“It wasn’t just pushing and shoving, rather beating up, kicking, and threatening to use a weapon against men."
To: তোমরা যারা রঙ্গিন চশমা পড়ে ঘুরো। :-P
“It wasn’t just pushing and shoving, rather beating up, kicking, and threatening to use a weapon against men."
To: তোমরা যারা রঙ্গিন চশমা পড়ে ঘুরো। :-P
১
"এই লিখকের ঐ বইটা পড়ে দেখবেন"
সমস্যা হলো ঐ বইটা সবসময়ই সমসাময়িক কোনো লিখকের লিখা। যার অধিকাংশ কথা লিখকের ধারনাপ্রসুত। তাতে সমস্যা নেই যদি ঐ লিখক আমার ইমাম হন। কিন্তু প্রায় কোনো ক্ষেত্রেই উনি সেরকম না। তাই উনার চিন্তা-ভাবনা আমার কাছে গ্রহন যোগ্য হবার কোনো কারন নেই।
এবং এসব বইয়ের অধিকাংশ ক্ষেত্র কিছু সিলেকটিভ রেফারেন্স দেয়া থাকে যেগুলো লিখক হয়তো চেইরি পিক করেছেন উনার ইচ্ছে মত যেখান থেকে সুবিধা। এবং কিছু ক্ষেত্রে আউট অফ কনটেক্সটে।
এর থেকে বরং অরিজিনাল সোর্সের কথা বলেন। কোন তফসির, বা শরিয়ার বই থেকে এই রেফারেন্সগুলো নিয়েছেন সেই গ্রন্থটা পড়তে বলেন। আমি পড়ে দেখবো ইনশাল্লাহ যদি ঐ বইগুলো সর্বজনগ্রাহ্য, বিখ্যাত, মূলধারার বই হয়।
২
"ঐ বিষয়টার উপর পড়ে দেখবেন, জেনে নিয়েন" [নির্দিস্ট কোনো বইয়ের নাম না বলে]
জানার অনেক বিষয় আছে। কম বেশি সব কিছুই উপকারী। এর পরও সব বিষয়ে আমার জানার দরকার নেই, শুধু প্রয়োজনীয়টুকু হলেই হলো।
কোরআন শরিফ থেকে আরো দুইটা আয়াত মুখস্ত করার থেকে যদি ঐ বিষয় জানা আমার জন্য আরো জরুরি হয়, তবে সে দিকে সময় দেয়া যায়।
কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঐ সব বিষয়ে ডিটেলস জানায় আমার কোনো উপকার নেই।
৩
"এই সব প্রকাশ্যে বলবেন না। নিজের কাছে রাখবেন"
"ঐ পোস্টটা মুছে দেন"
"এই বিষয়ে না লিখে বরং ঐ বষয়ে লিখেন"
"আপনি বরং ফেসবুক থেকে চলে যান"
আপনি যা বলতে চান সেটা নিয়ে আপনি লিখবেন। আমি যা বলতে চাই সেটা নিয়ে আমি লিখবো। আপনি ভাই কেন মনে করছেন আমি আপনার কাছ থেকে উপদেশ নিয়ে লিখবো?
:-D
#HabibRant
You need to watch it with sound on, to enjoy it :-P
১
পাথর পুজা যারা করে শুধু তাদেরকেই না, বরং যে পাথরের পুজা করা হয়, সে পাথরকেও আগুনে ফেলা হবে।
শিরকের ব্যপারে আল্লাহ তায়ালা অত্যান্ত কঠোর।
এবং উনি কারো পরোয়া করেন না।
২
সূর্য আর চন্দ্রকে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামে ফেলবেন বলে বর্ননা আছে। যেহেতু সূর্যের পুজা করা হয়।
৩
রাসুলুল্লাহ ﷺ কে একবার এক বেদউইন বলছিলেন "আল্লাহ যা চান, আর আপনি যা চান।" এটা শুনে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর চেহারা মুবারক লাল হয়ে গিয়েছিলো। এস্তেগফার করলেন অনেকক্ষন। এর পর ঐ বেদউইনকে বললেন তুমি কি বিশাল কথা বললে বুঝেছো? বরং বলো শুধু আল্লাহ যা চান।
এর পর দুই হাত গোল করে দেখালেন আল্লাহর আরশ এইভাবে উনার সৃস্টিকে ঘিরে আছে।
৪
৪
কিন্তু পাথরের দোষ এখানে কি?
সেটা জানা আমার জন্য জরুরী না। কিন্তু ঐ আগুন থেকে বাচা আমার জন্য জরুরী। যে আগুনের মুখা মুখি কিছু দিন পর সমস্ত মানুষ হবে।
এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে সেটেলাইট দিয়ে লাইভ ভিডিও ব্রডকাস্ট আরম্ভ হয়েছিলো অনেকটা উনার বক্সিং দেখার জন্য।
এবং পার্কিনসন্স ডিজিজ এর সাথে মানুষের পরিচয় উনার থেকে।
বক্সিং বুঝার বয়স যখন আমার হয়েছিলো তখন আলীর বয়স শেষ।
১৯৮০ সালে আলীর সাথে ল্যরি হোমসের বক্সিং হয় যেটাতে উনি হারেন।
এটা বিটিভি লাইভ ব্রডকাস্ট করেছিলো।
আল্লাহ তায়ালা উনাকে ক্ষমা করুন।
https://www.youtube.com/watch?v=OLpQQA9eEBU
বাংলাদেশে কালকে রাত থেকে আরম্ভ হবে ইনশাল্লাহ।
এর ঘটনার দায়িত্ব কার সেটা এখনো ক্লিয়ার না।
সম্ভবতঃ "রিটা খাজের" টুইট এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
হত্যার ধরন দেখে আম জনতা সাধারনতঃ আন্দাজ করতে পারে কে করেছে। তবে এই হত্যাকান্ডের ধরন এমন, যে কোন দলটা দায়ী, আমি নিজেও বুঝতে পারছি না।
হে আবু জর! বেশি সম্পদকে তুমি ধনী হিসাবে দেখ?
إنما الغنى غنى القلب،
বরং ধনী হলো অন্তরের ধনী
والفقر فقر القلب،
ফকির হলো অন্তেরর ফকির
من كان الغنى في قلبه فلا يضره ما لقي من الدنيا،
যে অন্তেরের ধনী, দুনিয়ার অভাব তার ক্ষতি করতে পারে না
ومن كان الفقر في قلبه فلا يغنيه ما أكثر له في الدنيا،
যে অন্তেরের ফকির, বেশি সম্পদ তাকে ধনী করতে পারে না
وإنما يضر نفسه شحها
বরং তার লোভ তার ক্ষতি করে।।
ভালো দিক হলো আবহাওয়া ঠান্ডা বলে পিপাসা কম লাগে। মরুভূমিতে ১৫ ঘন্টা রোজা রাখা আরো কঠিন।
২
রোজা ফরজ হয় হিজরি ২ সাল থেকে। তখন ছিলো ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাস। অর্থাৎ রোজা আরম্ভ হয় মোটামুটি শীতকালের কাছাকাছি থেকে।
৩
এখন জুনে রোজা আরম্ভ হয়েছে। সামনের বছর ইনশাল্লাহ মে মাসে আরম্ভ হবে। এভাবে বছর ঘুরে ৩৩ বছর পর রোজা আবার জুনে ফিরে আসবে। তাই ৩৩ বছর ধরে কেউ রমজানের রোজা রাখলে তার শীত গৃষ্ম সব কালে রোজা রাখার এক্সপেরিয়েন্স হয়ে যাবে। :-P
১
সেকালে ইফতারিতে গরিব লোকেরা পান করতো লেবুর শরবত.
বড় লোকেরা খেতো রুহ আফজার রং দেয়া শরবত।
একালে বড় লোকেরা পান করে লেবুর শরবত,
আমাদের মত আম পাবলিকেরা খায় রং দেয়া শরবত। :-P
২
সেকালে গরিব লোকেরা পড়তো "সস্তা সুতির" শাড়ি,
বড় লোকেরা পড়তো কালারফুল সিনথেটিক কাপড়।
একালে বড় লোকেরা পড়ে "পুরোটাই সুতির" কাপড়।
গরিবদের জন্য সিনথেটিক :-D
৩
সেকালে আমরা দোকান থেকে মিস্টি কিনে আনতাম কাঠাল পাতায়,
বড় লোকেরা কিনতো মিস্টির বাক্সে।
একালে আমরা মিস্টি কিনি বাক্সে,
বড় লোকদের জন্য কাঠাল পাতা।
Full cycle = complete :-P
প্রমতঃ সময়টা ঢাকা "শহরের" জন্য হিসাব করা সময়। কিন্তু ঢাকা "জেলার" সবাই এটা অনুসরন করে। জেলার এক মাথা থেকে অন্য মাথা পর্যন্ত কয়েক মিনিট পর্যন্ত সময় পার্থক্য হতে পারে। তাই সাবধানতার জন্য ৪ মিনিট যোগ করা হয়েছে। এমনকি ১৫ কিলোমিটার একটা শহরের এই মাথা থেকে অন্য মাথায় ইফতারির সময় ১ মিনিট পার্থক্য হতে পারে। যেমন উত্তরা থেকে সায়দাবাদ।
দ্বিতীয়তঃ ৬:৪৪ টা একটা গড় সময়। এর সাথে আধা মিনিট কম বেশি হতে পারে বাতাসের তাপমাত্রা, চাপ এসবের জন্য। এর উপর atmospheric refraction নির্ভর করে, যার কারনে সূর্যাস্ত কিছু আগে পরে দেখা যেতে পারে।
তৃতীয়তঃ পাচ-ছয় তলা থেকে দেখলে সূর্যাস্ত আরো আধা মিনিট দেরি হবে। গ্রাম দেশেও জানে যে তালগাছের গোড়ায় যে আছে সে আগে ইফতারি করবে, এবং উপরে যে আছে সে পরে।
চতুর্থতঃ আবহাওয়া অফিসের হিসাব মত ৬:৪৪ সময়টাও সৃর্য নিশ্চিৎ ডুবে গিয়েছে ইন্ডিকেট করে হিসাব করা হয় না। সূর্য "প্রায়" ডুবে গিয়েছে ধরে হিসাব করা হয়। এবং সেকেন্ডের ঘরে রাউন্ডিং করা হয়। ৬:৪৪ মিনিট ২৮ সেকেন্ড যদি হিসাবে আসে তবে ২৮ সেকেন্ড বাদ দিয়ে রাউন্ড করা হয়। তাই এখানে আরো আধা মিনিট যোগ করতে হয় সাবধানতা।
সব মিলিয়ে ৪ মিনিট সাবধানতা।
কেউ যদি নিজের চোখে দেখে সূর্য ডুবে যেতে, তাহলে সে ইফতারি করতে পারে।
নচেৎ এই চার মিনিটের সাবধানতা হিসাবের সাথেই আসে। অতিরিক্ত কিছু না।
যদি শহরে থাকেন এবং শহরের সময়ের হিসাব দেয়া থাকে, তবে ৪ মিনিট যোগ না করলেও নিদেন পক্ষে ২ মিনিট যোগ করা উচিৎ।
http://habibur.com/salat/world/jp/JP.40/
http://habibur.com/salat/world/jp/JP.40/
I shall make a new write up on altitude vs sunset time inShallah. For the time being you can search for, what we call "Horizontal Dip."
মনে করেন: মাটিতে দাড়িয়ে আমি দেখলাম এই মাত্র সূর্যাস্ত হয়ে গিয়েছে। সংগে সংগে গাছের মাথায় ঊঠে গেলে আমি আবার সূর্যের কিছু অংশ দেখতে পারবো।
উপরে ঊঠলে আরো দূরে দেখা যায় বলে।
এটাকে বলে horizontal dip.
সহজ করে বললাম।
এখন এর জন্য কত তলায় উঠলে কতটুকু সময় দেরিতে সূর্যাস্ত হবে?
নির্ভর করে, লোকেশনের উপর। পৃথিবীর যত উত্তর বা দক্ষিনে যাবেন, তত বেশি পার্থক্য হবে।
সহজ হিসাব:
৪ তলায় থাকলে আধা মিনিট পর সূর্যাস্ত দেখতে পাবেন।
১০ তলায় ১ মিনিট
২৫ তলায় দেড় মিনিট।
সহজ ফরমুলা:
মিনিট দেরি হবে = 0.3 * √( তলা )
In depth knowledge: [ নিচের আর্টিকেল থেকে উপরের ফরমুলাটা বের করা হয়েছে ]
http://www-rohan.sdsu.edu/~aty/explain/atmos_refr/dip.html
রেলিভেন্ট: বুরুজ খলিফার টপ ফ্লোরে পাচ মিনিট পর ইফতারি করতে হবে।
http://www.thenational.ae/uae/fatwa-means-late-iftar-on-top-burj-khalifa-floors
https://www.youtube.com/watch?v=MSVyd4iUHHo
https://www.youtube.com/watch?v=MSVyd4iUHHo
"শিবলি মেহদি ভাই কত সুন্দর উনার বাচ্চাদের দ্বিন শেখাচ্ছে। আর তুমি?"
বৌয়ের ঝাড়ি।
বললাম, "কি করতে হবে?"
"মসজিদে যাবার সময় বাচ্চাগুলোকেতো নিয়ে যেতে পারো।"
বললাম, "অকে।" :-D
_____
কয়েকদিন করলাম। বাচ্চাগুলো ভালো। "মসজিদে যাও" বললেই যায়। কিন্তু কাউকে বলতে হবে।
কাজটা রিডানডেন্ট লাগলো।
এটা ডিজিটাল যুগ। সব অটোমেট করতে হবে। :-P
______
বাসায় একটা পুরানো লেপটপ ছিলো। এটা লবিতে বসিয়ে স্পিকার লাগিয়ে রেকর্ড করে দিলাম "নামাজের আর ১০ মিনিট বাকি। সবাই ওজু করে মসজিদে চলে যাও!"
পাচ ওয়াক্ত নামাজে সময় মত বাজে। বাচ্চারাও মসজিদে যায়।
Problem = solved ?
হা হা। জীবনটা এত সহজ হলে তো হতোই।
কিছু দিন পর বৌ বলে, "মাইকে শুধু তোমার চিল্লানি বাজে। কেউ এসব এখন আর শুনে না।"
_______
তাই আবার, বেক টু রিয়েল পেরেন্টিং।
নামাজের সময় হলে বাচ্চাগুলোকে মেনুয়েলি তাগাদা দিতে হয়।
কিন্তু ডিজিটেল সিসটেম এখনো আছে। সেহরি আর ইফতারিতে কাউন্ট ডাউন করে। জামাতের আগে স্বরন করিয়ে দেয়। "সেহরির সময় শেষ হতে আর ৩০ মিনিট", "১০ মিনিট", "২ মিনিট বাকি" এর পর ডিজিটাল আজান।
বাচ্চাদের লাভ না হলেও বচ্চার বাপের লাভ হচ্ছে। লেপটপে বসে থাকলেও এখন নামাজ মিস হবার সম্ভাবনা নেই, ইনশাল্লাহ। :-D
যদিও আমি আশংকা করছি এগুলো বলা দ্বারা ছোটো গ্রুপগুলোর আক্রমনের শিকার হবো। এই বিরোধিতার মুখোমুখি হওয়ার প্রয়োজন আমার আছে কিনা, সেটা একটা ডিসিশন যদিও।
বলিনা দেখে হইনা। কিন্তু হলে তখন কি সামাল দিতে পারবো? এটা একটা কোশচেন :-D
হাদিসে এতটুকু আছে। সময়টা বলে দেয়া নেই। তবে রাসুলুল্লাহ ﷺ হাত দিয়ে অল্প দেখিয়ে বুঝিয়েছেন, সময়টা খুব সংক্ষিপ্ত।
ঐ সময়টা কখন, সে ব্যপারে ভিন্ন ভিন্ন মত আছে।
____
প্রথম মত হলো, এটা জুম্মার রাতে। ভোর রাত্রের দিকে।
যেমন ইয়াকুব আ: যখন উনার ছেলেদের বলেছিলেন "ছাওফা আছতাগফিরু লাকুম রাব্বি" "শিগ্রই তোমাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবো।" সুরা ইউসুফ। অর্থাৎ উনি ঐমুহুর্তে তাদের জন্য ক্ষমা চান নি। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, উনি অপেক্ষা করেছিলেন পরবর্তি জুমার রাতের জন্য। তফসিরে তাবারি দ্রস্টব্য।
____
দ্বিতীয় মত হলো এটা জুম্মার দিন দুপুরে। ইমাম সাহেব যখন খুতবার জন্য মিম্বরে উঠতে থাকেন।
একটি বিখ্যাত হাদিসে যেমন বর্নিত আছে রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার ঐ সময়ে তিনবার আমিন বলেছিলেন। পরবর্তিতে বলেছিলেন জিব্রিল আঃ ঐ সময়ে তিনটা দোয়া করেছিলো আমি আমিন বলেছি। রমজান পেয়ে যে গুনাহ মাফ করাতে পারলো না, রাসুলুল্লাহ ﷺ এর নাম নেবার পর যে দুরুদ শরিফ পাঠ করলো না, আর পিতা-মাতাকে পেয়েও জান্নাত পেলো না তাদের ধংশের জন্য।
____
তৃতীয় মত হলো সময়টা জুম্মার দিন আসর থেকে মাগরিব এর মাঝে।
যেমন এর পক্ষে একজন সাহাবি থেকে বর্নিত আছে। অন্য এক জন বললেন ঐ সময় তো নামাজ পড়া যায় না। তখন ঐ সাহাবী জবাব দিলেন ওজু করে নামাজের অপেক্ষা করা নামাজে পড়ার মতই।
_____
চতুর্থ মত হলো সময়টা ঘুরে। শবে কদরের রাত্রির মত।
আল্লাহ তায়ালা আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে আর সমস্ত মু'মিন-মুসলিমদের ক্ষমা করুন।
#HabibDua
যেমন, "অমুক আছে খুব গরিব, তার জন্য কিছু সাহায্য করেন।"
এ দেশে করাপশন খুব বেশি। দেয়া টাকার খুব কম অংশ প্রাপকের কাছে যায়। মিডেল ম্যনরা খেয়ে ফেলে একটা অংশ। সবাই খায় না। অনেকে খায়। কে কতটুকু খেলো সেটা বুঝার উপায় নেই।
এ কারনে মাদ্রাসাতেও দেই না। কিন্তু "আলেমরা তো হারাম খাবে না?"
ভুল ধারনা। সেখানেও এটা হালাল করার উপায় আছে। ফতোয়া আছে। কিন্তু হালাল করার পর আল্টিমেটলি প্রাপক এটা ভোগ করতে পারে না। মিডলম্যনদের হাতে চলে যায়।
______
জাকাতের টাকা আমি দিয়ে দিলাম। বাহক যদি এটা গরিবদের না দিয়ে নিজে খেয়ে ফেলে আমার জাকাত কি আদায় হবে?
এর উত্তর মুফতিগন দিতে পারবেন। ফতোয়া লাগবে। কিন্তু রিস্ক নেবার দরকার কি?
গরিবের হাতে সরাসরি দিলে আর সন্দেহ থাকে না। জাকাত ঠিক মত আদায় না হলে সম্পদ ধংশ হয়ে যায়। যেমন বিয়ের পর অধিকাংশ মেয়েদের গোল্ডের গয়না সব চুরি হয়ে যায়।
_______
খবরে দেখলাম একটা এনজিও জাকাতের টাকা বিতরন করছে। তারা ডিকলেয়ার করে দিয়েছে ঐ টাকার ১২% তারা নিজ খরচের জন্য রাখবে। এটা ঠিক আছে। পরিস্কার করে বলে দিয়েছে। জায়েজ আছে। এবং আমি জানি আমার টাকার কত পার্সেন্ট গরিবদের কাছে যাচ্ছে।
এখানে টাকা দিতে আপত্তি থাকার কারন নেই যদি তারা তাদের দাবিতে সৎ থাকে। কিন্তু এটা পরিস্কার করে না বলে যদি গোপন রাখতো তবে তারা যত খুশি টাকা "নিজেদের খরচের" জন্য রেখে দিতে পারতো।
সেটা তখন আমার কাছে আনএক্সেপটেবেল হতো।
আওয়ামিলিগের মতে এটা বিএনপি করছে।
বিএনপির মতে এটা সরকার করছে।
পুলিশের মতে এটা শিবির করছে।
নয়ন চ্যটার্জির মতে এটা হিন্দুদের এক গ্রুপ করছে। শুদ্রদের "এসকন" মন্দির বনাম ভ্রাম্মন।
বহির-বিশ্বের মতে এটা ______ করছে।
কিন্তু কেন করছে? সেটা খবরে আসছে না। তারা কি কারন দেখাচ্ছে? সেটা জানতে পারলে তাদের thought process টা বুঝতে পারতাম।
তাই twitter এ গেলাম। এ সব খবরের নেতা হলো SITE Intel গ্রুপ। তারা বলে বিস্তারিত পড়তে তাদের ওয়েব সাইটে যেতে হবে। ওয়েব সাইটে গিয়ে জানলাম আর্টিকেল পড়তে হলে ডলার দিয়ে সাবসক্রিপশন কিনতে হবে।
বাংগালি মানুষ। আমার ডলার নেই। তাই "বাংলাদেশ হিন্দু" লিখে "গুগুল ট্রান্সলেট" দিয়ে আরবীতে অনুবাদ করে, সেই আরবী ওয়ার্ডগুলো কপি-পেস্ট করে সার্চ দিলাম টুইটারে। "আমাক" নিউজ এজেন্সির আরবী প্রেস রিলিজটা পেলাম।
অনেক আগে আরবীতে তাদের একটা প্রেস রিলিজ অনুবাদ করে পড়েছিলাম। কঠিন আরবী, দাত ভেঙ্গে যাচ্ছিলো। কিন্তু প্রথমটা করার পর এই দ্বিতীয়টা করতে এবার বেশি সমস্যা হলো না। প্রেকটিশ হয়ে গিয়েছে কিছুটা। :-D
দেখলাম তাদের উদ্যেশ্য হলো "বাংলাদেশকে কাফের মুক্ত করা"।
২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ৪৫ হাজার ৮৯৭ টাকা।
২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪৩ হাজার ৮৫৬ টাকা।
১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকা।
সনাতন প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২৬ হাজার ১২৭ টাকা।
সবাই রমজানের ইবাদতের জন্য চলে গিয়েছে।
যারা ভুলে রয়ে গিয়েছিলো তারাও একটু দেরিতে হলেও চলে যাচ্ছে।
যদিও ঐ সময়ে সিবগাত ভাইয়ের বিরোধিতায় আনসারুল্লাহর সমর্থকদের বেশি ব্যতিব্যস্ত দেখেছি।
ফতোয়া বদলায়।
বাজারকে ছেড়ে দিতে হয় বাজারের ইচ্ছের উপর। যে যেই দামে ইচ্ছে সেই দামে মাল বিক্রি করবে।
সেটা না করে সরকার যদি জোর করে জিনিষ পত্রের দাম বেধে দেয়, কারন "ব্যবসায়িরা লোভী" তাহলে বাজার কলাপ্স করে।
তখন দেশের অবস্থা হয় এইরকম যেরকম এখন ভেনেজুয়েলার অবস্থা।
কে বলবে এটা তেল রপ্তানীকারী দেশ?
খবরের ভেতরে পড়ে দেখি নাম এসেছে "ওমর মতিন", এই কাহিনী :-P
মুসলিমদের জীবন আরেকটু কঠিন হলো আম্রিকায়।
এমনি এখন পশ্চিমা বিশ্বের রাস্তা ঘাটে পিটিয়ে, গুলি করে প্রচুর মুসলিম মারা হচ্ছে, যদিও সেগুলোকে "জেনারেল ক্রাইম" হিসাবে ধরে খবরে আনা হয় না।
নোট টু, তোমরা যারা এতদিন বলে এসেছিলে, "দেশের থেকে বরং আমেরিকায় গিয়ে আরো বেশী ইসলাম করা যায়।"
বাই দা ওয়ে, দেশের মুসলিমরাও যে আনেক আরামে আছে তাও না। :-P
১
সেকালে মুসুল্লিরা মসজিদ থেকে বেরিয়ে এসে কম্পিটিশন করতো কার মসজিদের ইমাম সাহেব কত দ্রুত তারাবী পড়ে কত কম সময়ে শেষ করেছে।
একালে গর্ব করে কার মসজিদে কত ধীরে সুস্থে পড়ে।
২
সেকালে প্রতিটা দোকানে বিড়ি সিগারেট বিক্রি করতো বস্তায় বস্তায়।
মোড়ে মোড়ে পাটের রশিতে আগুন ধরিয়ে টাংগিয়ে রাখতো সিগারেট ধরানোর জন্য।
সব বাসার ড্রয়ইং রুমে একটা এশট্রে সাজানো থাকতো ছাই ফেলার জন্য।
একালে সিগারেট হাতে মানুষ রাস্তায় খুব কম দেখা যায়। ড্রয়ইং রুমে আর এশট্রে নেই।
৩
সেকালে রমজানে মসজিদে পিকদানি রাখা হতো মুসুল্লিদের থুথু ফেলার জন্য।
মানুষ হয়তো ধারনা করতো রোজা রেখে থুথু গিলে ফেলা নিষেধ :-D
একালে এটা আর দেখা যায় না।
স্ক্রিন শট নিচে।
_______
দাকায়িকুল আখবার
ইমাম গাজ্জালী
তাজ কোম্পানীর অনুবাদ
জামাতের ফজিলত অধ্যায়
থেকে:
হযরত নবী করীম (সঃ) এরশাদ করিয়াছেন:
যে ব্যক্তি জামাত ভঙ্গকারীকে অল্প-বিস্তর খাদ্য বা রুটি দিয়া সাহায্য করিল, সে যেন নবীগণের হত্যার সহায়তা করিল৷ সে মৃত্যুবরণ করিলে তাহাকে গোসল, জানাযা ও মুসলমানদের কবরস্থানে সমাহিত করিও না৷ এমন কি জামাত বর্জনকারী একাই যদি সমস্ত উম্মতের সমতুল্য নামায পড়ে, সকল আসমানী কিতাব পাঠ করে এবং সারা বৎসর রোযা রাখে আর সমস্ত উমতের সমতুল্য দান-খয়রাত করে তবু সে বেহেশতের সুগন্ধ হইতে বঞ্চিত হইবে৷ আল্লাহ পাক জীবিত অথবা মৃত কোন অবস্থায়ই তাহার দিকে রহমতের দৃষ্টি নিক্ষেপ করিবেন না!
ভুয়া। এই পুরা চাপ্টারটা আনুবাদকের নিজের ঢুকানো। মুল কিতাবে এই কথাগুলো নেই। এর আগের কথা আছে, এর পরের কথা আছে। এই কথাগুলো নেই। :-(
স্ক্রিন শট নিচে।
আমার কাজ? Be the Watchman.
এবং এটা প্রায় সবসময় দেয়া হয় "আল্লাহ তায়ালা আরশে আছেন নাকি সর্বত্র আছেন, এবং উনি সাকার নাকি নিরাকার" এই মতামতের উপর ভিত্তি করে।
এই ব্যপারে হানাফী অবস্থান নিচে দেয়া হলো।
______
Quote: কেউ যদি আল্লাহর হাত, পা, চোখ এগুলোতে বিশ্বাস না করে তাহলে সে ইসলামী আকিদায় বিশ্বাস করলো না, বিষয়টি এমন নয়। এগুলোতে বিশ্বাস না করলে তার ইমান থাকবে না, এজাতীয় চিন্তা-ভাবনা করা সম্পূণর্ বাস্তবতা বিরোধী।
সত্য কথা হলো, এই বিষয়গুলো ইসলামী আকিদার অংশ ছিলো না। রাসূল স. ইস্তিনজা করার পদ্ধতি শেখালেও কোথাও মৌলিক আকিদা হিসেবে এগুলো শেখাননি। কোন সাহাবী মৌলিক আকিদা হিসেবে এগুলো শেখাননি। তাবেয়ীগণ এগুলোকে মৌলিক আকিদার অংশ মনে করেননি। যখন মুজাসসিমা ও জাহমিয়াদের আবিভর্াব হয়েছে, তখন থেকে এগুলো আকিদার আলোচনায় এসেছে। নতুবা ইসলামের শুরু থেকে এগুলো আকিদার আলোচনার অংশই ছিলো না।
যখন ক্লাস এইটে পড়তাম তখন ক্লাসের ছেলেরা হাসা হাসি করতো। তাদের আত্মিয় স্বজনরা তাকে তুমি বলবে নাকি আপনি বলবে এটা নিয়ে কনফিউশনে পড়ে যাচ্ছিলো বলে। এটা ট্রানজিশনের বয়স।
এক ছেলে বললো, ডাক্তারের কাছে গেলাম ডাক্তার তার সাথে অদ্ভুদ ভাবে কথা বলছিলো তুমি বলবে নাকি আপনি বলবে সেটা বুঝতে না পেরে। :-D
______
মডার্ন যুগের ছেলে পেলেরা বাপ-মাকে তুমি বলে ডাকে। আমিও একসময় এভাবে ডাকতাম তার পর বড় হয়ে এটা ফ্লিপ করে আপনিতে নিয়ে গিয়েছিলাম। অনেকে বড় হয়েও এটা বদলাতে পারে না। তাই ৪০ বছরের এক ভদ্রলোক তার ৭০ বছরের বাপকে তুমি ডাকছে দেখা যায়। এবং এটা দেখতে অদ্ভুত লাগে। :-D
______
কনফিউশন এড়ানোর জন্য আমি সবাইকে আপনি ডাকি রিকশাওয়ালা থেকে আরম্ভ করে বাচ্চা পর্যন্ত।
তাতে ব্রেইনের উপর চাপ কম পড়ে। কারন, কি ডাকবো সেটা চিন্তে করে বের করতে হয় না। :-P
______
বাংলায় "তুমি, আপনি, তুই" এত ভাগ কেন? এটা বাংলার কোনো স্পেশিয়ালিটি না। অন্য ভাষাতেও আছে। আরবীতে "আনতা" হলো তুমি, "আমতুম" হলো আপনি।
আরবীতে "আমি" এর শ্রেনীভাগ আছে। যদিও বাংলায় আমি এক ভাবেই বলা যায়।
______
মনে করুন বাচ্চাগুলো আপনাকে "তুমি" ডাকে। এটা আপনার পছন্দ না। চেইঞ্জ করবেন। কিভাবে?
সহজ সমাধান। নিজের বাচ্চাদেরও "আপনি" ডাকা আরম্ভ করেন। বাহিরের লোকদের কাছে জিনিসটা কিউট লাগবে। এবং বাচ্চারাও কিছু দিন কনফিউশনরে পর সবাই "আপনি" তে চলে যাবে।
#HabibParenting
I was searching through my news feed, looking for the word "terrorist". Found none.
Q. Why are all terrorist acts being carried out by Muslims?
A. The definition of the word terrorism requires that the killer be a Muslim.
Remember the days Turkey was so desperate to join EU that it started to ban all Islamic symbols and rituals?
Things aren't as it used to be.
গতকালের খবর ছিলো তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে দেয়া হয়েছে।
আজকের খবর সে ক্রসফাযারে নিহত হয়েছে।
me thinks: রাখে আল্লাহ, মারে কে? :-P
conspiracy theory: সে কোন গ্রুপের পক্ষে কাজ করে সেটা মিডিয়াতে আসতে দেয়া যাবে না।
সেটা না হয়ে যদি কারো অনুভুতি বা পছন্দ অপছন্দের উপর ভিত্তি করে ভালো-মন্দ নির্ধারন করা হয়, তবে সেটা অধিকাংশ সময় "আদব" বা "সাইডনোট" হিসাবে থেকে যায়।
রেলিভেন্ট সাইড নোট: একসময় "মোবাইলে কোরআন শরিফ পড়া অনুচিৎ" এই কথাটার পেছনেও প্রচারনা চলছিলো।
যখন বুঝতে পারি কথা এখন গিবতের দিকে টার্ন নিতে পরে বা অলরেডি নিয়ে নিয়েছে। তখন আমি বলি,
"হ্যা। ঠিক। কিছু গিবত করি। ..."
"এখনো রোজা আরম্ভ হয় নি, একটু গিবত করে নেই। ..."
"সত্য কথা বলবো। সত্য বললে কি গিবত হবে?....."
যার সাথে কথা বলছেন সেই তখন আপনাকে থামিয়ে দেবে। পাল্টা আপনাকে কিছু সদুপোদেশ শুনিয়ে দেবে:
"হ্যা। সত্য কথা বললেও গিবত হবে। একবার সাহাবীগন...." বা,
"থাক দরকার নেই এগুলো বলার।"
কিন্তু এটা না করে যদি ক্লাসিকেল ওয়েতে বলেন, "ভাই গিবত করবেন না।"
তবে সেটা তার প্রেস্টিজে লাগবে, "...না ভাই! খারাপ কথা তো বলছি না।"
শীতকালে: ১লা জানুয়ারী
কেন্দ্রে সূর্যাস্ত: 5:22:27
উত্তরে: 5:22:16 (-11 সেকেন্ড)
পূর্বে: 5:22:04 (-24 সেকেন্ড)
দক্ষিনে: 5:22:38 (10 সেকেন্ড)
পশ্চিমে: 5:22:51 (23 সেকেন্ড)
আর গৃস্মকালে: ১৮ই জুন
কেন্দ্রে সুর্যাস্ত: 6:47:41
উত্তরে: 6:47:53 (11 সেকেন্ড)
পূর্বে: 6:47:17 (-24 সেকেন্ড)
দক্ষিনে: 6:47:29 (-12 সেকেন্ড)
পশ্চিমে: 6:48:05 (23 সেকেন্ড)
কংক্লুশন: ১০ কিলোমিটার রেডিয়াসে কেন্দ্র থেকে আধা মিনিট। এবং শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের মাঝে ১ মিনিট পর্যন্ত সময়ের হের ফের হতে পারে।
______
FAQ:
প্রশ্ন: আমি রেডিও টিভিতে আজান যখন দেয় তখন ইফতার করি। আমার কি দেরি করতে হবে?
উত্তর: না। আজান দিলে করতে পারবেন। সেখানে এটার জন্য দেরি করেই আজান দেয়া হয়।
প্রশ্ন: তাহলে এটা বলার উদ্যেশ্য কি?
উত্তর: এটা এডভান্সড পাবলিকের জন্য। :V
কি হয়েছে বুঝা যাচ্ছে না।
কারন as quoted, "আমরা, মা খালা সবাই একসাথে দেখতে পারি”।
http://www.bbc.com/bengali/news/2016/06/160616_bd_tv_channels_women_indian_programmes
বিশ্বব্যপি এর জন্য অফিসিয়াল স্টেন্ডার্ড হলো সূর্যের কেন্দ্র যখন মাথার উপর থেকে ৯০° ৫০' [ ৯০ ডিগ্রী ৫০ মিনিট ] নিচে থাকে তখন এটাকে সূর্য়াস্ত ধরা হয়। ঐ সময়টা হিসাব করে বের করে, সেকেন্ডের ঘরটাকে রাউন্ড করে বাদ দেয়া হয়। মানে অর্থাৎ ৩০ সেকেন্ডের বেশি হলে পরের মিনিট ধরা হয়। আর কম হলে আগের মিনিট।
এখন ৯০° ৫০' কেন? ৯০ ডিগ্রি বুঝা যায়। মাথার উপর থেকে সূর্যের কেন্দ্র ৯০° নিচে থাকলে কেন্দ্র দিগন্ত বরাবর থাকবে।
এর পর ডুবতে হলে সূর্যের বাকি অর্ধেক ডুবতে হবে। এর জন্য এক্সট্রা ১৬' বাড়ানো হয়। আর বাতাসের প্রতিসরন [ atmospheric refraction ] এর জন্য ৩৪' বাড়ানো হয়। সব মিলিয়ে ৯০° ৫০'।
এর বাইরে আর কোনো ফ্যকটর এখানে যোগ করা হয় না।
এর মাঝে সুর্যের অর্ধেকের জন্য যে ১৬' যোগ করা হয় এটা খুব বেশি বাড়ে কমে না। কিন্তু প্রতিসরন রেপিডলি বাড়ে কমে বাতাসের তাপমাত্রার উপর ভিত্তি করে। এবং ক্ষেত্র বিশেষে এটা ২° পর্যন্ত হতে দেখা গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে সূর্যাস্ত ৬ মিনিটের উপরে দেরি হতে পারে।
তবে এটা এক্সট্রিম কেস। অধিকাংশ সময়ে প্রতিসরনের জন্য সূর্যাস্ত ১ মিনিট আগে পরে হয়। এ জন্য সূর্যাস্তের সমযের সাথে সেকেন্ড দেখানো হয় না। কারন এটা এপ্রক্সিমেট।
حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ مُطَهَّرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ مَعْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْغِفَارِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ الدِّينَ يُسْرٌ، وَلَنْ يُشَادَّ الدِّينَ أَحَدٌ إِلاَّ غَلَبَهُ، فَسَدِّدُوا وَقَارِبُوا وَأَبْشِرُوا، وَاسْتَعِينُوا بِالْغَدْوَةِ وَالرَّوْحَةِ وَشَىْءٍ مِنَ الدُّلْجَةِ ".
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
নিশ্চয়ই দ্বীন সহজ-সরল।
দ্বীন নিয়ে যে কড়াকড়ি করে দ্বীন তার উপর বিজয়ী হয়।
কাজেই তোমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন কর, কাছাকাছি থাক আর সুসংবাদ গ্রহন কর।
সকাল-সন্ধ্যায় ও রাতের কিছু অংশে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা কর।
৯০° নিচে নামলে সূর্যের কেন্দ্র দিগন্ত বরাবর থাকে। এর পর আরো ১৬' নামলে সূর্যের বাকি অর্ধেকটা ডুবে যায়। এর পর বাতাসের প্রতিসরন [ atmospheric refraction ] এর জন্য আরো ৩৪' নামতে হয়। যোগ করলে ৯০° ৫০'।
৩৪' ধরা হলেও এটা ৫' বাড়ে বা কমে প্রতিদিন বাতাসের তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে। ক্ষেত্র বিশেষে ১° উপর হতে পারে। ১০'- ১৫' পার্থক্যের জন্য সূর্যাস্ত সময়ে ১ মিনিট পার্থক্য হয়।
সে কারনে সূর্যাস্তের সময়ের সাথে সেকেন্ড দেখানো হয় না কখনো। এটা approximate. এক মিনিট কম বেশি হতে পারে। এর থেকে একুরেটলি হিসাব করার উপায় নেই।
Reference:
http://www-rohan.sdsu.edu/~aty/explain/atmos_refr/understanding.html
১৩ সালে যখন নাস্তিক শাহবাগী বনাম মুসলিমদের মাঝে দন্ধ তৈরি হচ্ছিলো তখন বলতাম, "নাস্তিক বনাম মুসলিমদের মাঝে দ্বন্ধ ফিতনা না। ফিতনা হবে যখন হাটহাজারি মাদ্রাসার মাঝে দুই ভাগ হয়ে যাবে। কওমি উলামারা নিজেদের মাঝে যখন দ্বন্ধ আরম্ভ করবে। And as sign of the time shows, এটা হবে। সময়টা যেহেতু ফিতনার।"
তবে কিভাবে সেটা হতে পারে ঐ সময়ে জানতাম না।
এখন জানি।
১। কোনো দলে যোগ দেয়া যাবে না।
২। ঘরে থাকতে হবে।
৩। এই সব ব্যপারে কিছু না করার এটিচিউড নিয়ে থাকতে হবে।
৪। ফিতনার ব্যপারে কোনো কমেন্ট করবো না, বা সে দিকে তাকাবো না।
৫। পারলে ব্যবসা, চাকরি, খেত, খামার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যেতে হবে।
হাদিস থেকে এই ডিরেকশনগুলো পাওযা যায়।
Me thinks, কোনো হাই লেভেলের বুজুর্গ হয়তো তোয়াফ করছিলো। :-)
So true.
আমার কমন এন্সার হলো, যত ভরি গোল্ড আছে তার ৪০ ভাগের এক ভাগ আলাদা করে নেন। গোল্ডের কোয়ালিটি ভালো/খারাপ হয়। এর মাঝে থেকে মিডিয়াম কোয়ালিটির গোল্ড আলাদা করতে হবে। সবচেয়ে খারাপটা না, আবার সবচেয়ে ভালোটাও না।
এর পর সেই গোল্ডের অলংকার গরিব কাউকে দিয়ে দেন জাকাত হিসাবে।
জাকাত আদায় শেষ।
_________
FAQ:
হাদিস শরিফ বা শরিয়তে বইগুলোতে যেখানে ১ দিরহাম বলা আছে, সেখানে ৩ গ্রাম রূপা ধরা হয়। রাফলি ৪ দিরহামে এক ভরি।
বর্তমানে রূপার বাজার দর হলো ১০০০ টাকা ভরি। সে হিসাবে ১ দিরহাম হলো ২৫০ টাকার মত।
নিসাবের পরিমান সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা এসেছে ২০০ দিরহামের ইকুভেলেন্ট হিসাবে।
এর পর শরিয়ার বইগুলোতে দিরহামের কথা দেখলে সেটা টাকায় কত হবে কনভার্ট করে নেয়া যাবে:
যেমন:
উপরের সবগুলো দিরহামের পরিমান এখন টাকায় করা যাবে। ১ দিরহাম = ২৫০ টাকা ধরে।
আল্লামা ফরিদউদ্দিন মাসউদ [দা: বা:] হলেন:
সত্যিকারে "মাসউদ", ভাগ্যবান।
আমাদের সবার উচিৎ উনার মত হয়ে যাওয়া।
উনি আখেরাতের নাজাতের উসিলা।
উনি উনার উস্তাদের উপরেও উস্তাদ।
বুখারী শরিফের ব্যপারে উনার এক কাহিনী আজ দেশ বিখ্যাত।
"দেওবন্দিয়াত" কি জিনিস সেটা বাংলাদেশে শুধুমাত্র উনি এবং আরেকজন বুঝেন।
উনি কবিরা গুনাহও করেন না। সগিরা গুনাহও করেন কিনা সন্দেহ।
রাসুলুল্লাহ ﷺ ফরিদউদ্দিন মাসুদ সাহেবকে ঘিরে রাখেন।
এত বড় ব্যক্তির ব্যপারে লিখার আগে ফেসবুকের "হাতুড়ে লেখকদের" বুক কাপা উচিৎ।
চিন্তে নেই। সাহাব কিরামদের সমালোচনাও অনেকে করে।
তবে আল্লাহর কাছে ফরিদউদ্দিন মাসুদের মর্যাদা কমাতে পারবেন না।
কেউ উনার সমালোচনা করলে তার "আমলনামা কালো" হবে, গুনাহ বাড়বে।
______
উপরের কথাগুলোর দলিল প্রথম কমেন্টে। এবং ফেসবুকের প্রচুর আলেম-উলামা এটা শেয়ার-রিশেয়ার করছেন। কোনো prank না।
এহেন ব্যক্তিত্ব যখন বলেন উনি, আল্লাহর সাথে ভালো মত ইস্তেখারা করে শাহবাগে গিয়েছিলেন। শাহবাগে যাওয়া ছিলো উনার কাছে ইবাদতের মত। এবং জীবনের সবচেয়ে বড় নেক কাজ উনি শাহবাগে গিয়ে করেছেন। তখন শুধু মাত্র "মওদুদি পন্থিরাই" উনার সমালোচনা করতে পারে।
______
To, তোমরা যারা সবচেয়ে বড় নেক কাজ করতে এখনো মক্কা-মদিনা যাও। Reflect on yourself.
Off topic, Unrelated প্রশ্ন: দাজ্জাল আসতে আর কত দেরি পাঞ্জেরী?
প্লাস এই উক্তিগুলো সব আলেমদের। লিংকড আর্টিকেলে রেফারেন্স দেয়া আছে, কোনটা কার উক্তি।
স্পিড বেড়েছে। সিট বেল্ট বাধা আছে তো?
তবে যাবার আগে বলে যাই। বিম্প হলো ভদ্র লোকদের দল। এরা আন্দোলনের নামে ভাংচুর করে না। এট লিস্ট বেশি করে না। :-D
মক্কা ও মদিনা শরিফে এই রাতগুলোতে তারাবীর পাশাপাশি জামাতের সাথে তাহাজ্জুদের নামাজও পড়ানো হয়। প্রতি রাতে ১ পারা শেষ করে ১০ রাকাত। প্রতি রাকাতে ২ পৃষ্ঠা। রাত দেড় টার দিকে আরম্ভ হয়। শেষ হয় রাত তিনটার কাছা কাছি গিয়ে।
ব্যক্তিগত ভাবে কাল রাত থেকে শবে কদরের খোজ আরম্ভ করবো ইনশাল্লাহ, কারন শেষ দশ রাতের কথাও আছে হাদিসে। তবে সাধারনভাবে এই দেশে পরশু রাত থেকে খুজতে হবে।
তবে ব্যক্তিগত ভাবে আমি শেষ দশ রাত প্রতি রাতে খুজি। এবং সৌদি আরব যে রাতে বিজোড় সে রাত গুরুত্ব বেশি দেই। এটা নিয়ম না। আমার আমল।
বৃটেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে থাকবে কি থাকবে না তার উপর ভোট।
এক সময় poll বলছিলো এক্সিট জিতবে।
এর পর বলছিলো স্টে জিতবে।
ফাইনালি এক্সিট জিতো ৪% মার্জিনে।
আনেক্সপেকটেড না এই সেন্সে যে সময়টা বিভাজনের, ঐক্যের না।
এখন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাচ্ছে।
আমেরিকার পলিটিক্সে এত বেশি বিভাজন যে রিপাবলিকানদের মাঝেও দুই ভাগ।
এবং মধ্যেপ্রাচ্যে বিভাজন থেকে যুদ্ধ চলছে আজ অনেক বছর।
এর পর?
চিন্তে করছি, ঐ কথাগুলো যেখানে বলা হয়েছে এর পরের বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি থাকবে রাশিয়ার পক্ষে। এবং বৃটেন আমেরিকার সাথে।
এটা হয়তো সেই পোলারাইজেশনের একটা ধাপ।
যাকে বলে e-commerce. একটা সময় ছিলো যখন এদেশে ২০০০ টাকার ফুলের ঝুড়ি অনলাইনে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হতো। ক্রেডিট কার্ড দিয়ে প্রবাসিরা অর্ডার দিতো দেশে তাদের পরিবারকে ডেলিভার করার জন্য। মার্জিন ছিলো x10. ট্রেডার ছিলো হাতে গোনা কয়েকজন।
তিব বছর আগে দেখেছিলাম বাইরে যেটা ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। সেটা অনলাইনে কিনতে গেলে পড়ে ২,৫০০ টাকা। ট্রেডার বেড়েছে। প্রফিট নেমে এসেছে x3 এ।
এই বছরের প্রথম দিকেও দেখছি প্রফিট ছিলো ৪০% এর দিকে। মানে ৩০০ টাকার মাল অনলাইনে ৪০০ টাকায় বিক্রি হতো। বই কিনেছিলাম দুটো। বইয়ের গায়ে যে দাম লিখা ছিলো সেই দামই রেখেছে। যেখানে একটু কস্ট করে বাইতুল মুকাররমে গেলে ৩০-৪০% কমিশনে সব বই কেনা যায়।
গত দুই মাস ধরে দেখছি তাদের প্রফিট কমে হয়েছে ২৫% এর দিকে। বইয়ের উপর তারা কাস্টমারদের কমিশন দিচ্ছে। ট্রেডার এখন হাজার হাজার।
আশা করছি কিছু দিন পর আর অনলাইন-অফলাইনের দামে বেশি কোনো পার্থক্য থাকবে না ইনশাল্লাহ।
আমি মাসালা মাসায়েল যা শিখেছি এর বেশির ভাগই উনার মাসিক মদিনার প্রশ্নোত্তর থেকে শিখেছি।
আল্লাহ তায়ালা উনাকে জান্নাত নসিব করুন।
খুজে দেখলাম কি আছে সেখানে।
বিশাল বই, ৩০ হাজারের উপর হাদিস।
একটা চাপ্টার আছে "কিতাব সালাত"।
এর মাঝে "সালাতুত তারাবীহ"।
এতে অধ্যায় "রমজানে যত রাকাত পড়তেন"।
১৩ টা হাদিস আছে এখানে।
http://library.islamweb.net/hadith/display_hbook.php?hflag=1&bk_no=96&pid=49303
একটা একটা করে অনুবাদ করছি। প্রেকটিশ অনুবাদ। আরবিটাও পাশে দিয়ে দিলাম। পুরো আরবীর জন্য উপরের লিংক দেখতে পারেন।
Hadith No. 7508
عَنْ شُتَيْرِ بْنِ شَكَلٍ , أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي فِي رَمَضَانَ عِشْرِينَ رَكْعَةً وَالْوِتْرَ "
...সুতাইর ইবনে শাকাল রমজানে ২০ রাকাত এবং বিতর পড়তেন।
[ যতটুকু বঝলাম, উনার আব্বা ছিলেন সাহাবী ]
No. 7509
أَنَّ عَلِيًّا أَمَرَ رَجُلًا يُصَلِّي بِهِمْ فِي رَمَضَانَ عِشْرِينَ رَكْعَةً
...আলী রা: লোকদের হুকুম দিতেন রমজানে উনার সাথে ২০ রাকাত নামাজ পড়ার জন্য।
No. 7510
أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَمَرَ رَجُلًا يُصَلِّي بِهِمْ عِشْرِينَ رَكْعَةً
...ওমর বিন খাত্তাব রা: লোকদের হুকুম দিতেন রমজানে উনার সাথে ২০ রাকাত নামাজ পড়ার জন্য।
No. 7511
كَانَ ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ يُصَلِّي بِنَا فِي رَمَضَانَ عِشْرِينَ رَكْعَةً وَيَقْرَأُ بِحَمْدِ الْمَلَائِكَةِ فِي رَكْعَةٍ
...ইবন আবি মুলাইকা আমাদের সাথে রমজানে ২০ রাকাত পড়েছেন এবং এক রাকাতে "হামদিল মালাইকা" পড়েছেন।
[ "হামদিল মালাইকা" কি জানি না। মুহাদ্দিসগন বলতে পারবেন ]
No. 7512
كَانَ أُبَيّ بْنُ كَعْبٍ يُصَلِّي بِالنَّاسِ فِي رَمَضَانَ بِالْمَدِينَةِ عِشْرِينَ رَكْعَةً وَيُوتِرُ بِثَلَاثٍ
...উবাই বিন কাব রা: রমজান মাসে মদিনা শরিফে লোকদের সাথে বিশ রাকাত নামাজ এবং তিন রাকাত বিতর পড়তেন।
No. 7513
عَنِ الْحَارِثِ , أَنَّهُ كَانَ يَؤُمُّ النَّاسَ فِي رَمَضَانَ بِاللَّيْلِ بِعِشْرِينَ رَكْعَةً وَيُوتِرُ بِثَلَاثٍ ، وَيَقْنُتُ قَبْلَ الرُّكُوعِ
...হারিছ রা: রমজানের রাতে মানুষের ইমামতি করে ২০ রাকাত নামাজ এবং তিন রাকাত বিতর পড়তেন। এবং রুকুতে যাবার আগে কুনুত পড়তেন।
No. 7514
عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي خَمْسَ تَرْوِيحَاتٍ فِي رَمَضَانَ ، وَيُوتِرُ بِثَلَاثٍ
আবি বাখতারী রমজানে তারাবী পাচ বার আর বেতের তিন পড়তেন।
[ তারাবি হলো নামাজের মাঝে বিরতি। এখন ৪ রাকাত পর পর যেটা হয় ]
No. 7515
كَانَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْأَسْوَدِ يُصَلِّي بِنَا فِي رَمَضَانَ أَرْبَعِينَ رَكْعَةً ، وَيُوتِرُ بِسَبْعٍ
আব্দুর রহমান বিন আল-অসওয়াদ আমাদের সাথে রমজানে চল্লিশ রাকাত নামাজ এবং তিন রাকাত বিতর পড়তেন।
No. 7516
عَنْ عَطَاءٍ ، قَالَ : " أَدْرَكْتُ النَّاسَ وَهُمْ يُصَلُّونَ ثَلَاثًا وَعِشْرِينَ رَكْعَةً بِالْوِتْرِ "
আতা বলেন আমি মানুষদের দেখেছি রমজানে ২৩ রাকাত নামাজ পড়তে বিতর সহ।
No. 7517
عَنْ دَاوُدَ بْنِ قَيْسٍ ، قَالَ : " أَدْرَكْتُ النَّاسَ بِالْمَدِينَةِ فِي زَمَنِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، وَأَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ يُصَلُّونَ سِتًّا وَثَلَاثِينَ رَكْعَةً ، وَيُوتِرُونَ بِثَلَاثٍ "
দাউদ বিন কাইস বলেন আমি উমর বিন আব্দুল আজিজের যুগে মদিনার মানুষদের দেখেছি। আবান বিন উথমান ৩৬ রাকাত পড়তেন, এবং তিন রাকাত বেতের।
No. 7518
أَنَّ عَلِيَّ بْنَ رَبِيعَةَ كَانَ يُصَلِّي بِهِمْ فِي رَمَضَانَ خَمْسَ تَرْوِيحَاتٍ ، وَيُوتِرُ بِثَلَاثٍ "
আলি ইবন রাবিআহর সাথে রমজানে তারাবি পাচ বার আর বেতের তিন পড়া হতো।
No. 7519
كَانَ سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ يَؤُمُّنَا فِي رَمَضَانَ ، فَيُصَلِّي بِنَا عِشْرِينَ لَيْلَةً سِتَّ تَرْوِيحَاتٍ ؛ فَإِذَا كَانَ الْعَشْرُ الْآخَرُ اعْتَكَفَ فِي الْمَسْجِدِ ، وَصَلَّى بِنَا سَبْعَ تَرْوِيحَاتٍ
সাইদ বিন জুবাইর রমজানে আমাদের ইমামতি করতেন এবং বিশ রাত পর্যন্ত তারাবি ছয় বার করতেন। যখন শেষ ১০ দিন আসলো তখন তখন মসজিদে ইতেকাফ করলেন এবং আমাদের সাথে তারাবি সাত বার করলেন।
No. 7520
(حديث مرفوع) حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ ، قَالَ : أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُثْمَانَ ، عَنِ الْحَكَمِ ، عَنْ مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : " أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي فِي رَمَضَانَ عِشْرِينَ رَكْعَةً ، وَالْوِتْرَ "
(মারফু হাদিস) ইয়াজিদ বিন হারুন বলেছেন, ইবরাহিম বিন উথমান বলেছেন, হাকেম বলেছেন, মিকছাম বলেছেন, ইবনে আব্বাস রা: বলেছেন,
যে: রাসুলুল্লাহ ﷺ রমজানে বিশ রাকাত এবং বিতর পড়তেন।
[ এই শেষ হাদিসটা বাহাসে দলিল হিসাবে স্থাপন করা হয়েছিলো ]
নাজায়েজ হলে সরাসরি বলেই দিতেন নাজায়াজ।
// note to self, ভালো হয়ে যেতে হবে। সময় আর মাত্র ৭ দিন। :-P
১৫৷ মাসআলা: এ’তেকাফ অবস্থায় বিনা যরুরতে দুনিয়াদরীির কাজে লিপ্ত হওয়া মকরুহ্ তাহরিমি৷ যেমন, বিনা যরুরতে কেনাবেচা, বা ব্যবসা সংক্রান্ত কোন কাজ করা৷ অবশ্য যে কাজ নেহায়েত যরুরী যেমন, ঘরে খােরাকী নাই, সে ব্যতীত বিশ্বাসী কোন লোকও নাই, এমতাবস্থায় কেনাবেচা জায়েয আছে, কিন্তু মালপত্র মসজিদে আনা কোন অবস্থায়ই জায়েয নাই-যদি উহা মসজিদে আনিলে মসজিদ খারার হওয়ার কিংবা জায়গা আবদ্ধ হওয়ার আশংকা হয়৷ অন্যথায় কেহ কেহ জায়েয বলিয়াছেন৷