দেশের বিজয় দিবস পালন করা মুসলমানদের কোন পর্যায়ের আমাল??
ফরজ, সুন্নত, নফল??
নাকি মুস্তাহাব??
ওওও আচ্ছা জায়েজ আছে ।
মনে করে দেখুন তো, মুসলমানদের ইতিহাসের বিজয় দিবস কেমন ছিলো??
বিজয়ী বেশে মক্কায় প্রবেশের সময় রসুল সঃ উটের পীঠে মাথাকে এতো নিচু করে দিচ্ছিলেন যে, কোন বর্ননায় আসছে কালো পাগড়ী যেনো উটের পীঠের সাথেই লেগে যাচ্ছিলো ।
কি বলছিলেন মুখে??
"লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়া নাসারা আব'দা_______"
আল্লাহ তার গোলাম কে সাহায্য করেছেন। তাঁর কৃত ওয়াদা পূরণ করেছেন।
আর আল্লাহ তায়ালা বিজয়ীদের করনীয় বুঝাইলেন,
"ইজা যা আনাস রুল্লাহি ওয়াল ফাতহ্,
ওয়ার আই তান্নাসা ইয়াদ খুলু না ফী দ্বীনিল্লাহী আফওয়াজা,
ফাসাব্বিহ বিহামদি রব্বিকা ওয়াসতাগফির,
ইন্নাহু কানা তাওয়াবা।"
অর্থাৎ শুরুতে মনে করালেন,
আল্লাহর সাহায্যেই এই বিজয় লাভ, আর শেষে বললেন,
তোমরা মহান আল্লাহর পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করো।
এস্তেগফারকারী হও ।
আমি তাওবা কবুল করনেওয়ালা।
তো রাসূল সঃ বা, পরবর্তীতে কোন সাহাবী কি বছরান্তে বিজয় দিবস পালন করেছিলেন নাকি কখনো,?
তো আমরা কিসের চেতনায় এমন হঠাৎ জাগ্রত হলাম??
●●দ্বীন হুযুগে চলার নাম নয় বরং বিচক্ষণতার সাথে সচেতনভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি তালাশে লিপ্ত হবার নাম।
●●আরো গভীরভাবে চিন্তা করলে বুঝবেন সীমানা নির্ধারন করে জাতীয়তার তথা দেশ দেশ বানানোর খেলা উম্মতকে টুকরা টুকরা করার ষড়যন্ত্র।
●●তাবলীগের ভাই আব্দুল ওয়াহাব দাঃবাঃ সব সময় একটা কথা বলেন, আমাদের পরিচয়, বাঙ্গালী, ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানী, আফ্রিকান নয় বরং আমরা মুসলমান, পুরা উম্মতের ।
আমরা তো "উখরিজাত লিন নাস।"
●●●পরিশেষে, মুসলমান যে যুগেই তার স্বীয় পরিচয় ভুলে গিয়ে অন্যের রুপধারনের চেষ্টা করছে।
অর্থাৎ, সিবগতাল্লাহ্ বা আল্লাহর রঙ্গে রঙ্গীন হওয়াকে লজ্জার কারন ভেবে তথাকথিতো সমাজপতিদের রঙ্গে ঢঙ্গে সেজেছে।
অপমান অপদস্তি লান্চনা আর আসমানী, জমিনী বালা মুসীবত সেই সাথে, শত্রুর মাইর তাদের সঙ্গী হইছে।
●●হুযুগে না চলে দ্বীনের ব্যপারে সচেতনতা অবলম্বনের আহবান রইলো প্রতিটি ইসলামী দলের প্রতি।
●●আল্লাহ আমার অযোগ্যতা জনীত ভুল কে মাফ করেন।
(আমীন।)
28-Dec-2015 10:40 am