* দিমাশকের এক হানাফী কাযী (বিচারক) বলতেন, আমি যদি শাসক হতে পারতাম, তবে শাফেয়ীদের কাছ থেকে জিযয়া (অমুসলিম কর) উসূল করতাম!
* ষষ্ঠ শতকের মাঝামাঝি সময়ে নিশাপুরে হানাফী ও শাফেয়ীদের ভেতরে ব্যাপক কোন্দল শুরু হয়। সে কোন্দলে অগণন লোক নিহত হয়। অসংখ্য মসজিদ ও মাদরাসা পুড়িয়ে দেয়া হয়। শাফেয়ীদের পক্ষে প্রচুর হতাহত হয়। পরবর্তীতে তারা হানাফীদের কাছ থেকে কঠোর প্রতিশোধ নেয়।
* ষষ্ঠ শতাব্দীতে বাগদাদে এক শাফেয়ী খতীব ইন্তেকাল করেন। তাকে হাম্বলীদের কবরস্থানে দাফন করতে গেলে হাম্বলীরা বাধা দেয়। বিশাল সংঘাত সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যস্ত খলীফার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
* একই শতাব্দীতে ইস্পাহানে শাফেয়ী ও অন্যান্য মাযহাবের ভেতরে সংঘাত শুরু হয়। দীর্ঘ আটদিন হানাহানি চলে। অসংখ্য মুসলমান মুসলমানের হাতে নিহত হয়!
* অষ্টম শতাব্দীতে বাগদাদ, দিমাশক ও ইস্পাহানে একই ধরনের মাযহাবী লড়াই হয়। ইস্পাহানে প্রচুর মসজিদ ও মাদরাসা পুড়িয়ে দেয়া হয়। শাফেয়ী ও হাম্বলীদের লড়াই বন্ধ করতে শেষ পর্যন্ত সরকারের হস্তক্ষেপ করতে হয়।
* ইয়াকূত হামাভী লেখেন (৭ম শতাব্দী), তাঁর যুগে ইস্পাহানে হানাফী ও শাফেয়ীদের ভেতরে নিরবচ্ছিন্ন লড়াইয়ের কারণে গোটা শহর বিরান হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। অন্যান্য শহরেও এমন হানাহানি চলে। অনেক সময় মাযহাবী পরিচয় লুকানো ছাড়া প্রাণরক্ষাও কঠিন হয়ে পড়তো।
________
আগের যুগের সেই মাজহাবি দ্বন্ধ এখন চলছে মাজহাবি-লামাজহাবি দ্বন্ধ হিসাবে।
আমি কিছু বললাম না, শুধু লাইক কমেন্ট দিয়ে একটিব থাকলাম।
লিংক কমেন্টে
- Comments:
- https://www.facebook.com/mizan.harun/posts/2152611921634948
- "লা মাজহাব" একটা নতুন মাজহাব, that denies this identity of theirs.