কিন্তু এটা এখনো গুজব। টুইটারে এই ব্যপারে কিছু নেই। খবরেও নেই।
এটা বুঝতে হবে যে কিছু দিন পর পর ইরানি মিডিয়া থেকে সৌদি বিরোধি গুজব ছাড়া হয়। কিন্তু কোনটা গুজব আর কোনটা সত্য সেটা বুঝাও টাফ।
কারন উনাকে যখন গ্রেফতার করা হয়েছিলো তখন একগাদা আপত্তি চলে এসেছিলো "এটা গুজব"। শেষে এখন এটা প্রতিষ্ঠিত যে উনাকে সত্যি গ্রেফতার করা হয়েছিলো এবং এখনো জেলে আছেন।
উল্টোদিকে বলা হয়েছিলো শেখ সালমান আল-উদা সহ তিনজনকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে রমজানের পরে। কিন্তু এখনো কোনো খবর নেই। হয়তো গুজব, হয়তো সত্যি, বুঝার উপায় নেই।
তাই "হলে জানা যাবে" মুডে থাকা ভালো। "হতে যাচ্ছে" এই খবরে উত্তেজিত হবার কারন নেই।
কিন্তু উনাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কি ছিলো?
বর্তমান সৌদি সরকার "ইখওয়ানি" নাম দিয়ে আলেমদের গ্রেফতার করছে। কারন যাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে পরে মিডিয়ায় তারা কিভাবে "ইখওয়ানি" সেই প্রমান দেখাচ্ছে। প্রোপাগান্ডার অংশ।
এখন এই সব ব্যপারে কিছু বললেও আবার দুই পক্ষের বহু আপত্তিকারি জমে যায়। কারন দেশে কিছ লোক চরম সৌদি সরকারের পক্ষে। কিছু চরম বিপক্ষে। দুই ধারাই সালাফি। কিন্তু দুই পক্ষেরই সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকে "এই খবর ঠিক না" "জেনে কথা বলবেন" এই সব বলে অন্য পক্ষকে চাপে রাখা। মাঝখানে পেরায় পড়ি আমরা যাদের কাছে এগুলো অত বড় ইশু না যত বড় করে প্রো বা এন্টিরা দেখে।
- Comments:
- উপরের আলোচনার সবপক্ষের সবই সালাফি। "মাজহাবি" কেউ নেই।