এজন্য আমাকে অধিকাংশ কমেন্ট মুছে দিতে হয়। শুধু দুটো কমেন্ট রেখে।
- Comments:
- ^ একটা FAQ এ কিন্তু ১০টা কমেন্টের উত্তর দিয়ে দেই জিজ্ঞাসা করার আগে। আর যে সকল পোষ্টে FAQ দেই না সেখানে ঐ সব প্রশ্নই পড়ে যেগুলো লিখার সময় জানতাম পড়বে। :-)
এজন্য আমাকে অধিকাংশ কমেন্ট মুছে দিতে হয়। শুধু দুটো কমেন্ট রেখে।
Elon Musk defeated in 2 minutes.
No explanation.
Making life easier...
একটু এবসট্রাক্টলি লিখতে হচ্ছে। কারন আন্ডারগ্রাউন্ড টিমে কেউ আমার নাম স্বরন করলে, সেই ধাক্কা সামাল দিতে কষ্ট হবে।
১
এটা বুঝতে হবে বর্ননায় নিচের সবগুলো এসেছে।
আরো আছে। যেগুলো আনছি না।
এখন প্রশ্ন : এক হাজারের সাথে পাচ শত যোগ দিয়ে দেড় হাজার বলা হয়েছে? নাকি দেড় হাজারের সাথে আরো পাচশত যোগ দিতে হবে? সেক্ষেত্রে হিসাব দাড়ায় দুই হাজার।
এটা বলার কারন কি? কারন ১০০০ হিজরির দিকে কিছু শাফি ইমাম ধারনা করেছিলেন এখানেই শেষ। কিন্তু যখন সেটা হয় নি তখন উনারা পাচ শত বছর যোগের ব্যপারটা এক হাজারের সাথে সংযুক্ত করেছেন।
তাই ভুলের স্কোপ আছে। এবং এর মেক্সিমাম যেতে পারে দুই হাজার পর্যন্ত। সব বর্ননা মতে এখনই শেষ -- তা না।
২
"কিন্তু ইহুদিদের ২১শ বছর = খৃষ্টানদের ৬ শত বছর + মুসলিমদের দেড় হাজার বছর। এটা কিকরে অস্বিকার করবেন?"
প্রথম কথা ইহুদিদের ২১শ বছর কাজী ইব্রাহীম সাহেব বলছেন "দুই হাজার থেকে একুশ শ।" যেখানে শতকের ঘরে অনিশ্চয়তা আছে, সেখানে শতকের ঘরে কোনো একটা ফিগার ঠিক ধরে নিয়ে, এর পর একক ও দশকের ঘরকে সিগনিফিকেন্ট করে হিসাবে দেখানোটা ভুল [এই উক্তিটা অনেকে বুঝবে না /faq].
দ্বিতীয়তঃ এই সময়টা ২ হাজার বা ২২শ বছর, এটাও পড়েছি কিছু ইসলামি কিতাবে।
তৃতীয়তঃ কতশ বছর এটা কিন্তু হাদিসে নেই। এই হিসাবটা আলেমরা বলেন নেয়া হয়েছে কিতাবিদের থেকে। এতে দোষ আছে বলছি না।
এবং কিতাবিদের কথা সার্চ করে দেখলাম তাদের দাবি মতে মুসা আ: এসেছেন ১৬০০ শ BC তে। বিফোর খ্রাইস্ট।
সে হিসাবে ১০০০ হিজরিতে শেষ। যেটা হয় নি।
৩
অলটারনেট? ইহুদিদের ধর্ম মুসা আ: থেকে আরম্ভ হয় নি। ইব্রাহিম আ: এর সন্তানদের মাঝে ইয়াকুব আ: থেকে আরম্ভ হয়েছে। উনাকে থেকে আরম্ভ ধরলে ২১ শ বা ২২ শ হিসাব মিলানো যায়। কিন্তু অনিশ্চয়তাটা আরো বাড়ে। উনার জন্ম-মৃত্যু কখন ধরবো? রাসুলুল্লাহ ﷺ এর ক্ষেত্রে কিন্তু উনার নবুওতের বছর ধরা হয়েছে এই হিসাবে।
৪
এর পরের সমস্যা। আবির্ভাব থেকে উম্মাহর সমাপ্তি পর্যন্ত কেউ যদি বলেন ঠিক ৭০ বছর কারন উনার হায়াত এত বছর + দাব্বাতুল আরদ এত বছর পরে তাহলে সে অনেক বেশি এজামপশন এনে ঘটনাগুলো একেবারে কমপেক্ট করে ফেলছে।
৫
এমনকি যদি দেড় হাজার বছরের কথাটা হাদিসে সরাসরি থাকতো, যেটা নেই কিন্তু ইনডাইরেক্ট এজামপশন, এর পরও ১৪৯৫ থেকে ১৫০৫ বছর সবগুলোকেই দেড় হাজার বলা যায়। এখানে স্পেনটা মাত্র পাচ দিয়ে বুঝালাম সহজ করার জন্য। আমি দেড় হাজারের এক দুই শ বছর কম বেশ হলেও বলবো এটা দেড় হাজার। একে বলে রাউন্ডিং। কথা বলার সময় আমরা দিন ক্ষন সময় দশমিক ধরে বলি না যেহেতু।
দশমিক ধরে বলি না এটা সবাই বুঝে। কিন্তু সিগনিফেকন্ট আর ইনসিগনিফিকেন্ট ডিজিটের পার্থক্য আরম্ভ হয় আরো আগে থেকে। এটা যে বুঝে সে আলরেডি বুঝে। না বুঝলে তাকে বুঝাতে সময় লাগবে এবং সে এর আগেই বলবে "এই সব এখানে খাটে না।"
সহজ কথায় আমি মুসাফির তাই ২ রাকাত পড়বো। মসজিদের ইমাম লোকাল মানুষ তাই ৪ রাকাত পড়বেন। আমি দেরিতে এসে ইমামের শেষ এক রাকাতে যোগ দিলাম। সালাম ফেরানোর পর কয় রাকাত পড়বো?
এর উত্তর/
প্রশ্ন:
মুসাফির ব্যক্তি যদি মুকীম ইমামের পিছনে মাসবুক হয় তবে সে দুই রাকাত পেলে কি আরো দুই রাকাত একাকী পড়বে, নাকি দুই রাকাতেই নামায শেষ করবে? আর যদি এক রাকাত পায় তাহলে কয় রাকাত পড়বে?
উত্তর:
মুসাফির ব্যক্তি মুকীম ইমামের পিছনে ইক্তেদা করলে চার রাকাত পড়া জরুরি হয়ে যায়। তাই মুকীমইমামের পেছনে মাসবুক হলেও তাকে চার রাকাতই পড়তে হবে। আবু মিজলায রাহ. বলেন,
قلت لابن عمر : ادركت ركعة من صلاة المقيمين وأنا مسافر؟ قال : صل بصلاتهم.
আমি আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা.-কে জিজ্ঞাসা করলাম, মুসাফির অবস্থায় যদি আমি মুকীমের পেছনেএক রাকাত পাই তাহলে করণীয় কী? জবাবে তিনি বললেন, মুকীমের মতো (পুরা) নামায পড়বে।
-মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস ৪৩৮১; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৩৮৭৫; কিতাবুল আছল ১/২৫৬; বাদায়েউস সনায়ে ১/২৭৬
তোমরা যারা বিয়ের সময় লম্বা মেয়ে খুজো।
[ এখানে কপাল চাপড়ানোর ইমো বসিবে :-P ]
উত্তর : বলা হয় "কোনো মানুষকে লিংক দিয়ে দিন সে একদিন পড়তে পারবে। কিন্তু তাকে লিংক ধরা শিখিয়ে দিন সে সারা জীবন লিংক বাহির করতে পারবে।"
তাই উপরের খবরের লিংক, এবং সেটা বের করার পদ্ধতি দুটোই এখানে পাবেন:
http://lmgtfy.com/?q=Short+Wives+and+Tall+Husbands+Have+The+Happiest+Marriage
http://lmgtfy.com/?q=Short+Wives+and+Tall+Husbands+Have+The+Happiest+Marriage
https://www.youtube.com/watch?v=U4ZZoB_AB64
"Projects each element of an observable sequence into a new sequence of observable sequences by incorporating the element’s index and then transforms an observable sequence of observable sequences into an observable sequence producing values only from the most recent observable sequence."
১
"মক্কায় এক লোক আশ্রয় নেবে তাকে হত্যা করা হবে এবং এর কিছু কাল পরে আরেকজন আশ্রয় নেবে..."
প্রথম আশ্রয় প্রার্থি যাকে হত্যা করা হয়েছে সেটা ১৯৭৯ সালের ঘটনা। এবং এর বুরহান البرهة পরে মানে ৩৩ থেকে ৪০ বছর। ৭৯+৩৩ = ১২, ৭৯+৪০=১৯
সমস্যা:
২
ফিলিস্তিনের এক শায়েখ খালিদ মাগরিবির একটা ভিডিও আছে নেটে যেখানে উনি বলেছেন ১৯ এ আসবে কিনা এটা নিয়ে একজন [আমি ধরে নিচ্ছি উনি নিজের কথাই বলছেন, কিন্তু ইনডাইরেক্টলি] রাতে শুতে গিয়েছেন এই দোয়া করে হে আল্লাহ উনি ১৯ শে আসলে আমাকে জানান না আসলেও জানান। এর পর একই সপ্তাহে ভিন্ন ভিন্ন দুই জন এসে বলেছেন আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺ কে স্বপ্নে দেখেছি এবং বলেছেন উনি তোমাদের মাঝে আছে। ভিডিও কমেন্টে।
সমস্যা:
বেশি কথা বললে কিছু মিত্র জমবে। কিছু শত্রু জমবে। এটেনশন সিকাররা মনে করবে এটেনশন তাদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হচ্ছে। বহু ড্রামা।
এর থেকে বরং আকিদার রাস্তায় কি করে সাবধানে চলবেন সেটার দিকে ফোকাস দেবো। এটা কাজের। কারন সামনে মুসলিমে মসুলিমে যুদ্ধ একদম চরমে উঠবে, যদি ঐ সময় কাছে থাকে। এর দলিল যে কোনো হাদিসের বইয়ের আখিরুজ্জামান চ্যপ্টার।
এবং মুসলিম হত্যার পেছনে সব পক্ষের যুক্তি হবে "আকিদা"। মানে আমাদের দলের বাইরে অন্য সকল মুসলিমদের হত্যা করলে পাপ নেই। কারন তাদের আকিদা ভ্রান্ত। এবং সে কারনে তারা মুসলিম না, কাফের। এবং যদি আপনি তাদের কাফের বলতে ইতস্ততঃ করেন তবে আপনিও মুরজিয়া-কাফের।
তাই এই পাজেলের ভেতর দিযে কি করে আপনি নিরাপদে চলতে পারবেন তার আলোচনায় উপকার আছে। নয়তো ট্রেপে পড়বেন। কুফরি ফতোয়া খাবেন। কিছু বছর পর দেখবেন আপনাকে হত্যা করতে লোক হাজির, কারন আপনি কাফের।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই ফাদের মাঝ দিয়ে নিরাপদে চালান।
এর পর আমি যাই বলি না কেন তারা বলবে "এই হাদিস মাসলা হুকুম নিষেধগুলো এখানে খাটে না, কারন ঐ সব জায়গায় মুসলিমদের কথা বলা আছে। আর আমরা যুদ্ধ করছি কাফেরদের বিরুদ্ধে।"
২
এই মুহুর্তে তারা একটু ঠান্ডা আছে। কিন্তু হাদিসের কিতাব সমুহ বলছে সামনের সময়টা তাদের। মুসলিমদের মাঝে বহু দল দাড়িয়ে যাবে, একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকবে। এবং যে যুদ্ধ করতে অস্বিকার করবে তাকে তলোয়ার দিয়ে ভয় দেখিয়ে ময়দানে দাড় করিয়ে দেয়া হবে, "হয় তুমি আমাদের সাথে যুদ্ধ করবে, নয়তো তোমার মৃত্যু দন্ড।"
৩
এর একটা ফেইজ আমরা দেখে শেষ করেছি। আমার বিশ্বাস পরবর্তি ফেইজগুলো হবে আরো বিস্তৃত, আরো ব্যপক। কিন্তু তাদের মাঝে ঐ দোষগুলো থাকবে না, যেই দোষগুলো দিয়ে আগের দলগুলোর সমালোচনা আমরা করতাম।
সহজ কথায় পুরানো পয়েন্ট দিয়ে নতুন দলগুলোর সমালোচনা করা যাবে না। নতুন পয়েন্ট আনা ছাড়া। এবং তারা তখন বলবে "এগুলো নতুন কথা। আপনারা কাপুরুষ তাই এই সব কথা বলছেন।"
কিন্তু দিনের শেষে এই দলগুলো মুসলিমদের সাথে মুসলিমদের যুদ্ধেই লেগে থাকবে।
গত ৪০ বছরে দেখা তিন চারটা ঢেউ দিয়ে আমি উদাহরন দিতে পারতাম। কিন্তু বাদ দিলাম। Looking forward.
মুল সমস্যা আমিও এখানেই দেখি। যার কোনো সমাধান নেই।
উলামা কিরামগন যে পয়েন্টগুলো নিয়ে এসেছেন সেগুলো সুক্ষ্ম। তাই উলামাদের ব্যপার। আমার বুঝতে গেলে সমস্যা বাড়বে।
২
৭৯ সালে যখন দেওবন্দে বিভাজন আরম্ভ হয় তখন একই সাথে সারা দুনিয়ার মুসলিম দেশগুলোতে গন্ডগোল আরম্ভ হয়। যেগুলো এখন ইতিহাস।
১৩-১৫ এর দিকে যখন এই দেশে মুশফিক স্যারের সাথে গন্ডোগোল আরম্ভ হয় তখন একই সাথে চলে দেশে টালমাটাল অবস্থা। যেগুলোর আলোচনাও এখন নিষিদ্ধ।
এখন সারা দুনিয়ার তবলিগে বিভাজন চলছে। এর সাথে কিছু যদি আসে তবে সেটা আমরা দেখতে পারবো।
৩
একটা সম্পর্ক আছে। আমি আরো উদাহরন টানতে পারতাম, কিন্তু এখানে দাগ টানলাম।
The most logical thing to do, anyway.
বাকি সব হাসপাতাল যেহেতু বিপক্ষে।
can't blame, though.
তোমরা যারা গিগাবাইটের মূল্য বুঝো না।
"তোমাদের মত বয়স থাকলে আমিও উবারে না চইড়া পাঠাও-এ চড়তাম।"
~ জনৈক ২
মিউচুয়াল এগ্রিমেন্টের যুক্তি শুধু একটার জন্য খাটে।
কেন?
কারন, আমাদের প্রভুদের কাছে থেকে একটার জন্য স্বিকৃতি পাওয়া গিয়েছে অন্যটার জন্য এখনো পাওয়া যায় নি।
আমাদের লিবারেলরা কোথায়, যখন তাদেরকে দরকার?
Roof top carrier.
Carrier pigeons.
Backpack carrier.
Child carrier.
Aircraft carrier.
২
"যে ফুল ভালোবাসে না, সে মানুষ হত্যা করতে পারে।"
৩
কবিতা বা ফুল, কোনোটাই পছন্দ না।
আমার কোনো আশা আছে?
১
এখন রয়্যাল গুলি লাঠি লজেন্স সবই আল্লাহর রহমতে কিনতে পারি।
কিছু দিন পরে কি হবে সেটা আল্লাহ জানেন।
But does it matter? ঐ অক্ষমতাকে যত দূর্ভাগা, বঞ্চনা আর হতাশার মনে হতো ঐ সময়ে, এখন আর সেটা মনে হয় না।
সময়ের কষ্ট মনুষের সম্পদ হিসাবে জমা থাকে।
২
এ দেশের বুকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট লাগে কাকে দেখলে জানেন?
প্রীজন ভ্যনে যারা দাড়িয়ে ঐ ছোট্ট খুপড়ি দিয়ে শহরকে দেখে তাদের দেখলে।
হয়তো সে বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে তার মা আছে বৌ আছে সন্তনরা আছে। সে জীবত কিন্তু দায়িত্ব পালেন ব্যর্থ। অক্ষমতার কষ্ট।
এদের কেউ কেউ পাপ করেছে এখন দুনিয়াতে শাস্তি পাচ্ছে।
এদের বড় অংশ কোনো দোষ করে নি, আল্লাহ তায়ালা দুনিয়াতে তাদের শাস্তি দিচ্ছে আখিরাতে উপরে তোলার জন্য। যত উপরে সে শুধু নেক আমল কখনো উঠতে পারতো না।
৩
অবুঝ আমি যখন বুঝি তখন বেশি বুঝি।
আর যখন বুঝি না, তখন ডানও বুঝি না বামও না।
কিন্তু আমার কাছে,
স্বপ্ন ... : পুরানো খবর
মাহদি ... : পুরানো খবর
উলামায়ে সু ... : পুরানো খবর
অফলাইনে প্রতিটা পয়েন্টে এর থেকে আরো বেশি শুনেছি। এই পক্ষের বা ঐ পক্ষের মত হিসাবে।
এখানে মূল খবর হলো রাজারবাগের পুলিশরা <এই> সাইডের পন্থি।
এটা আমার কাছে খবর। বাকি সব নন-খবর।
তবে এখন কি পুলিশের নির্যাতন বেড়ে গিয়েছে? না ভাই কমে গিয়েছে। পুলিশ এখন আগের থেকে অনেক সাবধানে চলে।
তবে চারি দিকে এত পুলিশ ছাত্র লীগের নির্যাতনের খবর কেন?
কারন সামনে পালা শেষ হয়ে আসতে পারে। নিশ্চিৎ না, তবে ধাক্কা-পরিক্ষা-নির্বাচন আসছে।
তাই একটু নিউট্রাল পজিশন দেখানো দরকার। পাগলও এটা বুঝে।
প্রথম আলো তো আর পাগল না।
সন্তানদের এগুলোর মুখো মুখি হয়ে বিভ্রান্ত হবার সম্ভাবনা কমে যাবে। উত্তরগুলো তাদের জানা থাকবে।
এর পর চিন্তা করি এরকম করলে মানুষের হাবি যাবি প্রশ্ন-প্রতিবাদ কমেন্ট ভরে যাবে। যেটা সামাল দিতে আমাকে চুপ করে যেতে হবে।
আর যদি প্রাইভেটলি পোষ্ট করি? সন্তান আর তাদের সন্তানদের যখন এগুলো বুঝার বয়স হবে তখন তাদেরকে ফ্রেন্ড লিষ্টে এড করার জন্য আমি বেচে থাকবো না। যদি পড়ে তবে তারা নন ফ্রেন্ড ফলোয়ার হিসাবেই পড়বে।
প্রশ্ন:
কবি কবিতার বাকি অংশে পূর্বপুরুষদের কোন মহান কীর্তির কথা বলছেন?
১। উনারা ঘোড়ায় চড়ে দিগ বিদিগ জয় করতেন, সেই বীরত্বের কাহিনী।
২। উনার ঘরে বসে কবিতা চর্চা করতেন, তার গল্প।
যে জানে না সে এটার ভুল উত্তর দেবে। Just saying.
বাংগালিরা ফোন পেয়েই আগে টাকা দিয়ে দেয়। তাই অপহরনকারীরা অপহরন করেই বাচ্চাকে খুন করে ফেলে দেয়। কে যায় হোটেল ভাড়া করতে? এরপর ফোন করে বলে আপনার বাচ্চা আমাদের কাছে।
বাচ্চা সুস্থ আছে এই প্রমান না পেয়ে শুধু ইমোশোনাল হয়ে মানুষ যদি টাকা না দিতো, তবে বাচ্চাকে অপহরন করেই খুন করা হতো না।
কমেন্টে ভারতের কাহিনী। আর আমাদের ঢাকার কাহিনী। ঢাকার কাহিনীটা আমাদের বাড়ির পাশে।
পুলিশের কাছে প্রথমেই যেতে হবে। অপহরনকারীরা যত যাই ভয় দেখাক না কেন। যদিও পুলিশকে আমি অপহরনকারীদের থেকে বেশি বিশ্বাস আমি করি না। এর পরও।
Things are getting nastier on other fronts too, with the introduction of AI. Machine doing things that were impossible or too costly even a few years back.
Two booster rockets landing. The third one was lost.
Note that the first stage rockets are the only parts that return to earth. The rest gets burnt up or lost in space anyway.
Elon's car's trajectory. Initially it was planned for orbiting with Mars. But the rockets off-shot and now it's supposed to end up in the astroid belt beyond Mars.
It will take months to reach there anyway.
প্রশ্ন: ঝড় শেষ? নাকি এখন calm before the storm?
আমার বিশ্বাস calm.
তাহলে ঝড় কতদূর যেতে পারে?
Welcome to the linux world.
web আর desktop এর মূল পার্থক্য হলো state management. বাকি সব এক।
এর থেকে বড় ঘটনা ঘটে গিয়েছে ৫ই মে, ৫ই জানুয়ারি -- কিছু হয় নি। Life goes on.
২
On the other hand, এরশাদের সময় প্রতি শীতে আন্দোলন হতো। প্রতি বছর মনে করতাম এই শেষ এবার পতন। কিছু হতো না।
এর পর এক সময় ধরে নিলাম "কিছু হবে না। কত অন্দোলন আসলো গেলো।" তখনই খবর আসলো পতনের।
৩
কিছু বলার নেই। শুধু কলরবের গান শেয়ার করলাম। গান কবিতা দিয়ে যুদ্ধ বিজয়ী হওয়া যায় না। কেবল কর্মিদের পাম্পড আপ রাখা যায়। তাদেরকে স্বপ্ন দেখিয়ে কাজ করানো যায়।
সারকাস্টিক্যলি পোষ্ট করছি। তোমরা যারা কলরবকে পেছেন ধরে রাখতে চাও [কলরবর প্রাক্তন সদস্যদের মাঝে বিদ্রোহি গ্রুপ] তোমাদের জন্য হুশিয়ারি।
https://www.youtube.com/watch?v=8a7NpExQM5Q
https://www.youtube.com/watch?v=8a7NpExQM5Q
না ভুল। কোনটা তলানী সেটা বুঝার উপায় নেই। ভুল তলানি ধারনা করাটা ফ্রিকুয়েন্ট।
২
খৃষ্টানদের সাথে মুসলিমদের এখানে একটা বড় তফাৎ। বাতাসের ধাক্কা খৃষ্টানদের খুব বেশি টলায় না। কিন্তু মুসলিমদেরকে একেবারে বাকা করে দেয়। এর পর দমকা ধাক্কা চলে গেলেই মুসলিমরা আবার সোজা হয়ে দাড়ায়।
৩
মসজিদে একজন ঢুকেই প্রতিদিন হেই হই করে মুসুল্লিদের সাথে চিল্লা চিল্লি আরম্ভ করে। বেরুনোর সময়ও চিল্লা চিল্লি করে বেরোয়।
তাকে দেখে আমি যদি মনে করি মুসুল্লিদের সাথে আমি অল্প ঝগড়া করলে দোষ নেই। এই সমান্য পাপ আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করে দেবেন, তবে এটা হবে ভুল ধারনা।
ঐ লোকের উপর আযাব আসবে না।
কিন্তু সামান্য পাপ করলে আমার উপর আসবে।
Jack Parsons, known as the father of Space Science was an open devil worshiper. He wrote of a dream where he saw a person called Belarion Dajjal and talked about getting power from him.
Check Jack Parsons' wiki page for details and you will find this name there too.
Shaykh Hamza Yusuf's take on it.
The first two minutes should be enough.
https://www.youtube.com/watch?v=y5ZfmBqnLcQ
এটার ব্যপারে আমার মাঝে কনফিউশন নেই। যেহেতু মুল হাদিসের কিতাবগুলো পড়েছি। এবং ফিকাহর বইয়ের বাংলা অনুবাদও পড়ে মিলিয়ে দেখেছি।
কিন্তু একটিভিস্টদের জন্য এগুলো মানা খুবই টাফ। এস ইউজুয়াল, হাদিস ঘেটে অধিকাংশ হাদিস বাদ দিয়ে, পছন্দনিয় হাদিসের দুই একটা ওয়ার্ড তুলে নিয়ে এর উপর দুই হাত লম্বা ব্যখ্যা আর অমুক অমুক শায়েখের এক লাইনের উক্তি যোগ করে তারা তাদের করনীয় নির্নয় করে নিয়েছে।
আমার আপত্তি? না নেই।
কারন হাদিসে বলাই আছে ফিতনার সময় দলে দলে মানুষ ফিতনার দিকে ছুটবে। এগুলো ঠেকানোর দায়িত্ব আমার না।
কিন্তু অন্যকে জানিয়ে দেবার দায়িত্ব কি আমার না?
মূল কিতাবগুলো অনুবাদ করা আছে হাজারে হাজার। সেগুলো পড়লেই বুঝার কথা কি করনীয়। ব্যখ্যা লাগে না। কিন্তু সেগুলো পড়ার মত ধর্য্য যার নেই, কিন্তু সারা দিন ফেসবুকে বড় ভাইদের উক্তি খুজে, তাদের জানালেও যে কিছু পরিবর্তিত হবে, আমি মনে করি না।
তবে আমার কাজ কি?
keep watching.
কি দেখলাম?
মানুষ বলছে ফিতনার সময় :
১। তলোয়ার নিয়ে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।
২। ঘোড়া নিয়ে যুদ্ধে ফিতনাবাজ দলের উপর ঝাপিয়ে পড়তে হবে।
৩। তলোয়ার দিয়ে বাই ফোর্স ফিতনাবাজ দলকে দমন করতে হবে।
৪। সত্যকে প্রকাশ করতে হবে আরো জোর গলায়।
৫। ফিতনার সময়ে সাহাবা কিরামদের মাঝে যারা যুদ্ধে লিপ্ত ছিলো তাদের কাজ হবে আমাদের আদর্শ।
৬। উপরোক্ত কাজগুলোর নিষেধ করা মানে ঐ সাহবায়ে কিরামদের সমালোচনা করা।
এগুলো যে করলো না সে <নতুন নতুন টার্মস>
আমার আর কিছু করনীয় আছে?
না নেই। শুধু যারা ফিতনায় পড়ে গিয়েছে বলে আমি বুঝতে পারছি তাদের ব্লক করা ছাড়া। যেন তাদের কথা দ্বারা আমিও প্রভাবিত না হই।
"আমাদের জন্য কোরআন হাদিসই তো যথেষ্ট।" ঠিক? "কোনো আলেমের কথা শরিয়তের কোনো দলিল না" এটা হাজার বার আমাকে বলছে সেই ৯০ থেকে।
আর "ফিকাহর বইয়ে যা লিখা আছে সেগুলো এখন খাটে না" কারন সেখানে যা লিখা আছে সব মুসলিম শাসকদের ক্ষেত্রে খাটে। এখন যারা আছে সব ত্বাগুত-কাফের। তাই হিদায়া, ফতোয়ায়ে হিন্দ সব বই বাদ। অগ্রহনযোগ্য, এখন খাটে না।
Keep watching.
২
একটা কথা লিখবো চিন্তা করেই ভাবলাম এটা বললে জবাব পড়বে : বীর একবারই মরে। কাপুরুষ মরে বার বার।
তাই শুধু জবাবটা কোট করে শান্ত থাকলাম।
৩
Keep watching.
১
শিক্ষা? অধিকার কেউ কাউকে সেধে দেয় না। এটা আদায় করে নিতে হয়। একটা দুধের শিশুও চিৎকার না করলে মা তাকে দুধ দেয় না। তাই ঘরে বসে থাকলে হবে না। আন্দোলন প্রতিবাদ করে নিজের অধিকার আদায় করে নিতে হবে।"
২
উপরের গুলো আমার কথা না। শোনা কথা। বহু বার। যারা আন্দোলন করে তাদের যুক্তি। পোষ্ট করলাম যুক্তি-পাল্টা যুক্তির অংশ হিসাবে।
এই ধরনের কথা আমাকে প্রভাবিত করে না। যুক্তি, পল্টা যুক্তি, পাল্টা-পাল্টা যুক্তি এতবার শুনেছি যে অন্তর এগুলো রেজিস্ট হয়ে গিয়েছে। হাজার বিপরিত মুখি যুক্তির মাঝে আমি কোনটা অনুসরন করবো সেটা ঠিক করে রেখেছি প্রথম এগুলো শোনার সময়। তাও বহু বছর আগে।
৩
তাহলে এর বিপরতি যুক্তি কি?
"তোমার অধিকার কি, এটা কে নির্ধারন করে দেবে? তুমি নিজে? তোমার বাড়ির পাশের চৌধুরি সাহেবের টাকায় তোমার অধিকার আছে না? কেউ খাবে তো কেউ খাবে না? সেই টাকা আদায় করবে না?
অধিকার নেই? যদি কেউ বলে আছে এবং তোমাকে ডাক দেয় সেই আধিকার আদায় করতে তখন কি করবে?"
মেনারস জাষ্টিস এগুলো যুগ যুগ ধরে শিখিয়ে এসেছে ধর্ম। সহজ কথায় আল্লাহ তায়ালা উনার হাজার নবী রসুলদের দিয়ে।
কবিদের কাছ থেকে এগুলো আমরা শিখি না।
অধিকার আদায় করতে গিয়ে মজলুম থেকে জালেম হয়ে যেতে বেশি সময় লাগে না।
৪
এর পাল্টা-পাল্টা যুক্তি আছে না? আছে! বলতে হবে?
১
কোটেশনটা দেখে কারন খুজে বের করলাম। Whatever. এ রকম কেইসে সব জায়গায় একটা কমন এলিমেন্ট দেখি। তা হলো চেতনা।
কওমি শিক্ষা কোনো মুক্তির সার্টিফিকেট না। কিন্তু চেতনা বিভ্রান্তির সার্টিফিকেট। Proven.
২
reddit এ যখন গালা-গালি ঝগড়া বেড়ে যায় তখন অনেকে বলে আগের শান্তির পরিবেশ পেতে ছোট সাবগ্রুপগুলো খুজে নাও। যেখানে মানুষ কম। সেগুলোতে সিভিল ডিসকাশন পাবে।
ভীড় বাড়লে হট্টগোলও বাড়ে। এটা পুরানো কথা। এক্সট্রাপোলেট করলে, হয়তো মুসলিমদের মাঝে বর্তমানকার ফিতনা-বিভ্রান্তি-অন্তর্দন্ধ আগের থেকে বেশি না। শুধু ফেসবুকে ভিড় বেড়ে গিয়েছে বলে, এখানে হট্টগোলও বেড়েছে। স্বাভাবিক সাইড ইফেক্ট।
Gone are the days যখন ফেসবুকে <...এখানে সুন্দর সুন্দর স্মৃতিচারন বসবে>
৩
আচ্ছা, এই সমস্ত অন্তর্দন্ধ থেকে নিজেকে বাচিয়ে এখন পথ চলার সহজ উপায় কি?
এর পর এপ্রোচ-টোন কিরকম হবে সেটা চিন্তা করে সময় ক্ষেপন হচ্ছে।
Defensive - কি করে নিজেকে বাচাবেন সে দিকে ফোকাস।
Detached - সব পক্ষের সব পয়েন্ট কোনো ইমোশন ছাড়া বর্ননা করে যাওয়া। মাজহাবগত পার্থক্য যে টোনে করেছিলাম।
Opinioned - কোনটা ঠিক মনে করি এবং কেন, সে দিকে ফোকাস।
এর পর কুফরি ফতোয়া আসতে 3 ... 2 ... 1 ... সেকেন্ড লাগবে। এবং এটা আমি এখানে লিখে দিলাম।
২
আর আমি কি বুঝি সেটা বাদ দিয়ে যদি "অমুকে বলেছে ঐ, তমুকে বলেছে সেই" বলি?
তকলিদ!
৩
যদি চুপ থাকি?
যখন কেউ জিজ্ঞাসা করবে "ভাই বলেন তো আল্লাহ কোথায়?" আমি যাই জবাব দেই না কেন কুফরি ফতোয়া খাওয়ার আশংকা আছে। "জানি না" "ভাবি না" এধরনের ইন্টিলেকচুয়াল জবাব দিলেও।
৪
"ভাই কথা বলার আগে আকিদার কিতাব পড়ে জেনে নিন। আপনাদের মত পাবলিকদের মনগড়া বানোয়াট কথার জন্য ইসলামের আজকে এই অবস্থা।"
ভালো কথা। ঐ কিতাব লিখকের তকলিদ কি তাতে হবে নাকি হবে না?
৫
জানা নেই।
সাঈদ আহমদ পালনপুরী সাহেব দেওবন্দের দাওরায়ে হাদিসের দরসে বলেন, মাওলানা সাদ কান্ধলভির আপত্তিকর বিষয়ে মাওলানা সালমান সাহেব যেসব দলিল দিয়েছেন, এগুলো অমুক অমুক তাফসিরে আছে। তার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। যখন থেকে দেওবন্দিয়ত শুরু হয়েছে তারপর থেকে কোনো আকাবির কি হজরত মুসা আ. এর শানে এমন কথা লিখেছেন?
তিনি বলেন, মাজাহিরে উলুমের শিক্ষাসচিব মাওলানা সালমান সাহেব তার গ্রন্থে যেসব সূত্র উল্লেখ করেছেন এর কোন ভিত্তি নেই।
মাওলানা সালমান ‘কুরুনে মুতাওসসেতা’য় রচিত তাফসিরের হাওলা দিয়েছেন৷ সে সময়ে তো বহু কিছুই লেখা হয়েছে৷
মাওলানা সালমানের কাছে দেওবন্দি আকাবিরদের কোনো তাফসিরের দলিল নেই৷ যে কোন জায়গা থেকে যে কোন দলিল পেলেই হলো? তাহলে আহমদ রেজা খানের কথা মেনে নাও! সেও তো এতো এতো হাওলা পেশ করে থাকে। তার কাছে তো ‘রাসুল গায়েব জানেন’ বিষয়ে বহু দলিল আছে! কিন্তু তাই বলে কি তার বক্তব্য সঠিক হয়ে গেছে?
এ জন্য বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে বুঝতে হবে। কুরুনে ছালাছাহ বা তিন উত্তম যুগের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে কুরআন ও হাদিসের যে পুরোপুরি বিশুদ্ধ ব্যাখ্যা এসেছে কেবল তাই দেওবন্দি উলামা গ্রহণ করে থাকেন। এর বাইরে কোন বড় ব্যক্তির কথাই দেওবন্দী উলামা গ্রহণ করেন না।
end quote.
২
এখন আমি রিয়েলি কনফিউজড কোন পক্ষ সালাফি ঘেষা আর কোন পক্ষ দেওবন্দ পন্থি সেটা নিয়ে।
অথবা কে জানে, শায়েখ আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে দেওবন্দ থেকে পড়ে এসে যে কারগুজারি শুনিয়েছেন সেগুলোই হয়তো ঠিক। জানা নেই।
৩
আচ্ছা ২ নং পয়েন্টে কি আমি প্রশ্ন তুলছি ...
৪
Offtopic, কিয়ামতের আগে ভুমিধ্বস ভুমিকম্প বেড়ে যাবে কেন জানেন? কারন পৃথিবীর ভেতরটা বাইরে চলে আসবে, আর বাইরের খোলস ভেতরে চলে যাবে। এ থেকে ফোরাত নদীর নিচে স্বর্নের পাহাড় বেরুবে, আর যেখানে সমূদ্র সেখানে মানুষ পরদিন দেখবে ডাংগা। পাহাড়ের জায়গায় সমূদ্র।
সব উলট পালট হয়ে যাওয়াটা কিয়ামতের আলামত।
কখনো মনে হয়: এই এটা হলেই সব হলো।
জীবন চলে এর পরও, ওটা না হলেও।
নিশ্চিৎ বলে কিছু বিশ্বাস করি।
দেখা যায় সেগুলো অত নিশ্চিৎ না।
যা পেলে আনন্দিত হবো মনে করি,
পেলে পেয়েছি, কিন্তু অত ভালো না।
যে কষ্ট মনে হয় সহ্য করার থেকে মাটি চাপা ভালো,
সেটা আসে, যায়। গায়ের সাথে লেগে থাকে না।
মনেও থাকে না।
এর পরও দাড়িয়ে থাকার উপায় নেই।
আমরা পথ চলি।
৬
৯৮ এ সম্ভবত শেষ আশারির পক্ষে মাত্র এক জনকে নেটের সোশাল মিডিয়াতে মাত্র একটা পোষ্ট দিতে দেখেছি। এর পর ১৫ বছর ধরে নেটে আথারি দর্শনের এক চেটিয়ে আধিপত্য ছিলো। আশারির পক্ষে কেউ নেই।
প্রচারনাগুলো মূলতঃ সীমিত ছিলো বিদেশে। বাংগালিরা তখনো নেটে আসে নি। এবং বাংগালি যারা আসতো, তারা বিদেশ থেকে আসতো, প্রবাসী। ১৩ সালের আগেও ফেসবুকে বাংগালি যে আলমগন ছিলেন প্রায় সবাই ছিলেন সৌদি থেকে শিক্ষিত। সৌদি থেকে বলছেন বা ডিগ্রি শেষ করে দেশে ফিরছেন এরকম।
উনারা আথারি মতাদর্শই প্রচার করতেন।
৭
কিতাবে আশারি - আথারির সংগা কি সেটায় না গিয়ে ময়দানে কিভাবে প্রচার হতো সে দিকে ফোকাস দিচ্ছি।
হাদিস : মরুভূমিতে এক মেয়েকে জিজ্ঞাসা করা হলো "বলোতো আল্লাহ কোথায়?" জবাব দিলো "আসমানে" রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন সে মুসলিম।
এই হাদিস দিয়ে প্রমান দেয়া হতো এই ব্যপারে স্পষ্ট করে বলতে হবে আল্লাহ তায়ালা সর্বত্র না বরং শুধু আসমানে আরশের উপর। স্পষ্ট করে এই সাক্ষ্য না দিলে সে কাফির। দলিল এই হাদিস।
৮
"যে বললো আমি জানি না আল্লাহ আসমানে নাকি জমিনে সে কাফির" এই উক্তি দিয়ে প্রমান করা হতো এই ব্যপারে যে অজ্ঞতা প্রকাশ করবে সেও কাফির। স্পষ্ট করে সাক্ষি দিতে হবে আল্লাহ তায়ালা শুধু আরশের উপর।
৯
কোরআন থেকে এর পক্ষে দলিল ছিলো কোরআন শরিফের ঐ আয়াতগুলো যেগুলোতে বলা আছে থুম্মাসতাওয়া আলাল আরশ। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা আরশে সমাসিন হলেন।
আর যেগুলোতে বলা আছে উনি মানুষের কাছে আছেন বা সাথে আছেন, সেগুলো? এই আয়াতগুলো উনাদের কাউকে উল্লেখ করা বা ব্যখ্যা করতে দেখি নি। আমার মনে হতো আমি যেন একাই এগুলো জানি। আর কোনো আলোচনা নেই।
কোরআন নিয়ে তর্কে রিলাকটেন্ট ছিলাম বলে আমি প্রশ্ন করতাম না।
১০
এর পর একদিন সাহস করে একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম, "ভাই তাহলে এই আয়াতের ব্যখ্যা কি করে করবেন?" বললেন এখানে বিশ্বাস করতে হবে "উনি উনার ইলম দ্বারা সর্বত্র আছেন।"
একটা ব্যখ্যা পেলাম। এর পর নিজের ভাবার বিষয়। ততক্ষনে ১০ বছর পার হয়ে গিয়েছে। এ দ্বন্ধ বাংলাদেশেও স্ট্রাইক করেছে।
#HabibAqida
hadithbd তেও একই কথা বলেছিলো। এর পর ভলেন্টাররা সোয়াবের আশায় ফ্রি কাজ করে দেবার পর, তারা ঘোষনা দেয় আমাদের অনুমতি ছাড়া এই টেক্সট আর কেউ ব্যবহার করতে পারবে না। মানে কাজের মালিকানা তারা নিজেদের কাছে রাখে।
১১
ছোটবেলা থেকেই আমাদেরকে শিখানো হয়েছিলো আল্লাহ তায়ালার সিফত নিয়ে চিন্তা করো, জাত নিয়ে না। কথাটা ৮ বছর বয়সে শুনলেও জাত আর সিফত কি সে পার্থক্য বুঝতে আরো বহু বছর লেগেছিলো। কিন্তু বুঝার পর থেকে এটাই মেনে এসেছি।
১২
আমরা মনুষরা থ্রি-ডাইমেনশেনাল স্পেইসে থাকি। ফোর ডাইমেনশনাল কেউ যদি আমাদের সামনে নিজেকে দেখা দেয় তবে তাকে একই সময়ে বহু জায়গায় দেখা যাবে, যদিও সে মানুষ একজন। ঐ যুগটা ছিলো স্ট্রিং-থিউরির স্বর্নযুগ, ডাইমেনশন বাড়তে বাড়তে তখন ১০ এ।
প্রশ্ন, আল্লাহ তায়ালা কত ডাইমেনশনাল জগতে আছেন?
এই ধরনের চিন্তা করা পাপ, নিষেধ। কারন এগুলো জাত নিয়ে চিন্তা, ফিজিক্যল এট্রিবিউটস। মনগড়া কথা। এমন বিষয়ে নিজের কথা বলা যে বিষয়ে আমার ইলম নেই। তাই চিন্তা করতে হয় উনার সিফত নিয়ে। গুনাবলী, উনার কত শক্তি, কত দয়ালু, কত বড়। এবং এগুলো বুঝতে হয় উনার সৃষ্টি দেখে। উনার আকৃতির কথা চিন্তা করে না।
এই পর্যন্ত all good.
১৩
কিন্তু আশারি-আথারি তর্কে যারা ময়দান কাপিয়ে ফেলছিলো তারা এই জাত-সিফতের পার্থক্যের বিষয়টি তুলছে না কেন? আমার মনে হতো তারা এখানে আল্লাহ তায়ালার জাত এর বিষয়ে তর্কে ব্যস্ত। যেটা আমাদেরকে আগে শেখানো হয়েছিলো নিষেধ।
কিন্তু তাদেরকে এই প্রশ্ন করতে পারতাম না। কারন "জাত-সিফত" শব্দগুলো উর্দু। এবং তারা সহি হাদিসের বাইরে কিছুতে আগ্রহি না।
নিজেকে প্রশ্ন : জাত নিয়ে চিন্তা করা যাবে না -- এই নিষেধাজ্ঞা কি হাদিস থেকে এসেছে?
১৪
এই দেশে জুম্মার আরবী খুতবার প্রথম খুতবার শেষ কথাটা সাধারনতঃ ইমাম সাহেব কোনো রেন্ডম হাদিস দিয়ে শেষ করেন। এক জুম্মায় ইমাম শেষ করলেন জাত-সিফতের উপর একটা হাদিস দিয়ে।
আরবী কথা শুনলে সেটা টাইপ করতে পারি। এখন জেনে নেটে সার্চ দিলাম হাদিসটা। কিছুটা ভিন্ন ভিন্ন শব্দে বহু কিতাবে এসেছে।
কংক্লুশন দেখলাম, হাদিসটা কিছু জয়িফ বর্ননায় এসেছে, কিছু ভালো বর্ননায় এসেছে। কিন্তু এর উপর আর আলোচনা টানা হয় নি। এর সাথে আথারি-আশারি তর্কের কি হবে সে আলোচনা নেই।
সবগুলো সাইট সালাফিদের কারন নেটে হানাফিদের উপস্থিতি তখন খুবই কম।
১৫
আহলে হাদিস ডট কম সাইটে [আরবী সাইট] এর সবগুলো রেওয়ায়েত উল্লেখ আছে। কিন্তু শায়েখ এর অর্থ ব্যখ্যা না দিয়ে বলেছেন ব্যখ্যা দিতে হলে আরো বড় কাউকে লাগবে।
http://www.ahlalhdeeth.com/vb/showthread.php?t=29855
এর কিছু হাদিস আমি অনুবাদের চেষ্টা করেছি এখানে। কিন্তু পরবর্তিতে শেষ করা হয় নি।
https://sanjir.com/4352/
উপরেরটা ২০০৫ সালের পোষ্ট। বহু রেওয়ায়েতের মাঝে কিছু রেওয়ায়েত জয়িফ সেগুলো মার্ক করা আছে। বাকি হাদিসের ব্যপারে আপত্তির তেমন নেই।
ইসলাম কিউ এ তে এই ব্যপারে কোনো উল্লেখ ছিলো না বহু বছর। এখন সার্চ দিয়ে দেখি প্রশ্ন উত্তর এসেছে গতবছর [২০১৭ তে]। কিন্তু ফিনিশিংয়ে আশারি-আথারি তর্কের কি হবে তার জবাব পাই নি।
https://islamqa.info/ar/260258
উপরের লিংক আরবীতে। এই প্রশ্নোত্তরের ইংরেজি অনুবাদ এখনো হয় নি।
#HabibAqida
১৬
এক সময় সিদ্ধান্ত নিলাম আমি আমার অবস্থান পরিবর্তন করবো। কোরআন শরিফে যেখনে বলা হয়েছে উনি প্রতিটা মানুষের সাথে আছেন সেখানে উনার ইলম দ্বারা বুঝিয়েছেন এবং এটাই এক মাত্র ব্যখ্যা।
কিন্তু নিজের অবস্থান পরিবর্তন করার আগে কনফার্ম হয়ে নিতে হয়। যাদের চাপে পড়ে আমি অবস্থান পরিবর্তনের কথা চিন্তা করছি তারাই দু'দিন পরে নতুন কোনো কথা নিয়ে আসবে না তো? বা তারা নিজেরাই আবার অবস্থান কি পরিবর্তন করবে কি? আমি তখন ফলস পজিশনে পড়ে যাবো। যেমন এর আগে তকলিক করা নিয়ে হয়েছে?
১৭
বুঝলাম নিজে বুঝে করতে হবে। আরেকজনের কথায় প্রভাবিত হয়ে বিশ্বাস পরিবর্তন করা যাবে না।
কোরআন শরিফ নিয়ে বসলাম। ঐ সময় পর্যন্ত যতটুকু কোরআন শরিফ মুখস্ত ছিলো তাতে কমপক্ষে ছয় জায়গায় আল্লাহ তায়ালা আরশের বাইরে অন্য কোথাও আছেন সেটা উল্লেখ আছে। সবগুলো আবার পড়ে দেখলাম। হ্যা। কেউ যদি ব্যখ্যা করতে চায় তবে বলতে পারে এই সব জায়গায় উনার জ্ঞানের কথা আলোচনার হয়েছে।
১৮
ডবল ব্লাইন্ড টেষ্ট বলে একটা কথা আছে।
খুশি হয়ে ধারনা করলাম বোধহয় ঘটনা আরম্ভ হয়ে গিয়েছে।
পরে শুনি, না সেটা না! পরিক্ষার প্রশ্ন ফাস ঠেকাতে অন টেস্ট সারা দেশে আধা ঘন্টা ইন্টারনেট বন্ধ। কালকেও নাকি দুই ঘন্টা বন্ধ থাকবে। টিভিতে বলছে।
Waiting for international media তে এটা খবর হিসাবে এসে হাসা হাসির জন্য।
Shall keep you updated
// and amused.
কে জানে? হয়তো তারা পার্ফেকশনিষ্ট ছিলো। তারা তাদের পারফেক্ট অবস্থানে দাড়িয়ে যখন অন্যদের ইমপার্ফেক্ট দেখতে থাকে তখন তারা অন্যদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরে।
Sheikh Abdullah al-Mutlaq, a member of the Council of Senior Scholars [of Saudi Arabia], said Muslim women should dress modestly, but abayas should not be a mandate.
“More than 90% of pious Muslim women in the Muslim world do not wear abayas,” al-Mutlaq said on his radio program Friday. “So we should not force people to wear abayas.”
তোমরা যারা মিশরের স্কালারদের এত দিন বলতে পথচ্যুত।
এটা এখনো আইন হয় নি। কিন্তু সিনেমা হল, স্টেডিয়ামের মত এই ঘোষনাটাও প্রথম ধাপ। আইন করার আগে পাবলিক রিএকশন যাচাই।
কিন্তু ওটা পড়ে আমি বুঝতে পারি এই পয়েন্টা নিয়েই আমাদের উলামারা সবচেয়ে বড় আপত্তি তুলবেন। তাই হয়েছে। এবং সেই ধাক্কায় এখন এটা বড় পয়েন্ট।
২
তবে আমি দেখতে পারছি সবচেয়ে বড় পয়েন্ট এটা না। সবচেয়ে বড় পয়েন্ট হলো কোরআন পড়িয়ে টাকা নেয়া যাবে কিনা সেই ফতোয়া। এখানে দুই পক্ষ খুবই স্ট্রিক্ট। এবং সাদ সাহেবেকে যদি বলা হয় এটা নিয়েও রুজু করেন, আমার সন্দেহ উনি করবেন কিনা।
৩
উনি যদি অবস্থান পরিবর্তন করেন তবে তো আর প্রশ্ন থাকে না। কিন্তু সেটা যদি না হয় তবে আমি নিজেও স্প্লিটেড কোন দিককে সমর্থন করবো। আজকে সকালে এই দিকে মন থাকে তো কালকে সন্ধায় অন্য দিকে।
জানি না।
৪
দুই পক্ষের যুক্তি মত জানি না, সেটা না।
সব জেনে কোন দিকে আমি কংক্লুশন টানবো সেটা জানি না।
যুক্তি মতগুলো কোট করছি না, কারন আমি এই ফিতনা ফেসবুকে ইন্ট্রোডিউস করতে চাচ্ছি না। সময় মতো এটা নিয়ে কেউ আসবে তখন দেখা যাবে।
৫
কোনো যুক্তিই নতুন না। সব আগে শোনা।
কিন্তু কোন জামানায় কোন যুক্তির ইন্টারপ্রিটেশন কি ভাবে করে কোনটা ঠিক বেঠিক বলা হবে সেটা মাঝে মাঝে বদলায়।
এজন্য খবর রাখতে হয়।
১৬
ব্যক্তিগত ভাবে আমার কাছে এই দন্ধ অর্থহীন। সবাইকে মুসলিম হিসাবে দেখি।
কেউ বললো "আল্লাহ আরশের উপর আছেন", তো ঠিক আছে।
কেউ বললো "সর্বত্র আছেন।", সে কি অর্থে বলেছে? স্বশরিরে আছেন বুঝিয়েছে? কে জানে, আমি জানি না! সে এমন কোনো কথা যোগ করে নি। কোনো ব্যখ্যা দেয় নি। আল্লাহ তায়ালাও বলেছেন উনি সব মানুষের কাছে আছেন, সংগে আছেন। কোনো ব্যখ্যা ছাড়াই। দুজনের কথা একই। তাই আমার এখানেও আপত্তি নেই।
কিন্তু অমি দেখতে পাচ্ছি আল্লাহ তায়ালা যখন এই কথা বলেন কোনো ব্যখ্যা ছাড়া তখন তারা এর অর্থ ধরছেন একরকম। উনি ইলম দ্বারা বুঝিয়েছেন।
এবং মানুষ যখন একই কথা বলে এবং কোনো ব্যখ্যা ছাড়া, তখন সেটার ব্যখ্যা তারা ধরছে ভিন্ন রকম। সে স্বশরিরে বুঝিয়ে বলেছে।
এর পর একই কথার দুই রকম ব্যখ্যা ধরে আমাকে ফোর্স করা হচ্ছে কিছু লোককে কাফের ঘোষনা দেবার জন্য।
যদি না দেই তবে আমি আশারি-মাতুরিদি। আমিও কাফের। যেহেতু স্পষ্ট করে আমাকে এই সাক্ষি দিতে হবে।
১৭
আশারি-মাতুরিদিরা জঘন্য। বাতেল কাফের। এটা আমি নেটে বহু বছর ধরে শুনতে থাকি। ২০১০ এর আগ পর্যন্তও আমি জানতাম না এরা কারা। ধারনা করতাম হয়তো মুতাজিলাদের মত আদি কোনো সম্প্রদায় হবে, যাদের অস্তিত্ব এখন আর নেই। কাল্পনিক দল।
২০১০ এর পর জানি হানাফি মাজহাবের সবাই আশারি মাতুরিদি।
কিন্তু "<এই এই> কথা যে বললো সে কাফের" এই দাবিকে কখনো সমর্থন দিতে পারি নি। চুপ থাকতাম।
১৮
কিন্তু চুপ থাকাটা বাচাতে পারতো না সব সময়।
"আপনি চুপ আছেন কিন্তু যদি আপনি অন্তরেও বিশ্বাস করেন <এই> তবে আমার দৃষ্টিতে আপনি কাফের।" -- একজনের কমেন্ট।
"আমি এই উপমহাদেশের দেশগুলোতে গিয়ে রাস্তায় অনেকে জিজ্ঞাসা করেছি বলেন তো আল্লাহ কোথায়? সবাই জবাব দিযেছে উনি সবজায়গায়। তাই সেই সব দেশের সবাই কাফের।" -- একজনের শায়েখের কথা।
তারা জিজ্ঞাসা করবে, আমাকে তাদের কথা স্পষ্ট করে সাক্ষ্য দিয়ে বলতে হবে। এখানে লুকোচুরি বা হিকমতের সাথে কিছু করার লক্ষন দেখা দিলে আমি তাদের কাছে কাফের।
এটা স্পষ্ট।
১৯
অবশেষে একদিন কোরআন শরিফ নিয়ে বসলাম। আজকে আমার আকিদা পরিবর্তন করবো।
যত জায়গায় আল্লাহ তায়ালা বলেছেন উনি আরশ ভিন্ন অন্য কোথাও আছেন, সব জায়গায় উনি ইলম দ্বারা বুঝিয়েছেন। ঠিক?
চেক করা আরম্ভ করলাম। আমার যতটুকু মুখস্ত ছিলো তারা মাঝে ৬-৭ জায়গায় ছিলো এমন আয়াত। এবং পড়ার সময় এই আয়াতগুলো অন্তরে স্ট্রাইক করতো অনেক বেশি। ওয়া ইদা সাআলুকা ইবাদি আন্নি ফা ইন্নি কারিব। এই অংশে এসে তিলওয়াতকারি আটকে না গিয়ে পারে না।
সব জায়গায় আল্লাহ তায়ালা বুঝিয়েছেন উনার ইলম দ্বারা?
বলা যায়। কিছু জায়গায় উনার ইলমের কথাই আলোচনা হচ্ছিলো তাই। অন্য জায়গাগুলোতে কেউ এরকম দাবি করলে অস্বিকার করার উপায় নেই।
২০
এর পর ডাবল ব্লাইন্ড টেষ্ট। সাইন্সে শিখেছি।
এরকম আশারি মাতুরিদিরাও কি দাবি করতে পারে যেখানে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন উনি আরশের উপর আছেন তখন <এই> দ্বারা বুঝিয়েছেন?
<এই> এর জায়গায় কিছু বসানোর স্কোপ আছে? পড়তে থাকলাম। পেলাম। সব জায়গায় উনি উনার শক্তির কথা বলেছেন। কিভাবে উনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। কি করে উনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। উনার ক্ষমতার কথা, শক্তির কথা।
এগুলো কোনোটাই নতুন না। চাইলে যে কোনো কথা এনেই বলা যায় আমার এই দাবি কোরআন শরিফ দ্বারা স্বিকৃত। বক্রদের বক্রতা এটা বৃদ্ধি করে আর যে সরল চায় তাকে এটা সরল পথ দেখায়।
নিজেকে প্রশ্ন : আমার অন্তর কি বক্র হয়ে আছে? নাকি আমি সরল পথে?
#HabibAqida
২১
আশারি আর আথারির পার্থক্য এর পর আমার কাছে শুধু যারা বলে আল্লাহ তায়াল সর্বত্র আছেন তাদের কাফের বলবো নাকি বলবো না -- এতটুকুতে এসে দাড়ায়।
উনি ফিজিক্যলি কোথায় আছেন সেটা নিয়ে আমি চিন্তা করি না কারন উনার জাত নিয়ে চিন্তা করার নিষেধাজ্ঞার হাদিসগুলো। চিন্তা করা নিষেধ মানে গবেষনা করাও নিষেধ। তর্কে নামা হবে এর উপর আমার ধ্বংশের কারন।
কিছু দিন পর আল্লাহ সামনে দাড়িয়ে আমি এই কাজের জবাব দিতে পারবো না।
২২
এক্সপ্লিসিটলি যদি আমি সর্বত্র-পন্থিদের কাফের-বাতেল না বলি তবে শুধু "আরশের উপর আছেন" এই সাক্ষি আমাকে সালাফিদের চোখে মু'মিন করে না। করে ছুপা, দুই নৌকায় পা, জ্বি হুজুর টাইপের মানুষ, যে দুই পক্ষকে রাজি করার চেষ্টা করছে।
হয় আশারিদের কাফের-বাতেল বলতে হবে, নয় আমি আশারি।
চয়েসের সময়।
২৩
জানা নেই। ভাবি না।
২
খবর: চার জনকে ফাসি দিয়েছে, এবং বাসটা ভিকটিমের ফেমিলিকে উপহার দিয়েছে আদালত।
কিন্তু বাসটাতো চালকের বা হেল্পারের না। বাসের মালিকের দোষ কি ছিলো?
জানা নেই। ভাবি না।
৩
ঘরের পাশে রাতে একজন পা-বিহিন ফকির বসে ভিক্ষা করে।
ভিকটিম? ১০-২০ করে টাকা দিতাম।
প্রায় রাতে সে সিগারেট খায়।
হয়তো অতবেশি অভাবি না।
এখন আর দেই না।
৪
মহিলাটার স্বামি নেই। মাদ্রাসা পড়ুয়া পাচ মেয়ে নিয়ে প্রচন্ড অভাবে আছে।
বাসায় কাজ দেয়ার পর দেখা গেলো চুরি করে।
বার বার বুঝানো হলো: চেয়ে নিয়ো।
পরিবর্তন নেই।
রাখবো নাকি বিদায় করবো?
৫
কে ভিকটিম আর কে ভিকটিম না এটা একসময় murky. হয়ে যায়।
যাদেরকে যত ভালো মনে করি, পরে দেখা যায় তারা অত ভালো না।
যাদেরকে যত খারাপ মনে করি, পরে দেখা যায় তারা অত খারাপ না।
সমস্যা হলো এই লাইনে ডিগ্রী না থাকলে হয় না।
আমার বয়স থাকলে এখন পিএইচডির জন্য ঢুকে যেতাম। কিন্তু সমস্যা হলো আমার চাকরির বয়স আছে আর মাত্র ১০ বছর। এর ৫ বছরে যদি পিএইচডি করি তবে চাকরি করবো কখন?
উত্তর : জানা নেই।
তবে দ্বিতীয় মত, তৃতীয় মত নিয়ে এটা আবার ভেরিফাই করে নিতে হবে। কারন আগে যা জানতাম তার সাথে মিলে না।
The classic chicken and egg problem. চাকরি নেই কারন সবাই এক্সপেরিয়েন্স চায়।
https://medium.com/@melissamcewen/who-killed-the-junior-developer-33e9da2dc58c
Only hire when you feel you’re completely desperate for the role
Hire to keep up with growth, not to generate it
Don’t hire someone to do something you’ve not yet figured out
if you feel uncertain if you need to hire a particular role, it’s probably too early.
Your gut often knows you need to fire someone long before you rationally accept and perform it, and it’s always difficult.
https://medium.com/sketchdeck-developer-blog/what-i-wish-i-knew-when-i-became-cto-fdc934b790e3
১
আগে,
তারা রাস্তায় রাস্তায় পসরা নিয়ে ঘুরে। আর ডাক শুনে মহিলারা ডেকে ঘরের গেটের কাছে নিয়ে জিনিস যাচাই করে দামাদামি করে। পর্দানশীলরা বাচ্চাদের মিডিয়া হিসাবে ব্যবহার করে।
২
এখন,
পসরা নিয়ে হকাররা এখনো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে। কিন্তু হাক দেয় না। অনলাইনে অর্ডার দেয়া আছে, তারা শুধু ডিস্ট্রিবিউটর।
মহিলারা দামাদামি করে না। লাভের গুড় খায় দারাজ-পিকাবু।
৩
ঢাকার একজন রিকশাওয়ালা দিনে ১ হাজার টাকা কামায়। এই ডিস্ট্রিবিউরদের প্রতিদিনের কামাই কত? এর অর্ধেকও না। কিন্তু এতে সম্মান আছে। রিকশাচালনায় সম্মান নেই।
এই লাভের গুড় সেন্ট্রাল কম্পানিতে যাওয়ার চল বাড়তে থাকবে টেকনলজি যত এগুতে থাকবে তত। সেন্ট্রাল কম্পানি সব নিয়ন্ত্রন করে। বাকি সবাই এর pawn.
৪
মেট্রিক্স, কেলকুলাস, স্টেটিসটিকস এগুলো এক যুগে ছিলো থিউরিটিক্যল জ্ঞান। প্রেকটিক্যলি যার প্রায় কোনো ব্যবহার নেই। নিজে শিখে অন্যকে শিখানোকে পেশা হিসাবে চালানো যায়। বাংলা ব্যাকরনের মত।
এখন এগুলো ছাড়া বাকি সব চাকরির বাজার সংকুচিত হয়ে আসছে।
৫
টেকনলজি আসে, টেকনলজি যায়।
সমাজ পরিবর্তিত হয়।
আমাদের এডপ্ট করে নিতে হয়।
২১
আমার মত ভুল হতে পারে। এবং আমি বুঝতেও পারবো না যে ভুল। কিন্তু অধিকাংশের মত কি? অধিকাংশ মুসলিমরা কোন দিকে?
ইতি মধ্যে শায়েখ মতিউর রহমান মাদানি উনার ভিডিওগুলো ইউটুবে আপলোড করা আরম্ভ করছেন ২০১০ এর দিকে। এবং এগুলোতে উনি বলছেন এই উপমহাদেশের দেওবন্দি আলেমগন সবাই বাতেল, ভুল শিক্ষা দেন, বিপথগামী। কারন তারা কুফরি আশারি আকিদায় বিশ্বাসি।
বাংগালি যুবকরা এর পাচ বছর পরে এসে কমেন্ট করে যাচ্ছিলো "উপমহাদেশের কিছু আলেমরাই শুধু আশারি-মাতুরিদি। অন্য জায়গার হানাফিরাও আশারি না।"
তবে Exaggeration ফেসবুকে নতুন না। অভিজ্ঞতা আছে এ দৃশ্য দেখার যে ইচ্ছাকৃত কেউ ফেসবুকে ভুল তথ্য দিচ্ছে কারন তাদের দাবি, "এতে শেষ পর্যন্ত মানুষ হকের উপর আসবে"।
সাবধানে পা ফেলতে হয়।
২২
তবে মুসলিমদের কত পার্সেন্ট আশারি? প্রথম প্রশ্ন হানাফিদের মাঝে আশারি যারা না তাদের শিক্ষা কি?
এদের পাওয়ার প্রথম উপায় ধারনা করলাম ইসলাম-কিউএর হানাফি সাব-সেকশন হবে। কারন আমার বিশ্বাস ছিলো হানাফিদের মাঝে নন-আশারিকেই তারা আনবে। যেহেতু এটা তাদের কাছে ঈমান আর কুফর এর মাঝে পার্থক্য।
সাইটে ঢু মারলাম। এবং অবাক হয়ে দেখলাম হানাফি সেকশনে সবাই আশারি-মাতুরিদি। এবং সেই আলেমগন ধুমিয়ে ধোলাই করেছে আথারিদের।
বুঝলাম "শুধুমাত্র এই উপমহাদেশের কিছু লোক আশারি এবং বাকি দুনিয়ার সব আথারি", এটা ভুল তথ্য।
২৩
অন্যান্য মাজহাবে? শাফি মাজহাবের অনুসারিরা সুফিবাদের অনুসারক হানাফিদের থেকেও বেশি। তাদের মত কি? এরা যদি আশারি না হয় তবে বুঝবো শুধু হানাফিরাই আশারি। আর কেউ না।
খুজলাম। পেলাম শাফিরাও সবাই আশারি। সংগে তাদের সব বড় বড় ইমামদের নাম আশারিদের লিষ্টে।
২৪
শেষে মালিকি। লাষ্ট রিসোর্ট হিসাবে আমি মালিকি মত দেখি কারন তারা দুনিয়ার উল্টো প্রান্তে আফ্রিকায় থাকে। তাই হানাফিদের দ্বারা প্রাভাবিত হবার আশংকা মুক্ত। এরা আথারি হলে ধরে নেবো উম্মাহ ৫০-৫০% এ বিভক্ত।
খুজলাম। পেলাম। মালিকিরা সবাই আশারি। এটা ছিলো আমার কাছে শকিং!
লিংকগুলো এই পোষ্টে শেয়ার করেছিলাম।
https://www.facebook.com/habib.dhaka/posts/10154580333313176
২৫
এখন প্রশ্ন দাড়ালো আশারি না কারা? পেলাম হাম্বলিদের কিছু অংশও আশারি।
তাই তিন মাজহাব + হাম্বলিদের কিয়দাংশ আশারি।
সালাফি + হাম্বলিদের বাকি ও মূল অংশ আথারি।
আমার হিসাবে মুসলিমদের ৯০% আশারি।
বাকি ১০% আথারি।
#HabibAqida
Saudis celebrated Valentine’s Day and its message of love and peace in the absence of religious police after a fatwa permitting the celebrations was circulated via Twitter.
আলোচিত ফতোয়ার লিংক [আরবীতে]
الغامدي: عيد الحب مناسبة اجتماعية.. ولا حرج شرعاً
https://www.alarabiya.net/ar/saudi-today/2018/02/14/%D8%A7%D9%84%D8%BA%D8%A7%D9%85%D8%AF%D9%8A-%D8%B9%D9%8A%D8%AF-%D8%A7%D9%84%D8%AD%D8%A8-%D9%85%D9%86%D8%A7%D8%B3%D8%A8%D8%A9-%D8%A7%D8%AC%D8%AA%D9%85%D8%A7%D8%B9%D9%8A%D8%A9-%D9%88%D9%84%D8%A7-%D8%AD%D8%B1%D8%AC-%D8%B4%D8%B1%D8%B9%D8%A7.html
যারা আরবী পারেন না, তারা ইংরেজি আর্টিক্যলে অনেক gem পাবেন।
http://www.arabnews.com/node/1246766/saudi-arabia
Just keep watching.
http://www.arabnews.com/node/1246766/saudi-arabia
Keep watching.
আশা করছি, ইনশাল্লাহ আর দশ দিনের মাঝে next move জানা যাবে।
These are uncertain times.
এর পর ঘটনা কোন দিকে যাবে এটা সরকারের স্বিদ্ধান্ত।
২
কাকরাইলের পর্চা ও সাক্ষরকে যারা পথের দিশা মনে করতেন, তাদের এখন স্বভাবতই প্রশ্ন আসার কথা, কাকরাইল বলতে তারা এতদিন কাকে বুঝাতেন? কে সই দিতো?
৩
গনতন্ত্রের এখন আর কোনো প্রেমিক নেই। কাউকে evil প্রমান করার জন্য তার মুখে গনতন্ত্রের ট্যগ লাগিয়ে দেয়া যথেষ্ট।
Trend.
এখন,
ঢাকা-কুমিল্লা পথে ব্রিজের গোড়ায় কয়েক ঘন্টা সময় লাগে।
হকাররা সেই সুযোগে "হেই ডিম", "হেই খিরাই"।
এর উপর আমার ওয়াইফের লিটারেল হুমকি, "সাধু সেজে থাকো? দাড়াও তোমার মুখোশ আজকে আমি খুলে দেবো ..."
এর উপর তৃতীয় মাত্রা : আমার মুখোশ উন্মোচনের জন্য অতি উৎসাহী ফেসবুকের একাধিক একটিভিষ্ট গ্রুপস।
এরকম ত্রিবিধ কষ্টের মাঝে এই আর্টিক্যলটা পড়ে একটু স্বান্তনা পেলাম।
বুঝলাম মুখোশ সমস্যা আমার একার না,
এটা এখন গ্লোবাল এপিডেমিক। :V
বিয়ের সময় ছেলের দেখা হয় ওয়েলথ।
মেয়ের দেখা হয় বিউটি।
এর মাঝে আরো অনেক কিছু ইন্ট্রোডিউস করতে পারেন। যেমন দ্বিনদ্বারি, ফেমিলি, স্বভাব etc. কোনো সমস্যা হবে না।
কিন্তু সমস্যা হবে যখন উপরের ট্রেডিশনাল রুলটা পুরো উল্টে ফেলা হয়,
ছেলের সৌন্দর্য দেখা হয় বা মেয়ের বাপের টাকা।
তখন সম্পর্কটা আনব্যলেন্সড হয়ে যায়।
বিয়ের পরে ঐ বন্ডিংটা হয় না যেটা জেনারেলি হয়।
১
প্রথম আলুর প্রতিবেদন। "পড়া দিতে না পারায় বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শোলক ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রকে (১২) বিদ্যালয়ের দেয়ালে মাথা ঠুকিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। "
খুশি হয়ে গেলাম। মানুষ বলে ছাত্র পিটানিকে গ্লোরিফাইড কাজে পরিনত করা শুধু আমাদের মাদ্রাসাগুলোর কাজ। এখন স্কুলেও একই অবস্থা। তাহলে এটা আমাদের জাতীয় সমস্যা, মাদ্রাসাগুলোর আলাদা কোনো দোষ নেই।
এর পর কন্টিনিউ করলাম, "...এ অভিযোগ পাওয়া গেছে বিদ্যালয়ের ইসলাম ধর্মের শিক্ষক এর বিরুদ্ধে।... হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।"
ও আচ্ছা।
তবে খবরটা আমাকে চেপে যেতে হবে। ঘুরে ফিরে ঐ একই দিকে আংগুল যেহেতু।
২
শিক্ষকের কোনো ব্যবস্থা হবে? না বাপ-মা চেপে যাবে। স্যারে পিটাবে না তো কে পিটাবে? বাপ-মা বলবে "একটু বেশি পিটিয়ে ফেলেছে। এমন করা উচিৎ হয় নি। সবই কপাল।"
৩
কারো বৌ পরকিয়া করে ধরা খাবার পর যখন পড়ি ... "বৌকে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করে, বিরত রাখার জন্য চেষ্টা করে ..." তখন ঐ স্বামিকে 'দাইউস' ধরে নেই।
তবে নিজের সন্তানকে স্যার পিটিয়ে আহত করে ফেললে যারা "স্যারকে বুঝানোর" চেষ্টা করে তাদের জন্য আমি কোনো টার্ম ব্যবহার করি না।
৪
আমার দোষ, take it lightly.
২
এরকম ওজু ছাড়া কোরআন শরিফ [আরবরা যাকে বলে মুসহাফ] স্পর্শ করা যাবে না।
কিন্তু ধর্মিয় বাংলা বই, এর মাঝে মাঝে কোরআন শরিফের আয়াত আছে, সেগুলো?
এই বিষয়ে এই মাসলায় কিছু উল্লেখ করা হয় নি, তাই আমিও কিছু বললাম না।
জেনে নিবেন।
১
অরিজিনাল খবরের লিংক ও খবর।
https://www.alarabiya.net/ar/saudi-today/2018/02/14/%D8%A7%D9%84%D8%BA%D8%A7%D9%85%D8%AF%D9%8A-%D8%B9%D9%8A%D8%AF-%D8%A7%D9%84%D8%AD%D8%A8-%D9%85%D9%86%D8%A7%D8%B3%D8%A8%D8%A9-%D8%A7%D8%AC%D8%AA%D9%85%D8%A7%D8%B9%D9%8A%D8%A9-%D9%88%D9%84%D8%A7-%D8%AD%D8%B1%D8%AC-%D8%B4%D8%B1%D8%B9%D8%A7.html
এই নিউজের টাইটাল:
الغامدي: عيد الحب مناسبة اجتماعية.. ولا حرج شرعاً
^ উপরের আরবি টাইটালের অনুবাদ
আল-গামাদি : "ঈদুল হুব্বু পালন ঠিক আছে, শরিয়তে নিষেধ নেই।"
বা এর কাছা কাছি কিছু। আমি আলেম না।
আর এই টার্মটার আরো খবর পোষ্ট পাবেন টুইটারে "ঈদুল হুব্বু" হ্যশট্যগে।
https://twitter.com/hashtag/%D8%B9%D9%8A%D8%AF_%D8%A7%D9%84%D8%AD%D8%A8?src=hash
২
বিপরিত যুক্তি:
"এখানে ঈদ বলতে আনন্দ বুঝিয়েছেন, শরিয়ার ঈদ না। এবং শায়েখ এখনে ক্লিয়ার করে কথাটা বলে দিযেছেন। এর পরও আপনাদের চুলকায় কেন জানি না।"
^ এই ধরনের।
৩
তবে শায়েখ আল গামাদি এর আগেও বেশ "সাহসী ভুমিকা" নিয়েছিলেন পর্দা নিয়ে। "তাই উনি আগে থেকেই বিতর্কিত, সৌদির মূলধারার আলেম না।"
Well ঠিক। কিন্তু দুই বছর আগে যারা বিচ্ছিন্ন মতাবলম্বি ছিলেন তাদেরকে এখন সৌদি সরকার মেইনস্টিমে নিয়ে এসে হাইলাইট করে পেপারে টিভিতে লিড নিউজ করছে, এটা বড় খবর।
"ঈদুল হুব্ব" নামে নতুন একটা টার্ম পেয়েছি বলে এটা আমার কাছে আরেকটা ছোট খবর।
৪
"আমি নিজে তাদের থেকে বেশি সাধু না"
"আলেমরা দেখবেন"
"যুক্তি আছে"
...
"whatever."
^ উপরের অক্ষরের জন্য যাদের আইফোন আছে তাদের ফোনএই স্টেটাস খুলা মাত্রই ক্রাশ করতে পারে।
প্রেংক করার জন্য অক্ষরটা এটা কপি পেষ্ট করে আপনার আই ফোন শো অফ করা বন্ধুর কাছে যে কোনো মেসেঞ্জার দিয়ে পাঠিয়ে দিয়ে দেখতে পারেন।
ডিটেল নিউজ গুগুল করলে পাবেন।
1
Forgive but not forget.
2
মু'মিন কখনো এক গর্তে দুইবার দংশিত হয় না - হাদিস।
3
এত ছোট হইও না যে, ছাগলে খেয়ে ফেলে, এত কঠোর হও না যে ... - লোকমান হাকিম।
আর দ্বিতীয় হলো সে ঈমান হারিয়ে ফেলেছে কোনো কারনে এবং আল্লাহর কথা যা উনি রাসুলুল্লাহ ﷺ এর উপর নাজিল করেছেন তার উপর সন্দেহে পড়ে গিয়েছে। এরা সামাজিক চাপে কখনো নামাজ পড়লেও ওজু ছাড়া পড়ে।
আমার ছোটবেলায় ১ম টাইপের বে-নামাজী বেশি ছিলো।
এখন দ্বিতীয় টাইপের বেশি, যারা বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে।
আল্লাহ তায়ালা আমাকে এবং এই উম্মাহকে আসন্ন ফিতনা থেকে হিফাজত করুন।
দুজনে ঝগড়া।
দুজনই ভদ্র ফেমিলির, তাই মুখোমুখি ঝগড়া করে না।
বরং ফেসবুকে স্টেটাস লিখে মনের দুঃখ প্রকাশ করে।
HUSBAND:
The rain makes all things beautiful.
The grass and flowers too.
If rain makes all things beautiful
Why doesn't it rain on you?
WIFE:
Roses are red; Violets are blue
Monkeys like you should be kept in zoo.
Don't feel so angry you will find me there too
Not in cage but laughing at you!!
২৬
কোরআনের কথাগুলো লিটারেল নাকি মেটাফরিক? এটা নিয়ে আমাকে সমস্যায় পড়তে হয় নি। অধিকাংশ লিটারেল। যেখানে মেটাফরিক বলা হয়েছে বা স্পষ্টতই মনে হয়, সেখানে মেটাফরিক।
"কা মাথালি সাফওয়ানিন আলাইহি তুরাবুন" ... মেটাফরিক। আল্লাহ তায়ালা বলে দিয়েছেন।
২৭
এর পর দেখলাম সেই দল এই সাক্ষি চাচ্ছে যে,
১। আল্লাহ তায়ালা আরশের উপর আছেন, এটা আমাকে লিটারেল ধরতে হবে।
২। কিন্তু, উনি সব মানুষের সাথে আছেন এটাকে বলতে হবে মেটাফরিক, মানে ইলমের দ্বারা।
৩। এর পর আমাকে স্বিকার করতে হবে কোরআনে মেটাফরিক বলে কিছু নেই।
মনে হলো জোর করে কেউ কিছু মিলানোর চেষ্টা করছে।
স্পষ্টতই নিজের ব্যখ্যা নিয়ে কেউ সমস্যায় আছে।
২৮
তবে চ্যলেঞ্জ করার উপায় নেই, বলবে "সুক্ষ্ম বিষয়" আলেম ছাড়া বুঝবে না। অথবা ওয়ার্ড প্লে, "ইলম দ্বারা বুঝিয়েছেন, এখানে মেটাফরিক কোথায় পেলেন? মেটাফরিক এর অর্থ জেনে এর পর আসবেন।"
২৯
আমার কাছে স্থুল বিষয় হতো যদি
১। দুটোকেই লিটারেল ধরা হতো, বা
২। দুটোকেই মেটাফরিক।
অথবা একটাকে লিটারেল ধরে অন্যটাকে মেটাফরিক বলেও যদি বলা হয়, "এটাই আমাদের ব্যখ্যা। আমদের উলামাগন বলে গিয়েছেন।" তবুও আপত্তির কিছু দেখি না।
ট্রাবলসাম হলো এর পর তৃতীয় পয়েন্টটা জুড়ে দেয়া "আমাদের ব্যখ্যাই একমাত্র সঠিক ব্যখ্যা, কারন কোরআন শরিফে মেটাফরিক কিছু নেই।"
কি জানি! যখন "ইলম দ্বারা" বলছেন তখনই আমি দেখতে পারছি তারা মেটাফরিক ব্যখ্যা করছেন কিন্তু মেটাফরিক নাম না দিয়ে। বাকি সব এই কন্ট্রাডিকশনটা ঢাকার চেষ্টা। আমার দৃষ্টিতে।
৩০
তবে সেল্ফ কন্ট্রাডিকশন আমার কাছে বাতিল হবার কোনো দলিল না। কে জানে হয়তো এখানে আমার বোধের সিমাবদ্ধতা আছে। বা দুটো কথার কনটেক্সট ভিন্ন।
কিন্তু যখন আমি দেখি, কন্ট্রাডিকটরি একটা কথাকে যুক্তি ধরে, ১০% আলেম বাকি ৯০% আলেমদের বাতেল-কুফর ফতোয়া দিচ্ছেন। এবং আমাকে এর মাঝে কোনো মিডেল গ্রাউন্ড নিতে দিচ্ছে না। হয় স্পষ্টই ঐ দলকে বাতেল ঘোষনা দিয়ে এই দলে যোগ দিতে হবে, নচেৎ আমিও ঐ দলের পক্ষে এবং বাতেল-কাফের, তখন পক্ষ নিতে হয়।
এবং ৯০% এর পক্ষে।
#HabibAqida
৩১
আকিদার ব্যপারে একটা জিনিস দেখে আসছি যে এর ১০% আমার অন্তরের বিশ্বাসের সাথে জড়িত। আর এর ৯০% জড়িত আমি কি শব্দ ব্যবহার করলাম এর সাথে।
এটা আন্ডারস্টেন্ড্যব্যল। কারন আমার অন্তরের বিশ্বাস অন্য কেউ জানে না। বিশ্বাসের প্রকাশ হলো কথায়।
এর পর কথা থেকে ধাপে ধাপে আসে ওয়ার্ড প্লে। কোন শব্দের কি অর্থ সেটা নিয়ে তর্ক। কোথায় কোন শব্দ ব্যবহার করা যাবে বা যাবে না, এগুলো নিয়ে।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে শেষে গিয়ে স্টিক করা হয় কোরআনের আরবী শব্দটার সাথে, "এর কোনো অনুবাদ হয় না, এর অর্থ এটাই।"
৩২
আচ্ছা, জাত আর সিফত অর্থ কি? অল্প বয়স্ক কেউ যদি এটা "জানার জন্য" জিজ্ঞাসা করে, আর আপনি তাকে বুঝানোর মত করে ব্যখ্যা দেন। এর পর আপনার ঐ ব্যখ্যার কথাগুলো যদি কেউ ফেসবুকে পোষ্ট করে দেয়, তবে বড় সম্ভবনা আছে আপনি কুফরি ফতোয়া খাবেন।
আর নিজের গা বাচিয়ে পলিটিক্যলি কারেক্ট শব্দ শুধু ব্যবহার করে যদি উত্তর দেন। তবে ঐ বাচ্চা কিছু বুঝবে না, আপনি কথা লম্বা করতে থাকবেন।
তবে ঐ ছোট বাচ্চা শিখবে কি করে? তার এগুলো বুঝার দরকার নেই? কিন্তু এতদিন যে বলা হলো "এ সব ব্যপারে কেউ যদি নিজের অজ্ঞতা প্রাকাশ করে তবে সেও কাফের?"
৩৪
এক স্টেটাসের নিচে এক ভাইয়ের কমেন্ট : "আল্লাহ তায়ালা উনার জাত দিয়ে আরশের উপর আছেন, এবং উনার সিফত দিয়ে উনি সর্বত্র আছেন এটা বিশ্বাস করতে হবে।"
এর নিচে একজন আলেমের উত্তর : "জাত আর সিফতের মাঝে পার্থক্য এই দেশের কয়জন বুঝে? আর না বুঝলে সে কাফের?"
৩৫
এর কোনোটাই আমার কাছে নতুন না। এর আগে "দ্বীন অর্থ ধর্ম না", "সালাত কায়েম বলতে নামাজ পড়া বুঝায় না" এরকম আরো অনেক "সুক্ষ্ম বিষয়" আমরা পার করে এসেছি ৮০ এর দিকে। এবং অন্ধ ভাবে সেগুলো মেনে নিয়েছি, এটা তকলিদ। কিন্তু সেই তর্কগুলো এখন আর নেই। নতুন তর্ক এর জায়গায় স্থান নিয়েছে।
তাই এগুলো শুধু বই পড়ে জানা যায় না। আপনাকে সোশিয়াল এটমসফেয়ারের দিকে তাকাতে হবে। বর্তমানে আপনার আশে পাশের সমাজ কোন শব্দটায় অফেন্ডেড হচ্ছে। আপনার কোন কথার তারা কি অর্থ ধরছে। এবং কিসের উপর কাকে তাকফির করছে। এসব জানতে হবে।
এর পর সাবধানে পা ফেলতে হবে।
#HabibAqida
অনেক প্রশ্ন করতো,
: আচ্ছা প্রোগ্রামিং শিখতে হলে নাকি অংকে খুব ভালো হতে হয়?
জবাব দিতাম,
: ভুল ধারনা। শুধু যোগ বিয়োগ পুরন ভাগ পারলেই হয়। যেটা সবাই পারে।
: আমার একটা কম্পিউটার আছে শুধু গেইম খেলি। প্রোগ্রামিং করতে হলে এটায় হবে না, অনেক হাই পাওয়ারের কম্পিউটার লাগবে, ঠিক?
: না ভুল। বরং গেইম খেলতে সবচেয়ে হাই পাওয়ার লাগে। যে কম্পিউটারে টাইপ করতে পারবেন, সেটায় প্রোগ্রামিংও করতে পারবেন।
2018s:
এখন,
: প্রোগ্রামার হতে হলে কি শিখতে হবে?
: স্টেটিসটিকস, মেট্রিক্স, কেলকুলাস, জিওমেট্রি, ট্রিগোনোমেট্রি...
: আমার লেপটপে নিউরাল নেটওয়ার্ক, মেশিন লার্নিং শিখতে পারবো না?
: না। অনেক হাই পাওয়ারের কম্পিউটার লাগবে। এই সবে হবে না।
#HabibTrend
quotes:
If you get into a car accident you'll be able to pull out your smartphone, take a photo, and file an insurance claim with an AI system.
... In March this year, the chatbot system surpassed human performance in terms of customer satisfaction.
... Ant uses advanced machine-learning algorithms and custom programmable chips to crunch huge quantities of user data in a few seconds, to determine whether to grant a customer a loan, for instance.
এর পর ডিসেম্বর আসলে বলতাম: "পরিস্থিতির কারনে ফেব্রুয়ারিতে অবসর নেবো।"
ফেব্রুয়ারিতে : "যখন অবসর নেয়ার সময় হবে তখন নেবো। এটা আগে থেকে বলার উপায় নেই।"
ভাগ্যিস আমি মন্ত্রী না।
#HabibRant
https://sanjir.com/6262/
কিন্তু শেষের দিকে টোন কঠিন হয়ে আসছে, তাই একটা ব্রেক না দিয়ে কন্টিনিউ করা উচিৎ মনে করছি না।
এর পর কি? চিন্তা করছি,
১/ শাতিম, অথবা
২/ গনতন্ত্র
১। ইজরাইলের বিরুদ্ধে মাহদি যুদ্ধ করবে, এমন কথা হাদিসে নেই। কিন্তু সুফিয়ানির বিরুদ্ধে করবে এটা আছে।
২। আমেরিকার কোনো কথা নেই। রাশিয়ার কথা আছে।
৩। তুরষ্কের বিরুদ্ধে মুসলিমদের যুদ্ধের কথা আছে। কিন্তু তুরষ্ক মুসলিমদের দখলে এখন।
এগুলো কি করে সলভ হয় এটা দেখার ব্যপার।
এর আগে সবই হাইপোথিসিস।
কিন্তু পার্থক্য কি ছিলো, সেটা আমি আজো জানি না।
২
তবে তারা জানতো। তাদের রেগুলার "হালাকা" বসতো। বর্তমানের PDF এর বদলে তাদের ছিলো রাশিয়া থেকে ছাপানো বাংলা বই। "অ আ ক খ পুজিবাদ কি?" আমাদের ভাইয়েরা এখন যেমন পড়ে "গনতন্ত্র কি?"
৩
তাদের স্বপ্ন ছিলো বিপ্লব। এই সব আন্দোলন করে সমাজে পরিবর্তন আসে না। সব ভেঙ্গে নতুন করে গড়তে হবে। "সামন্তবাদী বর্জুয়া" ছিলো তাদের ভিলেন। এখন যেটা রিপ্লেস করেছে তাগুত্ব দিয়ে।
৪
আমার কাছে এই দু দলের ইমোশন একই লাগে। তাদের নিজেদের পাম্পড আপ রাখার প্রচেষ্টা। সমাজ বিরোধি ঘৃনা। সে রকম টার্মোলজি। সেগুলো দিয়ে নবিনদের এক্সইটেড রাখা।
৫
ছেলেরা এইসব দলে ঢুকে নিজেদের একটা আলাদা আইডেন্টিটি খুজে পেতো।
একটা পারপাজ, যার জন্য জীবন দিতে হয়।
১
কোনো একটা নিদর্শনের কথা কোনো হাদিসে আছে। এটা আক্ষরিক নাকি রূপক?
রূপক ধরে যদি মিলান, তবে বর্তমান সময়ের কিছুর সাথে মিলাতে পারবেন।
এই সময়টা পার হয় যাবার পর পরের জেনারেশন আগের এই সব মিলকে বলবে "ভুয়া, ওগুলো কিছু না"। তারা নতুন করে আক্ষরিক ভাবে মিলের অপেক্ষা করবে।
নতুন জেনারেশনের কিছু লোক আবার বলবে এগুলো আসলে রূপক। তারাও তাদের সময়ের কিছুর সাথে রূপক ভাবে মিলাবে।
এভাবে চলতে থাকে। ইতিহাসে দেখেন, এরকম হাজার মিলের কাহিনী।
২
ইতিহাসে যত মসিহ-মাহদি দাবীদার এসেছে সবাই বলেছে দাজ্জাল রূপক। এর মাঝে আছেন আমাদের গোলম আহমেদ সাহেব, এবং রিসেন্ট আমাদের পন্নী সাহেব।
ফোরাত নদীর নিচ থেকে যে স্বর্ন উঠবে এটা কি রূপক? ইরাকের তেল বেরুনোর সময় সবাই ধরে নিয়েছিলো রূপক ভাবে এটা স্বর্নের সাথে মিলেছে। এর পর সেই সময় পার হয়ে গিয়েছে। এবং এখন আবার সবাই অপেক্ষা করছে আক্ষরিক ভাবে এটা হবার জন্য।
আগের তেলের ব্যখ্যার সাথে মিলে যে? সেটা এখন কিছু না। ভুল ছিলো।
৩
তবে লিটারেল কোনটা? যখন আর ব্যখ্যা লাগে না। মানুষকে কোনো ব্যখ্যা ছাড়া হাদিসটা বললে সংগে সংগে মিলটা দেখতে পারে। এত বেশি মিল যে আগে না জানলে তার সন্দেহ হতে থাকে, হাদিসটা কি সহি?
বর্তমান সময়ের এরকম মিল একটা হলো খালি পা রাখালদের উচু দালান নির্মান প্রতিযোগিতা। মক্কার টানেল। মক্কার দালান মক্কার পাহাড় থেকে উচু হওয়া।
এই মিলগুলো দেখালে এখন কেউ আপনাকে ইন্টিলেকচুয়াল, ইনসাইটফুল বলবে না। আগেও মিল দেখানো যেতো। কিন্তু তখন যে মিল দেখাতে পারতো তাকে বলা হতো ইনসাইটফুল। এমন কিছু উনি বুঝতে পারছেন, যেটা অন্য কারো চোখে ধরা পড়ে নি।
"...বাস্তবেও দুনিয়াতে ইখতিলাফ চলছে। ইখতিলাফ রহমত। দেওবন্দের সাথে এক্ষেত্রে আমরাও একমত না থাকায়, "ভুলগুলো কী আসলেই ভুল!" নামে শীগ্রই কিতাব প্রাকাশিত হচ্ছে, ইনশাল্লাহ। এই ধারাবাহিকতা চলতে থাকবে।
\---end quote.
অর্থাৎ দ্বিমত রেখেই উনারা চলতে চাচ্ছেন, এবং এটাকেই সঠিক স্ট্রেটেজি মনে করছেন।
২
সাধারন তবলিগওয়ালাদের ৯০% নিজামুদ্দিন-সাদ সাহেবের পক্ষে।
আর উলামাদের ৯০% দেওবন্দের পক্ষে। অধিকাংশ তবলিগের জিম্মাদাররা আলেম না। সাধারন লোকেরাই এই তবলিগের কাজ চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এবং ফিতনার ধাক্কা আলেম ও উর্ধ মহলে যেরকম সেরকম সাধারনদের মাঝে লাগে নি।
৩
আমার মনে হচ্ছে সাদ সাহেব আর উনার অনুসারিরা এখন নিজেদেরকে অনেকটা সংস্কারক ভুমিকায় দেখবেন। দ্বিনের মাঝে ময়লা ঢুকে গিয়েছে, এগুলো পরিষ্কার করা তাদের দায়িত্ব।
৪
ইসলামের রাজনৈতিক ইখতেলাফ খুব দ্রুত মাসালাগত ইখতিলাফ থেকে আকিদাগত ইখতিলাফে চলে যায়। ইতিহাসে বলে।
এসব ব্যপারে সাইড না নিয়ে চুপ থাকা ভালো। এবং অধিকাংশ তবলিগের সাথিরা এখন চুপই আছে।
২/ এর পর ওয়াজ মাহফিল, ঈদের নামাজ এসব হয়ে যায় রাজনৈতিক বক্তিতার মঞ্চ।
৩/ ওয়াজের মাঝে নেতা আসেন। উনার জন্য চলমান ওয়াজিরকে মাইক ছেড়ে দিতে হয়। এ নিয়ে গন্ডোগোলের ভিডিও প্রকাশ : ফেসবুকে জনপ্রীয় একজন আলেম বনাম এলাকার এমপি।
৪/ ফেসবুকে ছবি : ওয়াজ মঞ্চে শাড়ি পড়া মহিলা বসে আছেন সোফার এক প্রান্তে, মাঝখানে খালি রেখে টুপি দাড়িওয়ালা কোনো আলেম বসেছেন একই সোফার অন্য প্রান্তে। ঐ এলাকার নেতৃ নিজেই মহিলা বলে। মঞ্চে চলছে ওয়াজ।
৫/ খবর : নেতা উনার ছাত্র বাহিনী নিয়ে ওয়াজে এসেছেন গন্ডোগোল হলে সামাল দিতে। সেখানে সাইডে মহিলাদের ওয়াজ শুনার ব্যবস্থা ছিলো। পরের দিনের খবর ছাত্র বাহিনী সেই কাজ করেছে যার জন্য তারা বিখ্যাত।
৬/ আজকের খবর : ""
ওয়াজ মাহফিলে তিনি মঞ্চে বক্তব্য দেয়ার একপর্যায়ে বলেন, এখানে আবু জেহেলের বংশধররা আছেন। সঙ্গে সঙ্গে মঞ্চে থাকা বিশেষ অতিথি আওয়ামী লীগ সভাপতি আহম্মেদ মাস্টার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এখানে আবু জেহেলের কোনো বংশধর নেই। একপর্যায়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা প্রধান বক্তাকে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে মঞ্চ থেকে ফেলে দেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মুসল্লিরা জীবনের ভয়ে ছুটাছুটি শুরু করেন। মাহফিলের এক সদস্য বলেন, চেয়ারম্যান জরিফ মাস্টার কোন বিষয়ে ওয়াজ করা হবে জানিয়ে দেন।
এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতা জরিফ মাষ্টর বলেন মারপিটটা আল্লাহর তরফ থেকে হয়েছে।
৭/ "মারপিট আল্লাহর তরফ থেকে হয়েছে" এব্যপারে আপত্তির কিছু দেখি না। ওয়াজিরদের থেকে নেতাদের ওয়াজই বেশি যুক্তি সংগত।
৮/ খবর : নারায়নগঞ্জের শামিম ওসমান মাহফিলে গিয়ে নিজেই ওয়াজ করে ২০ হাজার টাকা কামিয়েছেন।
৯/ Looking forward. ওয়াজ আমাদের নেতারা শিখে ফেলছেন।
১
২
ঢাকায় কাপড় ধোয়ার জন্য কর্মি রাখলে ৮ হাজার টাকা মাসে। এখন ৮ হাজার টাকায় ওয়াশিং মেশিং কিনা যায়।
ঘর মুছার জন্য ভেকুম ক্লিনার ১০ হাজার টাকা। বা Romba টাইপের রোবোট কিনলে ২০ হাজার টাকা।
১
সফটওয়ার কাজে অনেক ভাগ আছে।
হাজার হাজার কাজ।
২
তাই নিচের কথাগুলো বললে বা শুনলে, কোন ফিল্ডের জন্য বলছে সেটাও বুঝতে হবে।
৩
সব সাইডেই সবসময় কাজ আছে। কিন্তু যে কোনো একটা ফিল্ড ধরলে : ধরেন যেমন মোবাইল এপ ডেভালেপমেন্ট -- এখানে টেক পরিবর্তিত হবে। আগে হয়তো ফোনগ্যপ ব্যবহার হতো এখন জনপ্রীয় অন্য কিছু।
এতে কিন্তু গেইম ইঞ্জিন নিয়ে যারা কাজ করছে তাদের কিছু যায় আসে না।
৪
একারনে, "C এর ডিমান্ড আছে", "C এর ডিমান্ড নেই" দুটোই ঠিক। কোন সেকটরে সেটা প্রশ্ন। সেরকম JavaScript এর ডিমান্ড বাড়ছে স্পেসিফিক সেকটরে। SQL নাকি NoSQL? ডিপেন্ডস, বিজনেস এপলিকেশনের কথা বলা হচ্ছে, নাকি ওয়েব সাইটের কথা?
– কাকরাইলের মুফতি জিয়া, ইউটুব।
https://www.youtube.com/watch?v=Mc53kO9MbAE
এখন কনভেনশনাল পলিটিক্সে ঢু মারলাম। বিএনপি-আওয়ামি। পড়ে বুঝা যায় ৯০%-এর বয়স ৩০ এর উপর। কমেন্টে তর্ক চললেও, মার্জিত।
অশ্লিল গালি গালাজ, "জুতা মার" "মুইততা দে" এই ধরনের কমেন্ট মেইনস্ট্রিম পলিটিক্স নিয়ে যারা বলছেন তাদের পোষ্টে চোখে পড়ে নাই। ইসলামি কোনো বিষয় নিয়ে পোষ্ট দিয়ে দেখেন, কিছুদিনের মাঝে এধরনের পাবলিক জুটে যাবে। এবং এরা পিছ ছাড়বে না। ব্লক করলে ফেইক আইডি তৈরি করে আবার আপনার পিছে।
Pondering.
এখানে পজিটিভ ছিলো, ট্রাবলমেকারদের ব্লক করা আছে। নেগেটিভ হলো, ফ্রেন্ডস এন্ড ফেমিলি। যারা দেখা হলে প্রশ্ন করে : "আচ্ছা তুমি যে ফেসবুকে লিখেছো...." যেগুলো নিয়ে আলোচনায় আমি আগ্রহি না।
China's Alibaba's warehouse run by bots. 3x increase in output. Human labour reduced by 70%.
These help process your online orders and pack the shippings.
প্রশ্ন : এরমাঝে ফেসবুক কোন কথাটা নিয়ে বিষ্ফোরিত হয়েছে?
ঠিক! শেষ কথাটা নিয়ে।
এখনো চলছে।
Pros+ আমার ধারনা ছিলো নেট জগতে আমি একাই ছিলাম "গনতন্ত্র কুফর না" পন্থি। এখন দেখি আরো আছে।
Cons- কোনো সমস্যা দেখি না। Keep watching. :-)
Here's how it works. It converts a semi-automatic into full-automatic.
Note that this isn't what an army would use in the battle field though.
https://www.youtube.com/watch?v=K2IOZ-5Nk5k
১
এক জন তরুন আলেম ভাইয়ের পোষ্ট :
ঘৃণা হয় তাদের জন্য..
যারা ইংলিশ মিডিয়াম কিংবা ইংরেজি মাধ্যম প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখার সুবাধে হোক বা স্ব-ইচ্ছায় ইংরেজী শিখতে গিয়ে নিজেদের রক্তার্জিত প্রাণের ভাষা বাংলা ততটা বলতে পারেননা যতটা না ইংরেজিতে পঁকপঁক করতে পারেন ! ... নিজেদের মহিমা প্রকাশ করেন কথায় কথায় অহেতুক ইংরেজির মোয়া ফুটান কিন্তু তারাই যখন সাবলীল বাংলা বলতে গিয়ে জিভের নড়াচড়া বন্ধ হয়ে কুছ কুছ ইংরেজী বেরিয়ে পড়ে তখন বাংলা না জানার দূর্বলতায় এ জাতি অপমানে মাথা নোয়াতে বাধ্য হয় ! :-(
২
মাদ্রাসার ভাইয়দের উর্দু মাধ্যমে পড়ার কথা মনে পড়ে। আমরা আপত্তি জানাই নি। উস্তাদ-ছাত্র যখন উর্দুতে কথা বলেন তখনও খারাপ লাগতো না। উনাদের সব বই যেহেতু উর্দুতে, তাই ভাষা চর্চা আরো গতিশীল রাখার চেষ্টা হিসাবে এসবকে দেখি। উর্দু-আরবি-বাংলা মিলিয়ে বয়ান-মুনাজাতেও আপত্তি নেই। একই যুক্তি যারা ইংরেজি মাধ্যমে পড়ে তাদের জন্যও।
৩
ভাষা সবসময় বদলাতে থাকে। বাংলায় বহু বিদেশি শব্দ এসেছে বছর বছর। মানুষ যা বলে সেটাই তার ভাষা। যে সমাজে কথা বলতে চাচ্ছে তারা সহজে বুঝছে কিনা সেটা হলো প্রশ্ন।
// ভালো কিছু সাবজেক্ট-টপিক খুজছি। এই সব খোচাখুচি পোষ্ট আর ভালো লাগছে না। যদিও দিচ্ছি।
The rising languages right now are JavaScript/Node for web. Python, C for Neural network. And R for statistics.
https://www.techworm.net/2018/01/tiobe-index-names-c-programming-language-year-2017.html
সে হিসাবে ডঃ খন্দকার জাহাঙ্গির স্যার পন্থিও বলা যায, কারন উনিও কুফর বলতেন না। কিংবা মুফতি তাকি উথমানী। যিনি কমুনিজমকে কুফর বলতেন, কিন্তু গনতন্ত্রকে বলতেন না।
কিন্তু কওমি উলামাদের কি মত? হাফেজি হুজুর যেহেতু বটগাছ মার্কা নিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করেছিলেন ১৯৮২ সালে তাই উনি কুফর বলতেন না, ধরে নিলাম।
কিন্তু উনি এখন নেই। উনার খলিফারা আছেন। খলিফাদের মাঝে মুফতি মনসুরুল হক সাহেব বলেছেন গনতন্ত্র কুফর, একটা আলাদা ধর্মের মত। কিন্তু উনি ২০০৮ সালের নির্বাচনে কম খারাপ দলকে ভোট দেবার জন্য উৎসাহিত করেছেন ঘরে বসে না থেকে।
বাকি আলেমদের মত কি? লুৎফুর ফারাজী ভাই? উনার মত: ইসলাম সম্মত না। কিন্তু কংক্লুশন ভোট দেয়া জায়েজ আছে, "তীব্র প্রয়োজন হারামকে হালাল করে দেয়"।
বিভিন্ন দল-মত-আকিদা-মানহাজের অনুসারীদের মত কি? এগুলোর উপর একটা সিরিজ পোষ্ট লিখতে হবে।
Feeling like.
এখন তাদের থেকে দূরে সরে এসে বাইরে বেরিয়ে দেখি এই বিশাল দুনিয়ায় এই আদর্শের বাইরে আরো কত মানুষ আছে। "সবাই কাফের" পন্থিদেরই এখন বরং মনে হচ্ছে সংখ্যায় লঘু।
২
ফিতনার সময়। প্রত্যেকে ইসলামের খুটিনাটি বিষয় দ্বন্ধে তর্কে ব্যস্ত। এক দিকে যুদ্ধ কমবে তো অন্য দিকে বাড়বে। এখন বেষ্ট হলো সবাইকে তার পথ ছেড়ে দেয়া। তাদের রাস্তা থেকে কয়েক ধাপ সাইডে সরে দাড়ানো। যেন সে তার পথে চলতে পারে। আমাকে বাধা না মনে করে।
৩
আপনার যদি টুপি দাড়ি থাকে তবে অন্য একজন ইসলামিষ্টের সাথে বসলে প্রথমেই সে আপনার দল-মত-আকিদা-মানহাজ বুঝার চেষ্টা করবে। যদি আপনি চেপে যান, মিডল গ্রাউন্ড নেন, বা নিউট্রাল ভাব দেখান তবে সে মনে করবে আপনি ছুপা, এজেন্ট অথবা নিদেন পক্ষে কাপুরুষ। কোনো একটা অসৎ উদ্যেশ্য নিয়ে ঘুরছেন।
আপনি কোনো দলের কাছে গ্রহনযোগ্য হবেন না। যদি না এক্সপ্লিসিটলি তাদের আইডলজির সাথে ১০০% ঐক্যের ঘোষনা দেন। সেটা না করলে তারা আপনাকে শত্রু পক্ষ মনে করবে। আপনার মুখোশ উন্মোচনের জন্য সর্বক্ষন আপনার দোষ খুজতে থাকবে। একটা সার্বক্ষনিক অবিশ্বাস।
৪
কিন্তু আপনি নিজে "আধুনিক ড্রেস" পড়ে একজন ইসলামি এক্টিভিস্টটের সামনে বসে যদি সুধি স্টাইলে বলেন:
: আচ্ছা আপনাদের ইসলামে কি বলে যে ....
: আমাদের ইসলাম মানে? ইসলাম আপনার না?
: হ্যা হ্যা! দুজনেরই ইসলাম। মানে জানতে চাচ্ছিলাম, ইসলামে কি আছে, যে ছেলেরা চারটা ...?
দেখবেন কি করে সে আপনাকে জড়িয়ে ধরে।
আপনার অজ্ঞতার জন্য। সে আপনার কাছে নিরাপদ বোধ করবে।
৫
"কিন্তু দ্বিনদ্বার হতে হবে না?"
হবে। গোপনে। আল্লাহর কাছে।
"আর দাওয়াহ?"
বেসিক ইসলামি কাজের জন্য। ডিপ লেভেলে না।
ইসলামিষ্টদের মাঝে দাওয়াহর দরকার নেই। তাদের মাঝে বেসিকগুলো আছে।
Now an article flashes on this point. Conclusion, even Vectors in Rust are implemented in "Unsafe" code. Doubly linked lists are a headache.
That doesn't mean all is doom and gloom in Rust land. A good read nevertheless.
https://rcoh.me/posts/rust-linked-list-basically-impossible/
Discussion on reddit.
https://www.reddit.com/r/rust/comments/7z7p5m/why_writing_a_linked_list_in_rust_is_basically/
And HN.
https://news.ycombinator.com/item?id=16442743
https://rcoh.me/posts/rust-linked-list-basically-impossible/
১
২০১০ এর আগে হারাম শরিফে খুতবা অনেক লম্বা হতো। এক খুতবাই প্রায় ঘন্টা খানেক শুনেছি। দুটো মিলে প্রায় দেড় ঘন্টা।
ইদানিং এর উপর ফতোয়া দিয়ে সংক্ষিপ্ত করে আনা হয়েছে। ১৫ মিনিটে দুই খুতবা শেষ।
২
২০১০ এর আগে জুম্মায় এক আযান দেয়া হতো। ওয়াক্ত হলো। ইমাম মিমবরে উঠে সালাম দিলেন। সংগে সংগে সামনে দাড়িয়ে মুয়াজ্জিনের আজান। যেটােক আমরা ছানি আজান বলি শুধু সেটা এবং একটাই। এর পর ইমাম দাড়িয়ে খুতবা।
এখন পরিবর্তন হয়েছে। প্রথম আজান দেয়া হয় মাইকে। কিন্তু এটা জুম্মার ওয়াক্ত হবার ৩০ মিনিট আগে। এর পর ওয়াক্ত হবার পর মিম্বরের কাছে দ্বিতীয় আজান। হানাফিদের মত।
৩
দাজ্জাল তখন আসবে যখন মিম্বরে দাড়িয়ে ইমামরা দাজ্জালের ব্যপারে কতা বলা বন্ধ করে দেবে। ২০০০ এর দশকেও জুম্মার এক খুতবায় পুরোটা দাজ্জালের ব্যপারে সাবধান করতে শুনেছি। এখনো হয়তো হয়, জানা নেই।
কিন্তু আখিরুজ্জামান পন্থিদের সংখ্যা খুব বেশি হয়ে গেলে বন্ধ করে দেয়া হতে পারে। মানুষকে উসকে না দেবার জন্য, উত্তেজিত যেন না হয়।
৪
খুতবার বিষয়ের মাঝে একটা আছে যে শাসকদের সৌর্য প্রসংসা বর্ননা করা। হানাফিদের কিতাবে পড়েছি, সম্ভবত সুন্নাহ হিসাবে বলেছিলো। এটার চর্চাও সৌদিতে দেখেছি। দ্বিতীয় খুতবায় পুরোটা, প্রায় আধা ঘন্টা ধরে সৌদি শাসকদের বীরত্ব-প্রশংসার বর্ননা করেছেন খাতিব।
৫
৪নং এ বর্নিত সুন্নাহ যদি আমাদের দেশেও প্রয়োগ করে আমি কি খুশি হবো? না হবো না। কিন্তু এখানে সমস্যা আরো গভীর। সরকারের সাথে যুক্তের আরো শর্ত আছে জুম্মআর খুতবায়। এট লিষ্ট হানাফিদের কিতাবে। যেগুলো এখন আলোচনায় আনলেও ফিতনা ছড়াবে।
Quote//
তবলিগ জামাতে চলমান সংকট আজ দিন দন বাড়ছে।ঢাকা জেলার ৮ টা সবগুজারি পয়েন্ট গুলি চলছে দখলদারিত্ব। মিরপুর মার্কাজ ছিল সাময়িক বন্ধ।একই রাস্তায় হাটছে ডেমরা মার্কাজ।পয়েন্টের ৮০১ নাম্বার হালকার সাথী ওয়াসিফ গং ফেরদাউস মুকুল সাহেব এর বাড়াবাড়ির কারণে শবগুজারী পয়েন্ট বন্ধ হয়ে গেছে।মুহাম্মদপুর পয়েন্টেও মার্কাজের খতিব সাহেব এর সাথে চালায় তাণ্ডব।সাভারেও মার্কাজেও একি অবস্থা।
ঢাকা জেলা পার হয়ে এখন বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে একই কান্ড।চলছে বিভিন্ন মার্কাজে কাকরাইল থেকে আসা চিঠির ব্যাপারে মাসোয়ারার নামে মার্কাজ দখল।
Venting and waiting.
I am yet to start using containers, and this man is claiming containers lost the battle and "Serverless" is here to replace it?
By serverless he means, FaaS [Function as as Service] as opposed to PaaS [Platform as a service]
FaaS is almost 100% monopolized by Amazon's AWS service.
এতদিন ধারনা ছিলো এটা শুধু বিদেশে হচ্ছে। সত্য হলো কৃষি গবেষনা ইন্সটিটিউটে জানা শুনা থাকলে তারা আপনাকে How To বলে equipments দিয়ে দেবে। [ এলাকার আওয়ামি নেতা হলে সুবিধা পাবেন। ]
https://www.youtube.com/watch?v=le0dgBQT0Zw
https://www.youtube.com/watch?v=le0dgBQT0Zw
১
রাসুলুল্লাহ ﷺ কে কোরআন এবং হাদিসের বহু জায়গায় উম্মি নবি হিসাবে পরিচিত করা হয়েছে। এবং উম্মিদের নবী হিসাবেও। মানে উনার অধিকাংশ অনুসারি হবেন উম্মি।
এটাকে উনার দোষ হিসাবে দেখানো দেখানো হয় নি। রবং এটাই উনার আইডেন্টিটি, উনার বিশেষত্ব অন্যান্য নবীর উপর।
২
দাজ্জালের যে মশহুর [বিখ্যাত] হাদিস আছে, ওখানেও দাজ্জাল জিজ্ঞাসা করেছিলো "উম্মিদের নবির কি খবর?" বা এই রকম।
মেরাজের সময়ও উম্মিদের নবী পরিচয় দেয়া হয়েছিলো। কোরআনেও বলা হয়েছে এই নামে।
৩
তাই এই উম্মার মুক্তি ইনটিলেকচুয়েলিজমে না। বা ইন্টিলেকচুয়াল এনালাইসিস করতে পারা, বা বুঝতে পারা না। বা ইন্টুলেকচিয়াল ডিসকাশন করতে পারার মাঝে না।
বরং সরলতায়। মেনে নেয়ায়। অন্ধ বিশ্বাসে। প্রশ্নহীন আনুগত্যে। অধিকাংশের জন্য এটা সত্যি।
তাই মুসলিমদের সরলতায়, বা ইন্টিলেকচুয়াল বুদ্ধির সিমাবদ্ধতায় হা-হুতাশ করে লাভ নেই। এটাই আমাদের আইডেন্টিটি। এটাই আমাদের পরিচয়। এজন্যই আমরা সেলেকটেড, আল্লাহর কাছে chosen।
৪
তবে প্রশ্নহীন আনুগত্য আল্লাহ ও তার রাসুলের জন্য। আপনার দলের নেতার জন্য না, যে দাবি করছে উনিই ইসলামের রিপ্রেজেন্টেটিভ তাই উনার আনুগত্যেই মুক্তি।
উনার অনুসরনে মুক্তি হতেও পারে, নাও হতে পারে। কোনটা সেটা আপনি সম্ভবতঃ বুঝতে পারবেন না। কারন নেতাদের মাঝে একটা হিপনোটাইজিং এবিলিটি থাকে। যেজন্য মানুষ তাদের পেছন ছুটে।
৫
কিন্তু নিরক্ষরতা রাসুলুল্লাহ ﷺ উৎসাহিত করেন নি। নিরক্ষর থাকার মর্যাদাকে উপরে তুলে ধরেন নি। বরং অনেক ঘটনা আছে যেখানে একজনকে বলেছেন ঐ কবির উত্তর তুমি দাও। বা হিব্রু ভাষা কোনো সাহাবিকে শিখে নিতে বলেছেন যেন ইহুদিদের উপর নির্ভর না করতে হয়।
প্লাস সাহাবিদের মাঝে যারা সবচেয়ে সম্মানিত ছিলেন, তারা ছিলেন উনাদের মাঝে অক্ষর জ্ঞানী।
৬
উম্মাহর মুক্তি স্বল্পস্থায়ী দুনিয়ার মোহ ত্যগ করার মাঝে। "ওহান"-কে দূরে রাখার মাঝে। যদিও বলা আছে এই শেষ যুগে সবাই এর দ্বারা আচ্ছাদিত থাকবে।
সবচেয়ে ইন্টিলেচুয়াল উম্মাহ হলো ইহুদিরা। কিন্তু তারা তাদের ইন্টিলেচুয়াল বুদ্ধি বিবেচনা ব্যবহার করেছে আল্লার নবীদের বিরোধিতা করার জন্য। আল্লাহর কিতাব পরিবর্তনে, উনার হুকুম অমান্যতে।
৭
আল্লাহ তায়ালা এই ফিতনার জামানায় যেন আমাদের সত্য পথের উপর রাখেন।
মুসলিমদেরকেই যেন বন্ধু হিসাবে রাখি, তারা যেরকম হোক না কেন।
তাদেরকে ছেড়ে অন্যদেরকে না, তারা ইন্টিলেকচুয়ালি যত এডভান্সড হোক না কেন।
আমিন।
So you built a neural network from scratch...
Great. You converted 11 lines of python that would fit on a t-shirt.
So you built a neural network that is 20 layers deep…
Congrats! You took the above code, and looped the loop again. That must have been so hard, deciding where to put another For and a Colon.
So you use TensorFlow to…
Remember those 11 lines from above? TensorFlow is just a wrapper for those 11 lines.
So you have a self-defining neural networks…
Congrats, you know how to wrap the 11 lines of neural network code in the 9 lines of code for a genetic algorithm. :-D (Y)
https://www.kdnuggets.com/2018/02/neural-network-ai-simple-genius.html
এর পর নিউজ ফিলার নিচেরটা।
https://www.middleeastmonitor.com/20180224-all-that-jazz-saudis-attend-countrys-first-jazz-festival/
আমি বলছি না এটা ভালো।
আমি বলছি না এটা খারাপ।
বলছি যে এটা কোইন্সিডেন্ট।
কোইন্সিডেন্ট মানে,
নিদর্শন আমার জন্য।
এটা চিন্তা করার জন্য যে আমার মৃত্যু কোথায় হয়।
https://www.indiatoday.in/movies/celebrities/story/legendary-actor-sridevi-passes-away-1177066-2018-02-25
http://www.prothomalo.com/entertainment/article/1434621/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87
And winter isn't over yet. Sun still down up there.
In other news world is running out of Sand due to land fill, construction and ocean fill.
#GlobalWarming.
সব চাওয়া, যখন সব পাওয়া।
মানুষ এর পর বিষন্নতা খুজে, খুজে ক্ষুদ্র জিনিসে কষ্ট।
একটা purpose, একটা উদ্যেশ্য।
যা না হলে তার জীবন ব্যর্থ।
#পথহারা
চার দিকে হাক, চার দিকে ডাক।
কিন্তু জানি এই পথ, নিষিদ্ধ রক্তের স্রোতে গিয়ে শেষ হয়।
একসময় সব বুঝি, একসময় সব জানি।
তবে এর পর সময় শেষ হয়ে যায়।
#পথহারা
এই নিয়ে দ্বন্ধ, এই নিয়ে সংঘর্ষ, এই নিয়ে যুদ্ধ। এমপেরার এখানে ছিলো ডার্ক সাইড।
"ইমারাত" বনাম "শুরা" দ্বন্ধের কথা যখন শুনি তখন কেন যেন সেই গল্পটার কথা মনে পড়ে।
২
বিদেশে day light saving বলে একটা জিনিস আছে। গৃষ্ম কালে সময় এক ঘন্টা এগিয়ে নিয়ে আসা হয়। গরিব এক দেশের এমপেরার ক্ষমতায় এসে হুকুম জারি করেন "আমাদের দেশেও এই নিয়ম এখন থেকে হবে!" সময় এক ঘন্টা আগিয়ে নিয়ে আসা হয় গৃষ্মকালে।
কিন্তু এমপেরার ভুলে যায় যে বিদেশে শীতকাল আবার ঘড়ি এক ঘন্টা পিছিয়ে দেয়া হয়। তাই সেরকম কোনো হুকুম জারি করে না। DST চলতে থাকে সারা বছর। শীতকালে তাহাজ্জুদের ওয়াক্তে সকালের ট্রেন ছাড়ে। মানুষের কষ্ট চরমে।
শেষে পুরো দেশ থেকে বাতিল করা হয় DST.
পশ্চিমাদের মত দেশ চালানোর বুদ্ধি এই জাতির নেই।
৩
আমি জানি না যে জাতি DST চালাতে পারে না তাদের জন্য ইমারাত ভালো নাকি শুরা।
কিন্তু শুরায় একজন যোগ করলে পুরানো সবার আধিপত্য কমে। তাই কিছু করা হয় না। শুরার একেক জন মারা যায়, বাকিরা এজ ইউজুয়াল চালতে থাকে। যতক্ষন না শুধু শেষ জন বেচে থাকে।
এখন তিনি যেহেতু একা জীবিত, তাই তিনি এখন আর শুরা না আমির।
২
"গনতান্ত্রিক আলমি শুরায়" কি এই সমস্যা সমাধান করেছে? hardly. হয়তো ভালো মানুষি ইচ্ছা নিয়ে এখন কিছু "উপদেশ" দেয়া হয়েছে। কিন্তু সেটা পুরানো শুরার সময়ও বলা হয়েছিলো।
আলমি শুরার পরিনতি একই হবে। এর শেষ হবে তৃতীয় শুরা তৈরি দ্বারা। নতুন ১২ জন। নতুন দ্বন্ধ।
৩
পশ্চিমা স্টাইলে DST আমরা আমাদের দেশে চালু করতে পারি। কিন্তু সিসটেমটা চালিয়ে নিয়ে যেতে পারি না। সেই বুদ্ধি যোগ্যতা আমাদের নেই।
পশ্চিমারা গনতন্ত্র, কাউন্সিল দিয়ে নিজেদের দেশ চালাতে পারে।
আমরা হোচট খাই।
https://www.facebook.com/mizan.harun/posts/2107681036128037
আর আহমদ উল্লাহ ভাই "মডারেট ইসলাম" প্রচার করছেন।
https://www.facebook.com/ahmad.ullah.35/posts/1734821233242149
পীর সাহেব চরমোনাইয়ের কথা না হয় বাদ দিলাম।
কিছু করার নেই। সবই "দরবারি আলেম" রে ভাই। সবই দরবারি।
কিন্তু এরা ছাড়া বাকি যত আলেম চুপ আছেন তারা কিন্তু সবাই "এ.কিউ. এর পক্ষে তবে ভয়ে এখন চুপ আছেন, এবং বুঝতেই পারেন কেন!" ঠিক?
কেউ আমাকে প্লিজ বলেন ঠিক!
কল্পনার চল্টা যে খসে পড়ছে। :-D :-D :-)
তবে এটা নিয়ে আমি খুব বেশি কনসার্নড না। এই মুহুর্তে আমার কনসার্ন হলো মেদ ভুড়ি, কি করি?
কারো সমাধান জানা থাকলে টিপস দিয়েন। ব্যংকিং না, মেদ ভুড়ি নিয়ে।
وَقَاتِلُوهُمْ حَتَّى لاَ تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ الدِّينُ لِلّهِ فَإِنِ انتَهَواْ فَلاَ عُدْوَانَ إِلاَّ عَلَى الظَّالِمِينَ
সুরা বাকারা।