এর পরের মেটেলগুলো স্বল্প পরিমানে তৈরি হতে পারে শুধু যদি তারকাটা বিষ্ফোরিত হয় তাহলে। তামা, পারদ, ইউরেনিয়াম, স্বর্ন, রূপা এগুলো।
আমাদের সুর্যের অর্ধেক হাইড্রোজেন পুড়ে হিলিয়াম হয়ে গিয়েছে, এবং বাকি অর্ধেক আছে। সেটা পুড়তেও ৫ বিলিয়ন বছর লাগবে। সমস্ত হাইড্রোজেন পুড়ে হিলিয়াম হয়ে গেলে, এর পর হিলিয়াম পুড়া আরম্ভ হবে, তার আগে কখনোই না। এর পরও সুর্যে ১% অক্সিজেন আর ০.২% লোহা আছে। এগুলো সুর্যের আসে পাশে যে তারকাগুলো আগে বিষ্ফোরিত হয়েছিল সেগুলোর ছিট ফোটা। সে থেকে বোঝা যায় সুর্য হল ৩য় বা ৪র্থ প্রজন্মের তারকা। মানে সুর্যের বড় দাদা ছিল প্রথম তারকা।
ও দিকে, আমাদের পৃথিবীর তিন ভাগের এক ভাগ লোহা আর তিন ভাগের এক ভাগ অক্সিজেন। বাকিটার অর্ধেক হল পাথর, আর অর্ধেক অন্যান্য।
অর্থাৎ পৃথিবীতে লোহা, অক্সিজেন আর পাথর অস্বাভাবিক বেশি। এত লোহা একসাথে জড়ো হল কিভাবে? এটা প্লেনেট ফরমেশনের থিউরিতে পড়ে, যেটা মানুষ স্পষ্ট করে এখনো জানে না।