১
জোড় আরম্ভ হবার আগে ourislam লিখেছিলো আলমি শুরায় শফি সাহেবকে অন্তর্ভুক্তি। বিশ্ব ইজতেমায় উলামাদের বয়ানের দাবি এই সব আসতে পারে।
এগুলো সবই overstep. জোর করে তবলিগের বাইরের কেউ তবলিগের কন্ট্রোল নিতে পারলেই তবলিগের লক্ষ মানুষ তার তাবেদার হবে না।
এরকম হলে আমি বলতাম উলামারা পথচ্যুত হচ্ছেন।
২
সত্যিকারে জোড়ে এই সব দাবি কোনোটাই আসে নি। বরং বলা হয়েছে কেন সাদ সাহেবের অনুসরন জায়েজ নেই।
এবং উলামারা ইজতেমার একটা তারিখের পক্ষ নিয়েছেন। এর কারন সম্ভবতঃ এখন মারকাজ ভাগ হবার সাথে সাথে ইজতেমাও ভাগ হয়ে যাচ্ছে।
এই ব্যপারে ডিটেলস জানা নেই।
৩
আব্দুল মালেক সাহেব, যার ফতোয়া কিছুদিন আগে ওয়েভ ক্রিয়েট করেছিলো, বলেন : অনেকে মাওলানা সাদকে আমীর মনে করেন। এক্ষেত্রে মূলনীতি হলো আমীর হওয়ার জন্য প্রয়োজন তামীর হওয়া অর্থাৎ আমীর বানানো। অথবা ওলামায়ে কেরাম তার হাতে ইমারতের বায়াত হওয়া। এক্ষেত্রে কেউ স্বঘোষিত আমীর হতে পারে না।
মাওলানা সাদ এর অনুসরণ করা ঠিক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাওলানা সাদ কান্ধলভী নিজেকে স্বঘোষিত আমীর দাবী করেছেন। কিন্তু মাওলানা সাদ সাহেবের ক্ষেত্রে তামীর পাওয়া যায়নি এবং ওলামাদের বায়াতও পাওয়া যায়নি।
তার মধ্যে এ দুটা পাওয়া না যাওয়ায় তার আমীর হওয়া ফিকহী হাইছিয়াতে গলত। যখন তার আমীর হওয়াটাই গলত তখম তো ইতায়াতের প্রশ্নই আসে না।
৪
তবলিগে বিশাল উত্থান পতন চলছে। শেষে কোন দিকে যায় এটা অনিশ্চিৎ। এবং এখনো দিনে দিনে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে।
এটা খারাপ লক্ষন।
Keep watching.