সাদ্দাম আর বাথ পার্টির আন্ডারে তৎকালীন ইরাক [১৯৭৬ থেকে ১৯৮০]
মসজিদে মাইকে আজান হতো না। কোনো ওয়াক্তেই না। কখনো কোনো আজান শুনি নি। বাংলাদেশে ফিরার পর প্রথম আমি যেটা অবাক হয়েছিলাম সেটা হলো চারিদিকে আজান শুনে।
টিভিতেও কখনো আজান প্রচার করা হতো না।
তবে মসজিদ ছিলো। গলির ভেতর, ছোট আকারে। বড় রাস্তা দিয়ে চলার সময় কোনো মসজিদ চোখে পড়তো না।
ছোট মসজিদগুলোতে জুম্মার নামাজ হতো। আব্বার সাথে গিয়ে মাঝে মাঝে পড়ে আসতাম। খুতবাও শুনেছি আরবীতে।
স্কুলে কখনো ইসলাম, রাসুলুল্লাহ ﷺ বা আল্লাহর কথা কখনো বলা হতো না। এগুলোর বিষয়ে কিছু কখনো পড়ানো হতো না।
ইরাকের মহিলারা বোরকা পড়তো। তবে মুখ ঢাকতো না।
সাদ্দাম ক্ষমতায় এসে ইউনিভার্সিটিতে বোরকা নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন। আব্বার কাছে শুনেছি নিষিদ্ধ করার পর উনার ক্লাসে চার জন মেয়ে কেমন কান্না করছিলো কারন পর দিন থেকে তারা আর ক্লাস করতে পারবে না।
সরকার যে কোনো কারনে যে কাউকে ধরে নিয়ে যেতো। আব্বা বলছিলেন উনার ক্লাস চলা সময় ক্লাসে এসে কয়েকজন ছাত্রকে ধরে নিয়ে গিয়েছিলো। এর পর এক ছাত্রের বাপের সাথে দেখা হয়েছিলো হটাৎ বাজারে। সে প্রকাশ্যে কিছু বলতেও পারছিলো না, শুধু কান্না করছিলো ভয়ে।
Comments:
- আমাদেরকে কিছু বিস্কুট খাওয়ালে আরো খুশি হতাম :-P
29-Oct-2015 8:49 pm