানে গত ১১০০ বছর ধরে।
"কত পার্সেন্ট মুসলিম আসলে কাফের-আহলে সুন্নাহর বাইরে?"
প্রায় ৯০% মুসলিম। হানাফিরা সবাই। মালেকিরা সবাই। শাফিরা সবাই। হাম্বলিদের মাঝে কিছু কিন্তু সবাই না।
#HabibQuestionEverything
যাদের বুঝার দরকার তারা বুঝে নিয়েছে।
"Cosmic web". A 3D web like structure connecting the super clusters of galaxies. That looks more like the neurons of the brain. But made of dark matters.
Dimensions :
Dia of our galaxy : 0.2 unit.
Average distance between galaxies : 3 units.
Local group : 10 units.
Super cluster that milky way is part of and that are linked by the cosmic web : 500 units.
The visible universe is only 400 thousand times larger than our galaxy. Not unfathomably large.
If you draw our galaxy as 1mm dia. The visible universe will be 400 meters wide, in scale.
Age of our universe : 13.8 billion years.
Now assume that this 13 billion years equals to 6 days of equal length.
Therefore how long will 2 days be in this scale? 4.6 billion years.
Find age of the earth : 4.54 billion years. Plus minus 0.05 error.
Matches what we read in Quran that God created the earth in two days, which is out of the six days total He took to create the universe.
https://quran.com/41/9
Draw an oval shape, top down.
Draw a horizontal line in the middle.
Draw a tree on the top half, this is Sidratul Muntaha.
The visible universe and other six skies are in the bottom half.
The horizontal line is the 7th sky.
And oval border is the Arsh.
Location of Paradise? Floating surrounding this tree, in layers and layers. Like how the stars and galaxies float. Expanding form the bottom of the tree to the top. The best ones are at the top.
The top part is also most near to God ﷻ
That's how I see it.
Pre year 2000 it was assumed to be heat death. No more Hydrogen left to create any more star. And existing stars dying off. But that was for too far off a time, 10e100 years.
Things changed after discovery of dark energy. Now the dominant theory is big rip. That the universe will tear itself off. The whole universe, will destruct within a short period of time. 30 minutes before big rip our earth will explode and so will every star and planet in the universe.
Next question : how far is that time?
Estimations seem to be bringing the time line closer.
First it was 20 billion years.
Next reviewed to 6 billion years.
Compare it with the age of the universe : 14 billion years.
And lifetime left for the sun : 6 billion years.
Pre 1900 believe : stars are far away but at fixed distance.
1900 : stars are moving away from one another.
1998 : the stars are NOT slowing down while moving away from us, rather increasing in speed over time.
Jan, 2019 [this year] : The repulsion force which is pushing the stars away from us -- that force is increasing over time per cubic meter of space.
https://www.space.com/43166-dark-energy-increasing-time-quasars.html
Scientist are yet to come up with new prediction on the ultimate fate of the universe based on this finding.
But that means "big rip". Everything will be torn apart. Even space-time. And that will be a sudden death, instead of a slow decay that we had been believing of all this time.
The new finding will probably bring the timeline closer.
Lets watch.
১
মাদ্রাসার বাচ্চারা ময়দানে এখনো কাজ করেছে দেখে মায়া লাগলো। এরা সব সময় মার খেয়ে যাচ্ছে। সেই ৫ই মে। সেই ১লা ডিসেম্বর। এখন চুপচাপ কাজ করে যাচ্ছে ইজতেমার জন্য।
"১লা ডিসেম্বর তারা টংগির মাঠে কি করছিলো?" প্রশ্নের জবাব এখানে। এর উপর টংগির মাঠে একটা মাদ্রাসা আছে, যেখােন বাচ্চারা পড়ে। সেই মাদ্রাসায় ঢুকে বাচ্চাদের পিটানোর কোনো কারন দেখি না "হেফাজত" গালি দিয়ে।
২
শাহবাগের দিনগুলোতে পরিচিত একজন তার দুই সন্তানকে নিয়ে শাহবাগে গিয়েছিলেন বাচ্চাদের "ইতিহাসের অংশ" করে রাখার জন্য। তারা কোন ইতিহাসের অংশ এখন হয়েছে আমরা জানি।
১লা ডিসেম্বর যারা "দ্বিনের জন্য পারবেন না জান দিতে?" চ্যলেঞ্জ নিয়ে আল্লাহ সামনে নিজেকে হাজির করে প্রমান করার জন্য টংগির ময়দানে ঝাপিয়ে পড়েছিলো তারাও এখন সেই রকম মুখ লুকাচ্ছে। "আমরা এর মাঝে ছিলাম না।"
৩
সময় সাক্ষি।
আমরা দর্শক।
এই প্রশ্নটা একটা ধোকা। সত্যি যেখানে আল্লাহর জন্য জান দেবার সময় হয় তখন এই চ্যলেঞ্জ ছুড়তে হয়না। মানুষ এমনি বুঝে কি করতে হবে।
যেখানে আপনার ইমোশন দিয়ে দলকে আগানোর দরকার হয়। এবং ঐ দলের নেতা হিসাবে আমার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার দরকার হয় তখন এই চ্যলেঞ্জ ছুড়া হয়।।
"পারবেন না আল্লাহ জন্য জান দিতে?" প্রশ্নটার উদ্যেশ্য হলো "পারবেন না আল্লাহর জন্য আমাকে ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করতে?"
পারবো হয়তো। কিন্তু আল্লাহর জন্য আরো অনেক কিছু করার সুযোগ আছে যেগুলো আমি করছিনা অলসতার জন্য। সেগুলোর সোয়াব আরো বেশি, আপনাকে ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করার সোয়াবের থেকে।
যদিও আপনি বলছেন "এটা আল্লাহ জন্য।"
মনে পড়লো আরেকজনের কথা। "কাজি হারুন"। বেদের মেয়ে জোসনা সহ সমস্ত বড় বড় ছবির মেকআপম্যন ছিলো। খবর এখন উনি ভিক্ষা করছেন। মেডেল পুরষ্কার যা পেয়েছিলেন সেগুলো স্বর্ন খুলে বিক্রি করে ফেলেছেন। একটা মেডেল ছিলো পিতলের। বিক্রি করা যায় না। তাই সেটা ড্রেনে ফেলে দিয়েছেন।
যে জিনিসগুলো আমরা মনে করি "না হলেই না" সেগুলোর আবেদন কিছুদিন পরে ফুরিয়ে যায়। সেগুলো দেখলে বরং বিরক্ত লাগে। অথচ এগুলো ছিলো বিজয়ের প্রতিক।
উনাদের পরে উলামা কিরামদের মাঝে দ্বন্ধ ছিলো। আমি সেই দ্বন্ধ দিয়ে একজনের কথায় অন্যজনকে বিচার করি না। তাদের প্রত্যেকের উদ্যেশ্য ছিলো মহৎ। দ্বিনের জন্য কঠোরতা ছিলো অনেক। কিন্তু কেউ খারাপ না।
Sharp drop in Fuel price didn't help. A380 was supposed to reduce cost at the expense of comfortability.
Dead before I got a chance to fly.
"Mute Message"
"Ignore Message"
"Block Message"
তিনটা অপশনে তিন জায়গা থেকে যেতে হয়।
এখনো আমি কনফিউশনে পড়ে যাই কোনটার কাজ কি? কোনটা দরকার?
আহমেদ লাট সাহেব পৌছে গিয়েছেন।
তারেক জামিল সাহেব সহ পাকিস্তান থেকে কেউ আসবেন না।
মাঠে তিল ধারনের ঠাই নেই।
অথচ আমি ধারনা করেছিলাম মাঠের ১০ ভাগের এক ভাগ শুধু ভরবে।
প্রথম ধাক্কা শেষ। এর পর দেখার বিষয়।
আর বয়ান সম্ভবতঃ আরম্ভ হয় নি। সরকারি নিষেধাজ্ঞা-বাধা ছিলো। আজকে আসরের পর থেকে আরম্ভ হবে। এজন্য কোনো আপডেট আসছিলো না।
আজকে সকালে দেখলাম তাহসিনের : roasting জিহাদি হুজুর।
https://www.youtube.com/watch?v=W7lQGx9HGY8
এখন দেখি জিহাদি হুজুর এর জবাব দিয়েছেন।
https://www.youtube.com/watch?v=ksvPz_lipjY
Khawariz : Fear of God.
Murjia : Hope on God.
Sufi : Love of God.
Quote found online. Let me stop here.
দু’টি কারণ উল্লেখ করেছেন : ৭১ এর জন্য ক্ষমা চায়নি। অন্যান্য মুসলমান দেশের মতো নিজেদের সংস্কার করতে পারেনি।
Big news. Next lets see if that cascades into more deep troubles. I feel really sad for all the millions of people that sacrificed so much for a cause that's day by day proving to be overwhelmingly wrong.
One of the reasons behind the division between Maw. Saad and other elders in Nijamuddin was that Maw. Saad stopped the sponsoring system where businessmen sponsored travel and other costs of elders, who in spite of their dedication to this work, didn't have much financial backing to cover all the costs associated with International travel by themselves.
This picture can be seen in speeches of both the sides. I am sharing a status in the comment.
But was it bad? was it good? Who knows? Maybe like so many other things it is good upto a limit, and bad when exceeds some limit. What was the situation in Nijamuddin at that time? Within limit? out of limit? That's upto anyone's imagination.
Here are all the clues that I can link up with "stopping the sponsoring system" in Tablig Jamat. By "sponsoring system" I mean a rule that states elders in Tablig can't take money from businessmen for their travel expense. Rather elders should spend it from their personal fund. "নিজের জান, নিজের মাল"।
Didn't know he was a Communist during the 71s and afterwards. Later he changed side and became an Islamist.
Had been knowing him as an Islamist poet since the 80s.
Good death if you compare it with other leftists from that era. And at that time almost every intellectual was an avid communist.
Wasn't a fan of him. Actually wasn't a fan of poems.
May God forgive him.
Looks like today is all big news day.
Nothing changes. No riot police. Only that he now will have the fund to build the wall without dem approval.
Deep. And more likely he is the future leader and top guide of the Etati Jamat, unless he already is.
Display of the deep division. Deep hatred on one side. How far the sides have drifted.
Which is why I am egger to see the conclusion. Which group ultimately comes out as right.
Next lets check how the strict "no sponsoring" rule affects the movement.
For sponsoring :
Elders that have time to spread the word, don't have money. If they work to earn money, people will lose their precious time. Businessmen here step in. And businessmen see it as their money spent for a good cause. Both sides win.
Against :
Who are affected :
Note that prior to this, being able to make a living out of sponsored money was seen as a "God given gift". A sign of being accepted. Something good and to be proud of.
Until it wasn't.
I would put most of all Alim/Scholars in the sponsored list, plus most of all Pir/Saints.
And thus my guess is that Maw Tariq Jameel to Hafez Jubair all accept and most probably run on sponsored money. Which isn't prohibited in Islam.
But Maw Saad doesn't need sponsored money. He has large inheritance from his forefathers who were land lords tax collectors from past era.
Herein started a drift. And both sides are now on two opposite sides. Which is further complicated by the fatwa/ruling from Dewband.
So who's on the right side?
That's complicated.
Signs.
Let's clear out this part first. What made you read it?
Are we settled on this part?
In the 90s : It was seen as a discredit that grand majority of the attendants in Ijtema were white beard and above 40 years old.
Post 2010 : People are desperate to prove that some majority of the attendants in Ijtema are still white beard and above 40 years old, for the credit of it.
দ্বিনের জন্য যে প্রয়োজনাতিরিক্ত সব অর্থ দিয়েছে। যার এর পর আর দেবার মত কিছু নেই। সে যদি অন্যদের থেকে নিয়ে দ্বিনের জন্য আরো করে তবে এতে আমি ক্ষতি দেখি না।
যার আছে, সে নিজেরটা খরচ না করে আন্যদের থেকে নিয়ে খরচ করে, তবে ভিন্ন কথা।
উপরেরটা আমার অবস্থান।
অথবা,
"বসেন বসেন, বইসা যান" শেয়ার করতে পারি। দেখে মানুষ হাসবে।
কোনটা করবো চিন্তা করছি।
"সব দল ভালো" এই আইডলজি নিয়ে চলতে থাকলে কি হতে পারে?
Worst case : "মুরজিয়া" হতে হবে। অমুক দল নিশ্চিৎ কাফের আপনি বিশ্বাস করছেন না? আপনি মুরজিয়া। কারন নিশ্চিৎ কুফরকে অস্বিকার করছেন।
Next : মুরজিয়া ট্যগ খাওয়াটা কতটুকু খারাপ?
এটা নিয়ে সার্চ করছিলাম কিছু দিন। এখন আর মানুষ কিতাব পড়ে না। শামিলাও পড়ে না। বসে গুগুল নিয়ে। আমিও সেটা করলাম।
প্রথম যেটা মাথায় আসলো : শুনেছিলাম ইমাম আবু হানিফাকে মুরজিয়া বলা হতো। আসলেই বলা হতো? ফেসবুকে কোনো আলেমের আর্টিক্যল পড়ছিলাম শক্ত ভাবে অস্বিকার করছেন বলা হতো না, মিথ্যা কথা।
সার্চ লাগালাম। জানলাম। "বলা হতো" সেটা শুধু না। বরং মাদখালিরা এখনো বলে। এবং তাদের মতে এই ব্যপারে উলামাদের মাঝে দ্বিমত নেই উনি মুরজিয়া ছিলেন।
Good.
আরো ডিপে যাবার সময়। কেন বলা হতো? কোন ডেভিনিশনে?
আজকে এখন ক্লিয়ার হলো। কমেন্টে দেয়া নিউজটা পড়ে। তারা চাচ্ছে তুরষ্কের এরদোগানের মতো শুধুমাত্র একটা "নন-রিলিজিয়াস পলিটিক্যল পার্টি" হয়ে যেতে। যারা ধর্মিয় না, প্রকাশ্যে সেকুলার, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ইসলামের পক্ষে, আনঅফিসিয়ালি, আইন মেনে যতটুকু হওয়া যায় - তুরষ্কের মতো।
Good. Keep watching.
১৯৮০ : যদি মক্কা বিজয় ধরি।
১৯৯৫ : ওমর রা: এর শাহাদাৎ।
২০০৬ : উথমান রা: এর শাহাদাৎ।
২০১১ : আলী রা: এর শাহাদাৎ।
এখন চলছে মুআবিয়া রা: এর যুগ, চলবে আরো ১১ বছর।
আমি দেখছি,
৮০ সালের যারা মুরুব্বি ছিলেন, এখন আর তারা কেউ নেই।
যারা ইয়ং ছিলেন তারা বার্ধক্যে।
আর যারা বাচ্চা ছিলো, তারা মধ্যবয়স্ক।
কোনো হিন্টস কি ছিলো না?
ছিলো হয়তো। যেমন শুনছিলাম নেটে একটা গ্রুপ এরদোগানের অতিরিক্ত ভক্ত হয়ে গিয়েছে। এরা কারা এটা ট্রেক করে যদি দেখতাম তারা শিবির ঘেষা তবে হয়তো এটাকে একটা হিন্ট হিসাবে নিতে পারতাম।
কিন্তু সত্য হলো কিছুই বুঝতে পারি নি। হটাৎ করে খবরটা আসলো। Sudden surprise.
আরেকটা কারন হতে পারে তাদের কাউকে আমি ফলো করছিলাম না। করলে ট্রেন্ডগুলো হয়তো ধরতে পারতাম।
Surprising time.
মিশরের ইখওয়ান মুভমেন্টও কি একই দিকে যাচ্ছে? - check next.
Watching the Rise of secularism এটা আসছে একটা Wave এর মতো Raise of fundamentalism শেষ হবার সাথে সাথে। কত দূর যাবে?
Power গুলোর মাঝে কি হটাৎ করে একটা মেরুকরন হচ্ছে? সেপারেশনটা স্পষ্ট করে ভাগ করে দিয়ে। কড়া দাগে? দেওবন্দ - তবলিগ - ইখওয়ান - জিহাদি - সালাফি - শিয়া? এর পর তাদের মাঝে interaction কি হবে?
মূল প্রশ্ন : what's next? এর পর কি? বড় সড় কিছু আসছে?
যদি আসে তবে পসিবল সিচুয়েশনগুলোতে কোন দলকে কোন রোলে দেখার পসিবিলিটি বেশি?
কালকে থেকে আরম্ভ হচ্ছে এতাতি ইজতেমা।
Fast news day. অনেক কিছু ঘটছে।
#saadmustgocurse
এটা আমি আগে পড়ি নি, এখন পড়ছি। বা তখন পড়লেও বুঝতে পারি নি। এখন যত ভালো ভাবে বুঝতে পারছি এর পরিনতি দেখে।
paste ______
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
দাওয়াতের সাথীদের উদ্দেশে কিছু কথা
নিযামুদ্দিনে আমি প্রায় ১৫ বছর হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ সাহেব রহ. এর সঙ্গে থেকেছি। তাঁর ইনতিকালের পর প্রায় ৩০ বছর মাওলানা ইনআমুল হাসান সাহেব রহ. এর সঙ্গে থেকেছি। প্রায় ৫০ বছরের এই দীর্ঘ সময়ে তাঁদের দু’জনকে খুব কাছ থেকে দেখার ও দেশে-বিদেশে সঙ্গে থাকার সুযোগ মহান আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন।
এ দু-হযরাতের নির্দেশনা, পথপ্রদর্শন ও তত্ত্বাবধানে এই মহান ও উঁচু কাজ করার সৌভাগ্য আল্লাহ তাআলা আমাকে দিয়েছেন। তার আলোকে আমি এ কথা পূর্ণ ঈমানদারির সঙ্গে নিবেদন করছি যে, তাবলীগের এই মেহনতকে উপর্যুক্ত হযরতগণ রহ. যে পদ্ধতির ওপর রেখে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে সরে গেছে এবং বিচ্যূত হয়েছে।
আমাদের এই দু’ মুরুব্বি যদিও সবার পূর্ণ সম্মতিতে ‘আমির’ মনোনীত হয়েছিলেন; কিন্তু তারা কখনই নেতৃত্বের দাবী তোলেননি।
কখনো নির্দেশের সুরে কথা বলেননি।
কখনো আমিত্ব জাহের করেননি। তাঁরা সবসময় নিজেদেরকে মাশওয়ারার অনুগত রাখতেন। তারা যখনই কোনো বিষয় চালু করতে চেয়েছেন, সাথীদের সবার সম্মতি নিয়েই করেছেন। আমির হওয়া সত্ত্বেও তারা সবসময় নিজেকে মাশওয়ারার অনুগত রেখেছেন।
কিন্তু এখন ওই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে।
এখন নিজেকে আমির ঘোষণা করা হচ্ছে।
কেউ কোনো কথা মানতে না চাইলে তাকে তা মানতে নানাভাবে বাধ্য করা হচ্ছে। যার ফলে এখন নিযামুদ্দিন মারকায এতোটাই বিশৃঙ্খল হয়ে গেছে যে, সেখানে গালি-গালাজ ও মারপিট পর্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
যেই নিযামুদ্দিন মারকায ছিলো উম্মতের ফিকির, নিজের ইসলাহ ও আখেরাত গুছানোর জায়গা, যে কেউ যেখানে এলে নিজের মাঝে উপর্যুক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো ধারণ করে নিয়ে যেতো, আজ নিযামুদ্দিনে সেই পরিবেশ নেই। এখানে নিযামুদ্দিন মারকাযের সর্বত্র গীবত, কুধারণা ও অপবাদ আরোপের হিড়িক চলছে। যারা এই মেহনতকে সঠিক পদ্ধতির ওপর বহাল রাখতে চাচ্ছে, নিযামুদ্দিন মারকায তাদেরকে পরাজিত করার নিত্য-নতুন কৌশল তৈরির প্রজননকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এমন পরিবেশে এখন যারা আসছে, তাদের সংশোধন তো পরের কথা, তারা আরো অধপতনের শিকার হচ্ছে। যার ফলে কাজের স্প্রিট নিঃশেষ হয়ে গেছে। সেখানে আগতদের মস্তিষ্কে এ খোরাক দেওয়া হচ্ছে যে, ‘অনুসরণ করলেই নাজাত পাবে (অনুসরণের শর্তে যা ইচ্ছে করতে পারো, কোনো সমস্যা নেই) কিন্তু যদি অনুসরণ না করো, কোনো কথার বিরোধিতা করো তাহলে নাজাত পাবে না, চাই তুমি যতোই মুখলিস হও, যতোই কুরবানি দাও।’
নিযামুদ্দিন মারকাযের পরিবেশে পূর্বে যেই নিজের ইসলাহের ফিকির ছিলো, আখেরাত সাজানোর ফিকির ছিলো, দ্বীনের প্রতি হৃদয়ের ব্যাথা-বেদনা ও উম্মাহর প্রতি সহমর্মিতার যেই অন্তর্জ্বালা ছিলো, এখন তা নিঃশেষ হয়ে গেছে। তার স্থানে এখন নিজের মত চাপিয়ে দেওয়া, মনের খায়েশমত নির্দেশ করা, দুনিয়ার প্রতি লোভ ও আমিত্ব ফলানোর পরিবেশ গড়ে উঠেছে। আর এই স্বার্থোদ্ধারের জন্যেই এখন ‘উমুমি বাইআত’ বা গণহারে বাইআত করানোর কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। অথচ হযরতজি রহ. কর্তৃক গঠিত শূরা সর্বসম্মতিক্রমে বাইআত করতে নিষেধ করেছিলেন। সেই লিখিত সিদ্ধান্তের ওপর হযরতজির শূরার সকল সদস্যের স্বাক্ষরও রয়েছে।অতীতের দু-হযরতের আমলে যেই নতুন নতুন উদ্ভাবিত বিষয়গুলো ছিলো না, এখন মাশওয়ারা ছাড়াই সেগুলো চালু করা হয়েছে।
এর একটি হল, ‘দাওয়াত, তালীম ও ইসতিকবাল’। নতুন এই পরিভাষা চালু করা হয়েছে। যা আমাদের আকাবির রহ. এর যুগে ছিলো না। যদিও ইদানিং এই পরিভাষার নাম পরিবর্তন করে ‘তামীরে মসজিদ’ নামকরণ করা হয়েছে। কিন্তু কাজ আগেরটাই। এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে প্রতিদিন ঘরে ঘরে গিয়ে মেহনত করা ও উমুমি গাশত করার গুরুত্ব পুরোপুরি লোপ পেয়েছে। দ্বিতীয় বিষয় হল, খাওয়াস ও অন্যান্য পদমর্যাদার লোকদের মাঝে মেহনত করা থেকে নিষেধ করা হচ্ছে। অথচ এ কাজ পূর্বের উভয় হযরতের যুগ থেকেই হয়ে আসছে। দেখা যেতো, পরবর্তীকালে খাওয়াস ও অন্যান্য পদমার্যাদার লোকজন উমুমি মেহনতের সঙ্গে জুড়ে যেতেন। এর উপকারিতা সূর্যালোকের চেয়েও স্পষ্ট। এই তবকাতি মেহনত বন্ধ করার জন্যে, ‘তামীরে মাসজিদ’ এর নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্যে শরিয়তের বিভিন্ন নস (نص) এর অপব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
তৃতীয় বিষয় হল, মুনতাখাব হাদীস। মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ রহ. কখনো ইঙ্গিতেও এই কিতাব তালীম করার কথা বলেননি। এখন ধীরে ধীরে ‘ফাযায়েল আমাল’ উঠিয়ে দিয়ে তার স্থানে ‘মুনতাখাব’ চালু করার চেষ্টা চলছে।
চতুর্থ বিষয় হল, মাসতুরাতের পাঁচ কাজ। এভাবে প্রতিদিন নতুন নতুন ফেতনামূলক কথা ছড়িয়ে সাথীদের মানসিকতা নষ্ট করা হচ্ছে। কেউ যদি এই বিষয়গুলোকে মানতে না চায়, কোনো এলাকায় যদি এ কাজগুলো চালু না হয় তখন বলা হচ্ছে, সেখানে নিযামুদ্দিনের তরতিব চলে না। অথচ এ কাজগুলো হচ্ছে, একক ব্যক্তি মৌলভি মুহাম্মদ সাদ সাল্লামাহুর একক সিদ্ধান্তে গৃহিত তরতিব।
এই নতুন পদক্ষেপগুলোর কবলে পড়ে নিযামুদ্দিন মারকাযের পূর্বের সবগুলো মজলিস ধ্বংস হয়ে গেছে। মারকাযের ওপর এমন একদল নতুন কর্মচারী দখল করে বসেছে, যারা আমাদের বড়দের সংশ্রবপ্রাপ্ত নয়। এরাই আগত লোকদের পেছনে লেগে যায় এবং তাদেরকে এ কথা বুঝানোর চেষ্টা করে যে, ‘প্রাদেশিক যিম্মাদারদের কথা শুনো না। কারণ তারা নিযামুদ্দিন মারকাযের তরতিব মানে না।’ জামাতগুলোকেও এই হিদায়াত দিয়ে পাঠানো হচ্ছে যে, ‘এই নতুন তরতিব অনুসারে জামাত পরিচালিত করবে।’ এ কারণেই নিযামুদ্দিনে জামাত রওয়ানা হওয়ার পূর্ববর্তী হিদায়াতি বয়ান করার দায়িত্ব ও বিভিন্ন ইজতিমায় বয়ান করার দায়িত্ব এমন লোকদেরকেই দেওয়া হচ্ছে, যারা এই কথাগুলো বলবে।
এর ফলে এখন প্রতিটি প্রদেশে মতভেদ সৃষ্টি হচ্ছে। জনে জনে মতভেদ হচ্ছে। নতুন সাথীরা মনে করছে যে, পুরনো লোকেরা নিযামুদ্দিনের কথা মানে না। আর পুরনো সাথীরা বিপাকে পড়ছে যে, এই নতুন নতুন বিষয়গুলো কীভাবে চালু হচ্ছে? এগুলো কখনই শূরার চূড়ান্তকৃত সিদ্ধান্ত নয়; বরং এগুলোর কারণে তাবলীগের মেহনত মূল বুনিয়াদ থেকে বিচ্যূত হচ্ছে, কাজের রুখ বদলে যাচ্ছে। সব জায়গায় ইখতিলাফ, বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য চলছে। আখেরাতের ফিকির, দ্বীনের দরদ, উম্মাহর জন্যে অন্তর্জ্বালা এবং নিজের ইসলাহ ও তরবিয়তের গুরুত্ব হারাতে বসেছে; অথচ এগুলোই ছিলো এই মেহনতের প্রাণ।
সাদ এখন এমন একদল আমলার পরিবেষ্টনে আছে, যারা বড়দের সংস্পর্শ পায়নি। যারা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্যে তার প্রতিটি কথার প্রশংসা করছে। তারা তাকে এই আত্মশ্লাঘার পাত্র বানিয়ে রেখেছে যে, ‘আপনি এই মেহনত যতোটা গভীরভাবে বুঝতে পেরেছেন, পূর্ববর্তীরা ততোটা বোঝেনি এবং বর্তমান সময়ের সাথীদের মাঝেও তা বোঝার যোগ্যতা নেই।’
এই লোক যখন নিজের আবিস্কৃত নতুন বিষয়গুলো সম্পর্কে বয়ান করে তখন এ কথা বলে যে, ‘আমি তোমাদেরকে কুরআন, হাদীস ও সীরাতের আলোকে বোঝাচ্ছি। এবং এই মেহনতটিকে কুরআন, হাদীস ও সীরাতের ওপর নিয়ে আসতে চাচ্ছি।’ তার এ কথার অর্থ হলো, আমাদের আকাবির রহ. যেই কাজ করেছেন তা কুরআন, হাদীস ও সীরাত থেকে উদ্ভাবিত ছিলো না। তিনি তার বয়ানের মাঝে অবলীলায় যে কারো ওপর আঙুল তুলছেন, সমালোচনা করছেন, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছেন, শাসকসুলভ নির্দেশ করছেন, ইজতিহাদ করছেন, নতুন নতুন ব্যাখ্যা দাঁড় করাচ্ছেন। তার এই কর্মকা- সম্পূর্ণরূপে আমাদের আকাবির রহ. এর মানহাজের পরিপন্থী। প্রতিদিন কোনো না কোনো ফেতনামূলক কথা ছেড়ে দিচ্ছেন। যার ফলে উলামায়ে কেরাম ও বুযুর্গানে দ্বীন পেরেশান ও দুশ্চিন্তাগ্রস্থ যে, এ-সব কী হচ্ছে? যদি এ গতিতেই ছুটতে থাকে তাহলে সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন উলামায়ে কেরাম আমাদের বিরুদ্ধে চলে যাবেন এবং উম্মাহর দূরদর্শী শ্রেণিও এই কাজ থেকে সরে পড়বেন।
কাজের গুরুত্ব ও এর মানহাজ হিফাযত করার জন্যে বিগত ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে দুনিয়ার সকল পুরনো সাথীদের উপস্থিতিতে হযরতজি রহ. এর শূরার সদস্যপদ পূরণ করা হয়েছিলো। সেই মজলিসে আমিও উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু তাজ্জব লাগলো, মৌলভি সাদ সাল্লামাহু সেই সিদ্ধান্ত মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তার অস্বীকৃতির কোনো কারণ আমি দেখি না। দুনিয়ার কোনো ধর্মীয়, শিক্ষামূলক বা জাতীয় প্রতিষ্ঠান, উম্মাহর কোনো সামাজিক কাজ শূরার পৃষ্ঠপোষকতা, তত্ত্বাবধান ও পথপ্রদর্শন ব্যতিরেকে চলতে পারে না। অতীতেও চলেনি, আগামীতেও চলবে না। উম্মাহর এতো বড় কাজ কোনো এক ব্যক্তির হাতে যদি তুলে দেওয়া হয় আর সেই এক ব্যক্তি যদি এই উঁচু কাজ নিজের মর্জি মুতাবেক চালাতে শুরু করেন তাহলে মারাত্মক ও ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটবে। কারণ, কোনো ব্যক্তি নিজের মানবসুলভ দুর্বলতা ও প্রবৃত্তির প্রবঞ্চনার ঊর্ধ্বে নয়। কুরআনে কারীমে ইরশাদ হয়েছে,
وَمَا أُبَرِّىءُ نَفْسِي إِنَّ النَّفْسَ لأَمَّارَةٌ بِالسُّوءِ
‘আমি নিজেকে নির্দোষ বলি না। নিশ্চয় মানুষের মন মন্দ কর্মপ্রবণ’। [সূরা ইউসুফ : ৫৩]
সম্ভবত এ বিষয়টি সামনে রেখেই মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস সাহেব রহ. বলেছিলেন, ‘আগামীতে এই মেহনত একটি শূরার তত্ত্বাবধানে চলবে।’ (দেখুন, আখিরী মাকতুব, মাকাতিবে মাওলানা ইলিয়াস রহ.। লেখক, মাওলানা আবুল হাসান আলী নদভী রহ.)
আমি উপর্যুক্ত কথাগুলো লিখেছি মহান আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা ও হিসাব-নিকাশের ভয়ে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বড়দের পদ্ধতিতে কাজ করে যাওয়ার এবং নিত্য নতুন বিষয় অনুপ্রবেশ করানো থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দিন। আমীন।.
ওয়াস-সালাম
বান্দা মুহাম্মদ ইয়াকুব
আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে দিন।
২৮ আগস্ট ২০১৬
Keep watching.
এত ডাইরেক্ট sign আসবে ধারনা করি নি।
এখনো ধারনা করছি না এটা কন্টিনিউ করবে।
হয়তো সব কেটে যাবে রোদ উঠবে, সব ঠিক মতো চলবে দুপুরের পর থেকে।
সময় খুব দ্রুত বদলাচ্ছে।
______
আপডেট : ১ ঘন্টা পর। বৃষ্টি আরো বেড়ে গিয়েছে। প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে।
লাইভ সেটেলাইট ডাটাতে এ দিকে কোনো নিম্নচাপ দেখাচ্ছে না। মানে হটাৎ বৃষ্টি। আন প্রেডিকটেড।
এই অবস্থায় ময়দানে থাকলে আমার খবর হয়ে যেতো। ময়দানের কি অবস্থা সেটা জানা যাবে ঘন্টা খানেকের মাঝে ইনশাল্লাহ।
রিকভার করার উপায় আছে যদি সারা দিন বৃষ্টি না পড়ে। দুপুরে যদি মেঘও না থাকে এবং প্রচন্ড রোদ পড়ে তবে। যদি আকাশ মেঘলা থাকে তবে এই অবস্থায় বৃষ্টি না হলেও সমস্যা বাড়তে থাকবে।
এখনো বৃষ্টি কমার লক্ষন নেই।
______
বৃষ্টি শেষ। ১ ঘন্টা বৃষ্টি ছিলো। এখন ক্ষয় ক্ষতি নিরুপন। আর পরবর্তি পদক্ষেপ দেখার সময়। ইজতেমা চলবে ধরে নিচ্ছি। আরো দুই দিন আছে।
Keep watching.
বুঝলাম,
মাঠের যা অবস্থা তাতে ইজতেমা করতে পারবে। কিন্তু এখনো সব লন্ড ভন্ড অবস্থা। উপস্থিতি ১০ টার দিকে খুবই কম ছিলো ১% ও ভরে নি। তবে হয়তো যারা আসার তারা বিকাল নাগাদ চলে আসবে। যদি আর বৃষ্টি না পড়ে।
উল্লেখ্য বৃষ্টি পড়লে মাঠের ২০% কাদা পানি জমে থাকার অনুপযুক্ত হয়ে যায়। ২০% পুরো শুকনো থাকে। বাকিটা থাকে ভিজা।
কিন্তু রাস্তাগুলো একেবারে কাদা হয়ে যায়। হাটা যায় না।
এটা আগে ছিলো। পরে এখন রাস্তা সব পাকা করা হয়েছে কিনা জানা নেই।
ভিডিও কমেন্টে।
তবে এটা শুধু বৃষ্টির জন্য এমন আমি মনে করি না। more likely এখন কেউ নিজেকে এতাতি হিসাবে জাহির করতে চাচ্ছে না। সমর্থকরাও পেছনে থাকতে চাচ্ছে। দেওবন্দ বিরোধিতার ফল। ১লা ডিসেম্বর একটা অভিশাপ নিয়ে এসেছে। বয়ে বেড়াতে হবে বহু বছর।
দূর থেকে এতটুকু বুঝতে পারছি।
Keep watching.
কালকে আবার সব পরিবর্তিত হতে পারে।
আজকের বুঝ এতটুকু।
কিছুক্ষন কাদলাম।
মানে লিটারেলি কান্না না, মন খারাপ।
শুধু বৃষ্টির জন্য এই অবস্থা আমি বিশ্বাস করি না।
ময়দানের বৃষ্টিতে আমিও ভিজেছিলাম।
২
জামাতে ইসলামির নামে এখনকার আগে আমি কিছুই বলতাম না, কারন তাদেরকে মনে হতো মজলুম। মজলুমের দোষের বয়ান করে লাভ নেই।
এখন এতায়েতিদের মজলুমের কাতারে ফেলে তাদের সমালোচনা বন্ধ করে দেবো নাকি চিন্তা করছি।
৩
"Support the underdog" নামে নিজের একটা রোগ আছে।
এটা জেগে উঠে কিনা, নিজেকে নিয়ে এই চিন্তায় অস্থির।
"সৈয়দপুর থেকে আমারা আসছি ৭ টা বাস নিয়ে।"
"আড়াইহাজার থেকে রওনা হয়েছে ১৩টা বাস।"
".... ৭ টা বাসে করে আসছি। জায়গা হবে তো?"
"আজকে সন্ধার মাঝে হেফাজতিদের মাঠ ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে।"
"আসরের আগেই সবাই মাঠ খালি করে দিয়েছে যদিও তাদের সময় দেয়া ছিলো ৬টা পর্যন্ত।"
"মূলধারার সাথিরা ময়দানের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন সরকার থেকে।"
"ময়দানের সবগুলো গেইট খুলে দেয়া হয়েছে। যে কোনো দিক থেকে আসতে পারেন।"
এর পর আর কোনো আপডেট নেই।
আর কোনো আপডেটই নেই।
সমস্যা থাকতো যদি একটায় পেতো ৫ হাজার অন্যটায় ৮০ হাজার। সে ক্ষেত্রে ডাক্তারের ব্যখ্যা লাগতো।
জামাতের পরিবর্তনে এর পর কি আশা করতে পারি? কেমন হবে এর শিক্ষা? বর্তমানের সাথে পার্থক্য?
তবলিগের এক পক্ষের সঠিক হওয়ার ব্যপারে আমি এখন ৯৮% কনফার্মড। দ্বিধাটা চলে গিয়েছে। দ্বিধা-সন্দেহের কারনে যে অস্পষ্টতাগুলো ছিলো সেগুলো স্পষ্ট হবার পরে, কি বুঝছি?
এগুলোর হাইলাইট লিখার প্লেন।
কংক্লুশন, পরিনতি।
সত্য হলো। এখন ঘুম থেকে উঠে, মাঠের রাতের করা ভিডিওগুলো দেখছি আর কাদছি।
:-)
A sign.
তাই মূলধারা এই দেশে হলেন হাফেজ জুবায়ের সাহেবের দল।
কিন্তু এতাতিদের এত বড় মনে করছিলাম কেন? হয়তো "প্রোপাগান্ডা"র জন্য। আগের মতো। যেই সার্কেলে আমি ঢুকে যাবো মনে হতে থাকবে ঐ মেজাজের লোক দিয়ে দেশ ভর্তি। বাস্তাবতা বুঝতে হলে সার্কেলের বাইরে আসা শিখতে হবে।
হক পন্থি?
ওজাহাতিদের অধিক সঠিক বলে বিশ্বাস করতাম ৯০% পসিবিলিটিতে। মাঝে মাঝে এটা কমে হয়তো ৬০% এ আসতো। এই বৃষ্টি-ইজতেমা দেখে এখন কনফার্মড। এর পরও ২-৩% রাখছি "হইতেও পারে" এতাতিরা ঠিক এবং চেতনাই সত্য।
এর ইফেক্ট?
হানাফি-দেওবন্দি ধারা ভুল প্রমানিত হতো যদি সা'দ পন্থিরা ঠিক হতো। সেটা হলো না।
আহলে হাদিস সঠিক প্রমানিত হতো যদি সা'দ পন্থিরা হক হতো। কারন তাদের দেখছি ঐ দিকে ঝুকে যেতে। এটা আর হলো না।
চেতনাই সত্য প্রমানিত হতো। কারন চেতনা পন্থিরা সা'দ পন্থি। সেটা আর হলো না।
দরবারি হওয়া সোয়াবের কাজ হতো যদি সাদ পন্থিরা সঠিক হতো -- সেটাও আর হলো না।
মাদ্রাসার আলেমদের থেকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়াররা অধিক হকের উপর আছে প্রমানিত হতো -- সেটাও আর হলো না।
"জমহুর" হওয়া হকের কোনো দলিল না প্রমানিত হতো যদি সা'দ পন্থিরা সঠিক হতো -- সেটাও আর হলো না।
"এতায়েত"? বুঝলাম এটা কন্ডিশনাল। কোনো শর্ত না। নেতা পছন্দ না হলে তার এতায়েত থেকে দূরে থাকা নিজের জন্য ভালো। এটাও প্রমানিত হলো।
আরো বুঝা গেলো উচু বংশ হওয়া হক হবার দলিল না। উনাদের সম্মান করবো। কিন্তু উনাদের পেছনে পড়বো না। নিচু বংশের কেউ যদি বিনয়ি হয় তবে সে তার থেকে উত্তম।
এটা দিয়েও সরিয়ে ফেলেছিলাম verification এর জন্য। এখন বিভিন্ন জনের করা এর ভিডিও আরো অনেক আসছে। তাই অফিসিয়ালি দিলাম।
https://www.facebook.com/habib.dhaka/videos/10156149232463176/
১
আল্লাহ তায়ালা কারো পরওয়া করেন না। আমি বহু কষ্ট করেছি দলের জন্য? বহু লোক কষ্ট করছে? বহু লোক বহু বছর ধরে বহু কোরবানী করেছে দলের জন্য?
এর জন্য এই কাজ নিশ্চই আল্লাহর কাছে কবুল হবে?
এর কোনোটাই আল্লাহ তায়ালা পরওয়া করেন না। এর পর সবই আল্লাহ তায়ালার কাছে অগ্রহনযোগ্য হয় উড়ে যেতে পারে।
২
একজন মাজার ব্যবসায়ি বিশাল করে ওরশ করে খাজা বাবার পুজা দিতে পারে। এর জন্য তার উপর কোনো গজব আসতে দেখবো না। কারন এটা মানুষ বুঝতে পারে নাহক।
কিন্তু যাকে আধিকাংশই হক মনে করে তাদের মাঝে বিচ্যুতি আসলে দ্রুতই আযাব আসবে। কারন "নিদর্শন" ছাড়া এখানে বুঝার উপায় নেই কারা হক।
আল্লাহ কাছে পথের দিশা চাওয়া।
৩
ইহুদিরা মুসা আঃ কাছে বার বার "আলামত" চাইতো। প্রমান। আল্লাহ প্রতিবার আলামত পাঠিয়ে শরিয়ত তাদের জন্য আরো কিছু কঠিন করে দিতেন। এটা নিয়ম। আমাদের ভার্সিটির স্যার বলতেন যদি চাও তবে বই খুলেও তোমরা পরিক্ষা দিতে পারো। কিন্তু তখন প্রশ্ন হবে অনেক কঠিন।
মুসলিমরা আলামত চাইতো খুবই কম। তারা শুনেই বিশ্বাস করতো। তাদের শরিয়ত সহজ।
তাই সরাসরি একটা "আলামত" চলে আসলে এটা ভয়ের সময় কারন এর পরের পরিক্ষা হবে কঠিন।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের ক্ষমা করুন। আমাদের জন্য সহজ করুন।
চার দিকে এর আলোচনা। এমন লোকদের মুখে যারা এসব বিষয়ে আগে মুখ খুলতেন না। কয়েকজন নিজে ঘুরে এসেছেন ময়দান থেকে নিজের চোখে দেখার জন্য।
১০০ গ্রাম খাবার বেশি খেলে, ১০০ গ্রাম বোঝা কাধে নিয়ে উড়ে বেড়াতে হবে।
#hTasauf
ভারতে কি অবস্থা তার উপর একটা ভিডিও কমেন্টে। গতকালের রেকর্ড। সা'দ সাহেব টংগি ইজতেমায় না এসে ব্যংগালুর ইজতেমায় গিয়েছেন। সেখানকার অবস্থা।
"কিন্তু ভারতের ষ্টেশনে ষ্টেশনে যে সম্বর্ধনার ছবি? আমাদের দেশে ৫ দিনের জোড়ে যে বিশাল সমাগম হয়েছিলো?"
ধরেন, আমি ডাক দিলাম অমুক মসজিদের ইমাম উচ্ছেদ করা হবে কালকে জোহরে। তবে কালকে জোহরের সময় মসজিদের একতলা দোতলা সব ভরে যাবে। যদিও স্বাভাবিক ভাবে হয়তো ১ কাতার লোক হতো।
আর গন্ডোগোল শেষ হয়ে যাবার কয়েক দিন পর থেকে গন্ডোগোলের আগে নরমালি যত মানুষ হতো, তার থেকেও অনেক কম মানুষ থাকবে রেগুলার মুসুল্লি হিসাবে। কারন, "ঐ মসজিদে গন্ডোগোল আছে।" সাধারন মুসুল্লি নামাজের জন্য শান্তি চায়, গ্যঞ্জাম না।
গ্যঞ্জামের সময় মানুষ তামাশা দেখতে আসে। নামাজ পড়তে না।
আর মানুষ জিহাদের ডাকে যত উদ্বজিবিত হয়,
নামাজের ডাকে ঠিক তত না। এটা নিয়ম।
এগুলো মাথায় রাখতে হবে যে কোনো তথ্য বুঝার আগে।
এই ইজতেমার পরে তাদের কিছু চলে আসবে ওজাহাতিদের পক্ষে। ধরি থাকবে আগে যারা তবলিগ করতো তাদের ২০%। এরা নিজেদের অবস্থানে আরো কঠোর হয়ে যাবে।
এই কঠোরতা থেকে জন বিচ্ছিন্নতা। যে মসজিদগুলোতে তারা যেতে পারতো তার সংখ্যা দ্রুত কমতে থাকবে। তারা এটাকে দেখবে "আল্লাহর পরিক্ষা" হিসাবে। "ফিল্টার চলছে। যারা সরে যাচ্ছে তাদেরকে আল্লাহ তায়ালা বাদ করে দিচ্ছে।" সংখ্যা যত কমতে থাকবে রয়ে যাওয়া লোকেরা যেন তত পিউর। তার তত কোরবানী। আখিরাতে তার তত পুরষ্কার।
এবং "সাহায্য আসবেই" "আমাদের ধর্য্য ধরতে হবে।" -- এভাবে বছরের পর বছর অপেক্ষায়। আর "হকের উপর যদি একজন থাকে তবে সেই জমহুর।"
এই পথটা আমি দেখে এসেছি বহুবার। বহু দলের ক্ষেত্রে।
আশংকা আমার খুব কাছের কিছু মানুষ এই ফাদে পড়ে ঘুরতে থাকবে বছরের পর বছর।
একটা বিশ্বাসের উপর।
আর কেউ ছিলো না? হয় ছিলো, সুযোগ পান নি। অথবা দলে এর থেকে ভালো আর কেউ নেই।
২
গতকাল সব স্কুল কলেজ বন্ধ ছিলো আখেরি মুনাজাতের জন্য। আমার বাচ্চার স্কুল সহ। মুনাজাত হয় নি।
আজকে সব খোলা এবং আজকে মুনাজাত। আরেক ফ্লপ। যদি আখেরি মুনাজাতের নামে মানুষ জমানো উদ্দ্যেশ্য হয়ে থাকে।
৩
শেষে কয়টা জামাত বের হয় সেই হিসাবের অপেক্ষায়। হয়তো শেষে game turning কিছু একটা থাকবে। Lets hope for the best.
নচেৎ পুরোই ফ্লপ।
এবার দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমায় সবচেয়ে বড় করে যেটা চোখে পড়লো তা হলো খবরের অভাব। এতাতিরা বরং তাদের বিপক্ষের ইজতেমার কভারেজ যে হারে যে ভাবে করেছে, নিজেদের ইজতেমার খবর দেয়ার ক্ষেত্রে একেবারে চুপ করে গিয়েছে।
"...মাঠের দখল নিয়ে গেইট খুলে দেয়া হয়েছে" -- এই পর্যন্ত প্রতি ঘন্টায় ঘন্টায় আপডেট ছিলো। এর পর সবাই চুপ।
বর্তমান দল ভেঙ্গে দেবে।
নতুন নামে নতুন দল হবে।
নতুন দল "ইসলামি দল" হবে না।
দল থেকে ইসলামি কোনো শিক্ষা দেয়া হবে না।
দলের নামের মাঝে "ইসলাম" শব্দটা থাকবে না।
বরং নতুন দলটা হবে ধর্ম নিরপেক্ষ।
এটা হবে শুধু মাত্র রাজনৈতিক দল।
কেবল মাত্র রাজনিতি করবে।
আওয়ামি-বিএনপির মতো অনেকটা।
চেতনার পক্ষে থাকবে।
সব ধর্মের দিবসই উদজাপন করবে।
রাষ্ট্রিয় দিবসগুলো উদজাপন করবে।
কিন্তু দলটা হবে ইসলাম ঘেষা।
অর্থাৎ :
মাওলানা মওদুদির শিক্ষা হাইলাইট করা হবে না।
ইখওয়ানের সাথে লিংক দেখানো হবে না।
ফোকাস থাকবে সমাজ সেবা, সৎ রাজনিতি এসবের দিকে।
দল সেকুলার মূল্যবোধের উপর চলবে ৮০%।
তবে দলের সদস্যরা ব্যক্তি জীবনে হবে ধর্মপ্রান।
আমি যতটুকু বুঝেছি।
এক দোয়ায় সর্বোচ্চ হামদ, দুরুদ আর দোয়ার জন্য।
اللهم لك الحمد كما أنت أهله
فصل على محمد كما انت أهله
وأفعل بنا ما أنت أهله
فإنك أهل التوقى وأهل المغفرة
হে আল্লাহ,
আপনার জন্য হামদ, যেমন আপনার শান
সালাত পাঠান মুহাম্মদের উপর, যেমন আপনার শান
আমাদের ব্যপারে করেন, যেমন আপনার শান।
ভয় আপনাকে, ক্ষমা আপনার।
রেফারেন্স :
وعن أبي محمد عبد الله الموصلي المعروف بابن المشتهر وكان فاضلاً أنه قال من أراد أن يحمد الله تعالى بأفضل ما حمده أحد من خلقه من الأولين والآخرين والملائكة المقربين وأهل السموات والأرضين ويصلي على محمد - صلى الله عليه وسلم - أفضل ما صلى عليه أحد ممن ذكره غيره ويسأل الله أفضل ما سأله أحد من خلقه فليقل اللهم لك الحمد كما أنت أهله فصل على محمد كما انت أهله وأفعل بنا ما أنت أهله فإنك أهل التوقى وأهل المغفرة أخرجه النميري.
#hTasauf
#HabibDua
১
একটা দল। যারা রাষ্ট্রকে দ্বিনের মূল অংশ হিসাবে বিশ্বাস করতো। দ্বিনের ৯০% রাষ্ট্র পরিচালনা। বাকি ১০% এর সহায়ক।
তাদেরকে আল্লাহ তায়ালা এখন সম্পূর্ন রাজনিতিতে নিযুক্ত করে দিচ্ছেন। বাকি দ্বিন যেখানে সেকেন্ডারি। কারন "মূলটা হলে সহায়কগুলো পরে হবে।"
২
আরেকটা দল। যারা দাওয়াহকে দ্বিনের মূল অংশ হিসাবে দেখতো। বাকিগুলোকে সহায়ক।
তারাও দাওয়াহ নিয়ে এমন ভাবে এক পাশে চলে যাচ্ছে যে বাকি সব কিছুর গুরুত্ব এখানে গৌন। কারন "মূলটা হলে সহায়কগুলো নিজে নিজে আসবে।"
৩
শেষ যুগ। যার গতি যে দিকে তাকে আল্লাহ তায়ালা তার ঘাটের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।
আমার গন্তব্য কোন দিকে, আর শেষ কোন ঘাটে - জানা নেই।
#পথহারা
"If we were willing to give away $3 billion for this deal, we could invest those $3 billion in our district ourselves, if we wanted to. We could hire out more teachers. We can fix our subways. We can put a lot of people to work for that money, if we wanted to"
Implying she believed the deal was about handing state cash over to Amazon.
When stupid people are turned into leaders, because the community, full of other stupids can't separate head from tail.
আজকে জানলাম :
রেজভীদের প্রতিষ্ঠাতা পীর হলেন "আকবর আলী রেজভী"। যিনি কিনা এই ২০১৫ সালে মারা গিয়েছেন স্কয়ার হাসপাতালে। উনার বাড়ি এবং খানকা নেত্রকোনায়। উনাকে "রেজভী বাবা" ডাকা হয়।
আদি নিয়ম এখনো টিকে আছে এক পক্ষে।
আর এতাতিদের পক্ষে উনাদের "ফরেন কমুনিকেশন ডিরেক্টর" ভালো কাজ করে যাচ্ছেন। বিবিসি-টিভি চ্যনেল সব জায়গায়।
তবলিগের মূলধারা এতাতি।
জোবায়ের সাহেবের পক্ষে কেউ নেই হেফাজত ছাড়া।
হেফাজত এখন চলে গিয়েছে।
জোবায়ের সাহেব একসাথে ইজতেমা করতে চান, নিজেদের সংখ্যা লুকাতে।
পেন্ডেল টাংগানোর মতো লোকও তাদের নেই।
আর মেনেজ করবে কে?
এগুলো এতদিন করতো ইঞ্জিনিয়াররা।
ইজতেমা স্প্লিট করে দেয়া হলো।
প্রথমটা জোবায়ের সাহেবের।
আখেরি মুনাজাত আর মূল অংশ এতাতিদের।
দেখি জোবায়ের সাহেব পেন্ডেল টাংগাতে পারেন কিনা।
সময় ৭ দিন।
আমি বসে ছিলাম জোবায়ের সাহেবের কান্না দেখতে।
আল্লাহ তায়ালা কান্না দেখালেন।
আখেরি মুনাজাতে।
Meanwhile another teen girl that ran away from a British home 5 years back is now is asking for return. With a kid in her lap, but no father to take care of.
Teens will seek adventure. And we have to take care of the mess afterwards.
That's life.
আবু বকর রা: এর সাথে কথা বলে রাসুলুল্লাহ ﷺ উনাদের ছেড়ে দেয়ার ব্যপারে স্বিদ্ধান্ত নিলেন। যদিও আল্লাহর শাস্তি ছিলো কঠোর।
দ্বিনের ব্যপারে যখন দুটো জিনিস আসতো তখন উনি ﷺ দুটোর মাঝে সবচেয়ে সহজ জিনিসটা বাছাই করতেন। যেন আমাদের জন্য সহজ হয়।
যদিও ইহুদিের শরিয়ত আল্লাহ তায়ালা করেছেন অনেক কঠোর।
উনি ﷺ তাহাজ্জুদের নামাজ মসজিদে পড়া ছেড়ে দিয়েছিলেন এই ভয়ে যে এটা উম্মার জন্য ফরজ করে দেয়া হয় কিনা।
হাশরের মায়দানে আল্লাহ তায়ালা অনেক রেগে থাকবেন মানুষের উপর তাদের অবাধ্যতার জন্য। উনি ﷺ গুনাহকারদের পক্ষে শুপারিশ করবেন, তাদের ক্ষমার জন্য।
উনাকে ﷺ আল্লাহ তায়ালা পাঠিয়েছেন দুনিয়ায় রহমত হিসাবে।
কারন আল্লাহর শাস্তি অনেক কঠোর।
সমস্ত আম্বিয়া, আউলিয়া, উলামা, সিদ্দিক, আশেক, আবেদ, মুমিন, মুসলিম, জিন, ইনসান, মালাকাত, মাখলুকাত এখন পর্যন্ত যত পাঠাতে বলেছেন তার থেকে বেশি সালাম-সালাত পাঠান আল্লাহ, আপনার রাসুলের উপর।
আধিকাংশ মুসলিমদের পথ। আধিকাংশ মানে সংখ্যায় অধিকাংশ। যেটাকে আরবিতে বলে জামাত।
সন্দেহের ক্ষেত্রে মূলধারার সাথে থাকতে হয়। উল্টো বুঝলেও পসিবিলিটি এটাই সবচেয়ে বেশি যে আপনি ভুল, মূলধারা ঠিক।
আমি কোরআন আর হাদিসের নতুন একটা ব্যখ্যা আনতে পারি।
এর পর বলতে পারি "এটাই আদি ব্যখ্যা। দেখেন এই এই কিতাবে এই ব্যপারে এই বলা আছে। অমুক অমুক আলেমের উক্তি-ব্যখ্যাও এই।"
এর পর আপনাকে বুঝাবো "অধিকাংশ যে পথে যাচ্ছে সেটা ঠিক না। বরং আমাদের মানতে হবে কোরআন আর সুন্নাহ। অধিকাংশ ভুলের উপর আছে। আমরা ক্ষুদ্র গোষ্ঠি শুধু হককে খুজে পেয়েছি।"
আমার ইলম আর বুদ্ধি যদি আপনার থেকে বেশি হয় তবে আপনি আমার সাথে পারবেন না। আপনার প্রতিটা যুক্তির বিপরিতে পাল্টা যুক্তি আমি হাজির করতে পারবো।
যেটা আমি করতে পারবো না সেটা হলো অধিকাংশকে নিজের পথের উপর নিয়ে আসতে।
শুধু মাত্র চিল্লা এবং ৩ চিল্লার লোকাল জামাত হিসাবে আনছি। বিদেশি জামাত, হজ্জের জামাত এগুলো বাদ।
এতাতি :
৩ চিল্লা : ২৪
১ চিল্লা : ৮২১
মোট : ৮৪৫
ওজাহাতি :
৩ চিল্লা : ৮৭
১ চিল্লা : ১৩০৩
মোট : ১৩৯০
পয়েন্ট :
এতাতি : ৯১৭
ওজাহাতি : ১৫৬৪
সে হিসাবে :
৩৭% এতাতি।
৬৩% ওজাহাতি।
শুধু খুরুজ ধরলে।
হাদিসটা সহি। সালাফি আলেমদের মতে।
https://islamqa.info/ar/answers/153535/
তাই যদি দ্বিনে কিছু revert [ আগের অবস্থায় নিয়ে যাওয়া] এর প্রয়োজন হয় তবে উনি সর্বোচ্চ ১০০ বছর আগের অবস্থায় নিয়ে যাবেন।
যেমন, "১০০ বছর ধরে আমরা এই জিনিসটা ভুল করে আসছি। সঠিক হলো এটা।"
কারন উনার আগের মুজাদ্দিদগন এর আগের গুলো সংশোধন করে গিয়েছেন।
তাই কেউ যদি বলে "আমি দ্বিনকে ১৪০০ বছর আগের মূল দ্বিনের উপর নিয়ে যাচ্ছি। মুসলিমরা গত ১৩০০ শ বছর ধরে ভুলের উপর আছে।" তবে উনি এই ডেফিনিশনে মুজাদ্দিদ না। একটা ক্ষুদ্র দল। স্পেশাল আইডলজি প্রচার করছেন। এবং যুগে যুগে এধরনের আরো লক্ষ চিন্তাবিদদের মাঝে উনি আরো একজন।
আমি এভাবে দেখি।
দ্বিনের প্রচলিত ধারার কয়েকশ বছরের সমস্ত আলেমদের আস্বিকার করে, skip jump করে নতুন কিছু এনে বলার সুযোগ নেই "এটাই আদি এবং আসল।"
১
যারা তাদের সাথে ডিল করবে। এটা বুঝতে হবে তারা ব্যক্তিগত ভাবে খারাপ না। হয়তো তাদের নেতৃত্বের মাঝে দোষ আছে। যার কষ্টের বোঝা তাদের বহন করতে হচ্ছে। কিন্তু তাদের নেতৃত্বের দোষগুলো তাদের মাঝে এখনো আসেনি।
এখনো না।
২
প্রতিকুল পরিবেশ তাদের আরো কঠোর করে তুলবে। খিট খিটে। "এ খারাপ" "ও খারাপ" এভাবে চারিদিকে সবাইকে আস্তে আস্তে খারাপ চোখে দেখা আরম্ভ করবে। যারাই তাদের বিরোধিতা করবে। এভাবে তারা বাকি মুসলিমদের শত্রু হিসাবে দেখা আরম্ভ করবে।
৩
৯০ এর দিকেও তবলিগে মুখালেফাত ছিলো। কিন্তু এরা সবাই ছিলো মাজারি। যাদের নাহক হওয়াটা ছিলো স্পষ্ট। তাদের জুলুম সহ্য করা ছিলো আল্লাহর জন্য। আল্লাহর থেকে পুরষ্কার। আমরা "বাতেল" দূর করছি।
কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। বিরোধিতা আসছে কওমি উলামাদের থেকে। যাদের বিরোধিতা করে "বাতেল" দূর করছি এই বিশ্বাসের উপর চলা যাবে না।
যেগুলোতে "Sunnah" কথাটা লিখা আছে সেগুলো সুধু সুন্নাহ ও হাদিস থেকে।
বাকিগুলো সবার জন্য না। ওগুলো নিয়ে পড়ার দারকার নেই।
জুম্মার আসরের পর, এখন দোয়া কবুলের সময়।
https://habibur.com/dua/
আগুন দেখে মানুষ বাসা-দোকানের দরজা বন্ধ করে তালা লাগিযে দিয়েছিলো যেন আগুন না ঢুকতে পারে। শেষে ভেতরে আগুন চলে আসার পরে সেই লক খুলতে পারে নি। বদ্ধ অবস্থায় মারা গিয়েছে।
মসজিদে যারা আশ্রয় নিয়েছিলো তারা কেউ মারা যায় নি।
চীনের কথা মনে পড়ে। ভুমিকম্পে স্কুলের সবাই ডেস্কের নিচে লুকিয়েছিলো। সবাই ডেস্কের চাপে মারা গিয়েছে। পরবরতিতে উদ্ধারকর্মিরা বলছিলো এরা যদি ডেস্কের নিচে না লুকাতো তবে এত মানুষ মারা যেতো না।
৯১ এর টর্নেডোর সময় একই কথা শুনেছিলাম। যারা উপকুল আর দ্বিপ এলাকায় মসজিদে আশ্রয় নিয়েছিলো তারা কেউ মারা যায় নি। বাকিরা জলোচ্ছাসে ভেসে গিয়েছিলো।
এখন কিছু বলা মানে এক পক্ষকে আক্রমন করা।
যেটা পছন্দ করি না।
পরবর্তি ইশুর অপেক্ষায়।
কি হতে পারে, পরবর্তি ফিতনা? সাবজেক্ট? টপিক?
কয়েক রকম আছে। একটার সাথে অন্যটার কোনো মিল নেই। সবগুলোর হুকুম আলাদা।
১। মানুষের মাল আওলাদ এগুলোকে ফিতনা বলা হয়েছে। "ইন্নামা আমওয়ালুকুম ওয়া আওলাদুকিম ফিতনা..." এক রকম।
২। রাজ্যের ভেতর রাজা বসে আছেন। উনাকে বাদ দিয়ে যদি দুই গোত্রের মাঝে যুদ্ধ আরম্ভ হয় তবে এটা ফিতনা।
৩। স্বয়ং রাজার বিরুদ্ধে যদি বিদ্রোহ দেখা দেয়, তবে এটা অন্য রকম ফিতনা। অন্য হুকুম। উপরের ২ নং এর মতো না।
৪। কাফেররা যদি রাজ্য আক্রমন করে তছনছ করে ফেলে তবে এটাকেও ফিতনা বলা হয়েছে। যেমন তাতারিদের ফিতনা। এখানে কোন পক্ষ হক সেই প্রশ্ন নেই। মুসলিমরা বিপদে আছে, সেটা ফিতনা।
৫। মুসলিমদের দুই রাজার মাঝে যদি যুদ্ধ দেখা দেয় তবে ফিতনা। এক্ষেত্রে দুই পক্ষই ঠিক হতে পারে। সাইডে সরে দাড়ানো ভালো।
৬। আলেমদের মাঝে কোনো ব্যপারে প্রচন্ড দ্বিমত দেখা দিলো। এটাকেও ফিতনা বলা হয়। কোনটা ঠিক সেটা নিয়ে মানুষ কনফিউশনে পড়ে যেতে পারে।
ফিতনা অনেক রকম হতে পারে। প্রতিটার ব্যপারে হুকুম ভিন্ন ভিন্ন।
"বাচ্চারে লইয়া যা। টিভি পেপারে তবে ছবি আইবো।"
মিডিয়ার সামনে বাচ্চাদের এই রকম ব্যবহার সম্ভবত এবার আনেক বেশি।
তাদেরকে নিরাপদ কোথাও রেখে আসার সুযোগ ছিলো না, সেটা আমি বিশ্বাস করি না।
SPA ওয়ালারা এখন স্মার্ট হয়ে গিয়েছে। কয়েক বছর আগে হলে কোনো কনটেন্ট আসতো না। কিন্তু এখন অধিকাংশ SPA সার্ভার সাইডে রেন্ডার করে পাঠায়। তাই কন্টেট সুন্দর করে আসে কোনো JS পপআপ এড ছাড়া।
দুই একটা সাইটে যদি কনটেন্ট না আসে তবে সাইটটা ক্লোজ করে দেই। ওগুলো বিপদজনক সাইট। আরো বহু সাইট আছে একই কাজের জন্য।
উত্তর : পারবো। mbasic.facebook আছে এর জন্য। মোবাইলে যেমন m.facebook
https://mbasic.facebook.com/
শুধু ঐ ৭০ জন না। প্রতিটা মানুষকে মৃত্যু উনি দেবেন। যারা এখন ঐ আগুনে বেচে গিয়েছে তাদেরকেও। দুনিয়ার কাউকে উনি করুনা করে বাচিয়ে রাখবেন না।
সময় শেষ হবার পরে বেচে থাকার মাঝে উত্তম কিছু নেই।
সবকিছুর জন্য সময় ঠিক করে দেয়া আছে।
সামনে গন্তব্য, দাড়িয়ে থাকার মাঝে ভালো নেই।
আগুন আস্তে আস্তে আসে নি। বোমার মতো ছড়িয়ে পড়েছে প্রচন্ড তাপে।
"ইতিহাসে ৪ জন শাসক সারা বিশ্ব শাসন করেছিলো।
বলেন তো ৫ম ব্যক্তি কে? যার ইমারত সারা বিশ্বে?"
It's supposed to start operation by this year.
ভারতে হোটেলগুলোতে এটা দিয়ে রাখে বিছানার ছাড়পোকা তাড়াতে। এবং হোটেলে বিছানায় সকালে দেখা যায় অতিথি মরে পড়ে আছে। প্রায় হাজার মৃত্যুর কারন এই ট্যবলেট।
দেশে এটা সস্তায় বিক্রি করে সব ইদুর-ছাড়পোকা-তেলেপোকার বিক্রেতারা। অনেকে ব্যবহার করে। এ ব্যপারে হুশিয়ার হওয়া প্রয়োজন।
Wiki লিংক কমেন্টে।
হাফেয ইবনে হাজার আসকালানী রাহি. (৮৫২ হি:) বর্ণনা করেছেন, বিখ্যাত মুহাদ্দিস কাযী ফকীহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আযযাবিদী (৭১০-৭৯১) যিনি ফিকহে শাফেয়ীর আততাফকীহ ফী শরহিত তাম্বীহ এর ২৪ খন্ড বিশিষ্ট ব্যাখ্যাগ্রন্থ রচনা করেছেন।
জামাল মিসরী মুহাম্মাদ ইবনে আবু বকর বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আযযাবিদীর মৃত্যুর সময় দেখেছি তার জিহ্বা কালো হয়ে থুতনী পর্যন্ত বের হয়ে গিয়েছিল।
উপস্থিত সবাই ধারণা করেছেন তিনি জীবদ্দশায় ইমাম মুহিউদ্দীন নববী (রাহি.) এর অধিক সমালোচনা করতেন বলে আজ তার এ অবস্থা।
-আদ্দুরারুল কামেনা; ৪/১০৬
এর আগে জেলা ইজতেমার জামাত নিজ জেলাতেই ঘুরতো। তাই তাদের সমস্যা হতো না। কাকরাইল থেকে খুরজ প্রায় ছিলো না, কারন চিল্লার জামাতও বের হতো জেলা মারকাজ থেকে।
কিন্তু ইজতেমা ভিন্ন। জামাত অন্য জেলায় পাঠানো হবে। এবং এরা প্রায় সর্বত্র বাধার সম্মুখিন হবে। বেদায়েতিদের বাধা ভিন্ন ছিলো। আর এখনকার বাধা সম্পুর্ন অন্য রকম।
এবং প্রায় সর্বত্র তারা বাধা প্রাপ্ত হচ্ছে। জামাত ফিরে আসছে জেলার কোনো মসজিদে ঢুকতে না পেরে।
পরিনতিতে ঘৃনা বাড়বে। বাড়বে বিভাজন। শিয়া সুন্নি এক সময় এক ফেরকা ছিলো। ঘৃনা দুটোকে আলাদা করে ফেলেছে। এবং প্রচন্ড ঘৃনা এখন শিয়া সাইডে।
খুব দ্রুত, যেমন সামনের ২ বছরের মাঝে যদি এই সমস্যা সমাধান না হয় তবে আলাদা আরেকটা ফেরকা হবে। মুখ কালো, হিন্যমনতায় ভুগবে, নিজেদের মাঝে একে অন্যকে সাপোর্ট করে কমুনিটি তৈরি করবে, সমাজ থেকে আলাদা হয়ে যাবে।
সবগুলো খারাপ লক্ষন এতাতিদের জন্য। আনলেস রেডিক্যল কোনো ঘটনা না ঘটে যে এই বিভাজনটা মানুষ ভুলে যায়। অথবা অন্য কোনো ভাবে পাল্লা ঘুরে যায়।
এতাতিদের জন্য খারাপ লাগছে। কেন এই শাস্তি-পরিক্ষা জানা নেই। তবে ১লা ডিসেম্বর তাদের কাজ ছিলো নিকৃষ্ট। এ জন্য এই মুহুর্তে বেশি সিমপেথি আসছে না।
Time should say. Lets keep watching.
এখানে দেখা যাচ্ছে বিষ্ফোরোনের সাথে অসংখ্য বোতোল ছিটকে এসে রাস্তা ভরে যেতে।
Details pending.
_______
Previously :
I have a feeling this one was a prank call. Someone called in and informed that this flight carries a hidden hijacker. As a result it has been grounded, all passengers removed and now probably is going through interrogation.
This is my guess following Indian news.
Not sure what the true situation is though.
__________
Previously :
This came in the wake of earlier news today that all airports in India have been alerted of an upcoming attack and some airports have been closed as a result. That was in India, today.
Right now, the news is that all passengers from the plane have been removed. Not sure of the lone hijacker.
_________
Previously :
In case you have missed it. Hostage situation in BD Aircraft bound for Dubai.
Forced landed in Chittagong airport, and now in stand still -- negotiation mode.
Looks like slow news days don't remain for long.
Everyone present?
سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ ،
وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ،
وَاللَّهُ أَكْبَرُ ،
وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ ،
عَدَدَ مَا عَلِمَ اللَّهُ تَعَالَى
وَزِنَةَ مَا عَلِمَ اللَّهُ تَعَالَى
وَمِلْءَ مَا عَلِمَ اللَّهُ تَعَالَى
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার
আল্লাহ ছাড়া করার মতো কোনো শক্তি নেই।
অত সংখ্যক যত আল্লাহ জানেন।
অত ওজনে যত আল্লাহ জানেন।
অত পরিমানে যত আল্লাহ জানেন।
তাম্বিহুল গাফিলিনে এটা ইস্রাফিল আঃ রাসুলু্ল্লাহ ﷺ কে শিখিয়েছেন বর্ননা আছে।
এর সোয়াবের বর্ননা আছে নিচে আরবিতে
Ref :
(حديث موقوف) قَالَ : وَحَدَّثَنِي الثِّقَةُ بِإِسْنَادٍ , عَنِ الضَّحَّاكِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا ، قَالَ : جَاءَ إِسْرَافِيلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ : قُلْ يَا مُحَمَّدُ سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ ، عَدَدَ مَا عَلِمَ اللَّهُ تَعَالَى وَزِنَةَ مَا عَلِمَ اللَّهُ تَعَالَى وَمِلْءَ مَا عَلِمَ اللَّهُ تَعَالَى ، فَمَنْ قَالَهَا مَرَّةً كَتَبَ اللَّهُ لَهُ خَمْسَ خِصَالٍ ، كُتِبَ مِنَ الذَّاكِرِينَ اللَّهَ كَثِيرًا ، وَكَانَ أَفْضَلَ مَنْ ذَكَرَهُ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ ، وَكَانَ لَهُ غَرْسًا فِي الْجَنَّةِ وَتَحَاتَتْ عَنْهُ ذُنُوبُهُ ، كَمَا يَتَحَاتُّ وَرَقُ الشَّجَرِ الْيَابِسِ ، وَنَظَرَ اللَّهُ إِلَيْهِ وَمَنْ نَظَرَ اللَّهُ إِلَيْهِ لَمْ يُعَذِّبْهُ .
#HabibDua
হে আল্লাহ, আমাকে মাফ করেন আর আমার বাপ-মা কে
মু'মিন নারি-পুরুষদের
মুসলিম নারি-পুরুষদের
তাদের জিবিতদের-মৃতদের।
সরাসরি এস্তেগফারটা হাদিসে নেই। কিন্তু বলা আছে যে মু'মিন মুসলিমদের জন্য এস্তেগফার করবে তাকে মু'মিন-মুসলিমদের সংখ্যা পরিমান সওয়াব দেয়া হবে। এবং আলবানির মতে সে হাদিসটা সহি।
#HabibDua
খবর : "সর্বশেষ ২০-২৫ দিন আগে পলাশ বাড়িতে আসে। বাড়িতে আসার পর তার আচরণে বিরাট পরিবর্তন দেখা দেয়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া শুরু করে, মসজিদে গিয়ে আজানও দিয়েছে। সর্বশেষ শুক্রবার বাড়ি থেকে যাওয়া আগে বলেছে, সে কাজের সন্ধানে দুবাই যাবে।"
হুম। "হটাৎ দ্বিনদ্বার" এই ঘটনার পর অপরাধের খাতায় পড়ে যাবে, হয়তো।
https://www.youtube.com/watch?v=-6vXl72jSrU
https://www.youtube.com/watch?v=-6vXl72jSrU
রুকাইয়া হলো কোরআন শরিফের ঐ সকল আয়াতের তিলওয়াত যেগুলো জ্বিনদের ক্ষতি করে, তাই তারা দ্রুত সরে যায়।
বর্তমান ডিজিটাল যুগে ঐ আয়াত আপনার মুখস্ত থাকার দরকার নেই। পড়ারও দরকার নেই। ইউটুব থেকে প্লে দিয়ে রাখবেন স্বশব্দে তাহলেই হবে।
আমি এটা কখনো করি নি। কিন্তু যারা করেছে তারা রিপোর্ট করেছে কাজ হয়।
"কোথায় পাবো?"
rukaiya দিয়ে সার্চ দিন ইউটুবে। বহু পাবেন। এখানে প্রথমটার লিংক। আরো আছে।
https://www.youtube.com/watch?v=FttOMhNYtag
"কতক্ষন দিতে হবে?"
রিজেনেবেল সময় ধরে।
"পুরোটা দিতে হবে?"
রিজেনেবেল অংশ দিলে হবে।
"এটা দিলেই হবে?"
যদি রিজেনেবেল হয় তবে।
FAQ :
"কি হয়েছিলো?"
ইজতেমার পর এতাতিরা ময়দান ছাড়তে চাচ্ছিলো না। সেটা নিয়ে গন্ডোগোল।
"সেকেন্ড ফেইজ কি?"
দুই পক্ষের কাজই বন্ধ হয়ে যাওয়া।
"ভালো! আমি এটাই চাই, এই সব বিদায়াতি..."
স্টেটাসটা আপনার জন্য ছিলো না ভাইজান।
এ ব্যপারে ফতোয়া খুজে প্রথমে জানলাম: হারাম শরিফের জামাতের সাথে পড়লে নামাজ হয়ে যাবে। এটা ঐক্যের জন্য।
শুনে খুশি হলাম। হবে না বললেও আমি ইনশাল্লাহ পড়তাম, কারন জামাত ছাড়ার কোনো মানে নেই।
মনে করেছিলাম এটা শুধু মসজিদুল হারামের সাথে সম্পর্কিত। কিন্তু মদিনা শরিফে?
জানলাম তাও হবে। কেন, সেটা আর খুজলাম না।
কিন্তু জেদ্দায়? ওখানে যদি আমি কোনো মসজিদে পড়ি?
জানলাম হাম্বলি মাজহাবের যে কোনো ইমামের পিছনে হবে। যদি ইমামের নমাজ তার ওয়াক্ত মোতাবেক হয় তবে আমারও হবে।
ভালো কথা।
এবার নতুন সমস্যা হল ইমাম যদি বাংলাদেশী ও হানাফি হয়? যেমন মিনার দিনগুলোতে সবাই মক্কার আসরের সময় ধরে আজান দিয়ে তাবুতে নামাজ পড়ে। তারা এত সব মাসলা-হিসাব বুঝে না। আমি নিজে বোঝাতে গেলে ফিতনা দেখা দিবে। তখন কি করব?
কঠিন সমস্যা।
ফতোয়া খুজতে লাগলাম। যাকে বলে “ফতোয়া মার্কেটিং"।
পেলাম: সাহেবাইন, মানে ইমাম মুহাম্মদ ও ইউসুফের মতে আসের নামাজ সময়, আহলে হাদিসের সময় মতই হয়। তাই কোনো হানাফী মাজহাবের অনুসারী যদি এই মাসলার ক্ষেত্রে সাহেবাইনদের অনুসরনের নিয়ত করে তবে তার নমাজ হবে।
দুর্দান্ত ফতোয়া। পেয়ে খুবই খুশি হলাম। কারন অধিকাংশ দেশে এবং এয়ারপোর্টে ওই সময়ই আসরের নামাজ হয়। এখন নিশ্চিন্তে সেগুলো ধরা যাবে।
তবে এখন থেকে আমাকে জোহরের নামাজ ৩ টার আগে পড়তে হবে। এর পরে পড়লে কাজা।
https://sanjir.com/153/
সম্ভব না বা ইন্টারেষ্টেড নই।
প্রথমতঃ সময় নেই। সবসময় ব্যস্ত থাকি।
দ্বিতীয়তঃ ফোনে কথা বলার সময়ও নেই। ফোন কল আমার সপ্তাহে আসে হয়তো ১টা। এর বেশি কথা বলার উৎসাহ পাই না।
তৃতীয়তঃ প্রায় সকল প্রোজেক্টের পেছনে কিছু ফিনেনসিয়াল-পলিটিক্যল-সোশিয়াল ইশু থাকে যেগুলোর লায়াবিলিটি নিতে হবে আমি ফ্রি কাজ করে দিলেও। সেটা নেয়ার আগ্রহ নেই।
"আমাদের এখানে এরকম কিছু নেই।"
আছে, এখনো আপনি জানেন না।
"সত্যি নেই। দেখেন..."
যা বলেছিলাম ...
আর ফেসবুকিং করি যখন কাজ করতে কারতে কাহিল হয়ে যাই তখন একটা ব্রেক নিতে। বিশ্রামের মতো :-)
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الأُمِّيِّ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ
হে আল্লাহ আপনি উম্মি নবি এবং উনার পরিবারের উপর সালাত পাঠান।
আবু দাউদ শরিফে আছে। হাসান।
https://sunnah.com/abudawud/2/592
কথোপকথন : আরেকজনের সুবিধাজনক সময়ে হতে হবে।
ফেসবুক : নিজের সুবিধাজনক সময়ে।
কথোপকথন : আরেকজন বিষয় নির্ধারন করবে।
ফেসবুক : নিজে বিষয় নির্ধারন করবো।
কথোপকথন : আরেকজনের কথা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
ফেসবুক : নিজের কথা বলেই শেষ।
এই ধরনের অনেক।
Implying maybe a larger attack from India is imminent.
If war breaks out PK will lose and get destroyed. To ashes.
And off the ashes it might turn around.
Keep watching.
______
Twitter video showing India mobilizing lots and lots of tanks to PK border. Thousands. All carried over by train.
All bad sign.
বড় কোনো খবর আসছে।
এটা খারাপ লক্ষন। তবলিগের অদি নিয়ম থেকে আরেকটা বিচ্যুতি। যেখানে শিখানো হতো থানা-পুলিশ-সরকার থেকে দূরে থাকার জন্য।
সময় বদলায়। স্ট্রেটেজিও হয়তো বদলাচ্ছে।
Indicating, বোকারাও তাদের বোকামি সময়ের সাথে সাথে বুঝতে পারে।
So who has licked his wound?
India.
Lost 50+ soldiers.
Retaliation operation failed miserably. With its fighter jets escaping after dropping its payload to reduce weight for a faster escape.
And lost one aircraft. Pilot is now at PK's hand.
No success story to show off or hide its face.
That was phase 1.
https://www.facebook.com/habib.dhaka/posts/10153374962198176
All hail the King.
টংগির ঘটনার প্লেনের ব্যপারে দায়ি করা হয় মূলতঃ ফরিদউদ্দিন মাসুদ সাহেবকে। যে মাথাগুলো এর পেছনে ছিলো তাদের এটা মস্ত ভুল ছিলো। যেটা তখন তারা উপলব্ধি করতে পারে নি।
এখন হয়তো ধীরে ধীরে বুঝছে।